শিরোনামঃ
ভয় নয়-সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান: জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের নির্বাচনী ভাষণের পূর্ণবিবরণী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সালতামামি খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বনেতাদের সমাগম  খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন  পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হলফনামায় তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি টাকা সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

রাজধানীর তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনের নেত্রী রত্নাকে তুলে নেয়ার অভিযোগ

#
news image

রাজধানীর কলাবাগান এলাকার তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সমাজকর্মী সৈয়দা রত্নাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকালে সৈয়দা রত্না ফেসবুক লাইভে গিয়ে ওই মাঠটি দখল হয়ে যাওয়া নিয়ে সবার দৃষ্টি কামনা করছিলেন। 

এ সময় সাদা পোশাকধারী এবং পোশাকধারী পুলিশ তাকে লাইভ করতে নিষেধ করেন। এরপর ওই পুলিশ সদস্যরা তার মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ও তাকে টেনেহিঁচড়ে একটি পুলিশ ভ্যানে তুলে নেন। তবে তাকে গ্রেফতার বা আটকের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি কলাবাগান থানা পুলিশ।

কলাবাগান থানার ডিউটি অফিসার এসআই মিজান বলেন, এ বিষয়ে থানার ওসি বিস্তারিত জানেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্রকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

তেঁতুলতলা মাঠে কলাবাগান থানা ভবন নির্মাণ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে থানা ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী আন্দোলন করছেন। আন্দোলনকারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সৈয়দা রত্না।

রবিবার সকালে তিনি ফেসবুক লাইভে বলেন, বন্ধুরা আপনারা জানেন যে, আমাদের এই মাঠটি নিয়ে অনেকদিন ধরে লড়াই করছি। আজকে অনেক পুলিশ এসেছে এখানে। শেষ পর্যন্ত হয়ত আমরা আমাদের মাঠটি ধরে রাখতে পারছি না। একটি মাঠ দখল করার জন্য এতো পুলিশ কেন? এটা আমাদের খেলার মাঠ, আমাদের নাগরিক অধিকার ছিল। পুলিশের পাশাপাশি অনেক ভাইরা এসেছেন সিভিলে। আচ্ছা ভাই আপনারা কারা?

এরপর একজন এগিয়ে এসে তাকে ফেসবুক লাইভ বন্ধ করতে বলেন। তিনি বন্ধ করতে না চাইলে তাকে ধমক দেওয়া হয়। রত্না বলেন এটা আমার নাগরিক অধিকার। বন্ধ করব কেন? পরে তার মোবাইলটি কেড়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০ থেকে ২৫ জন নারী পুলিশ তাকে ধরে একটি পুলিশ ভ্যানে তোলেন এবং সেখান থেকে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে রত্নাকে আটকের প্রতিবাদ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), উদীচী, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), বেসরকারি সংগঠন নিজেরা করি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও গ্রিন ভয়েসসহ বিভিন্ন সংগঠন।

 

প্র.খ/বিপ্লব

প্রভাতী খবর ডেস্ক:

২৪ এপ্রিল, ২০২২,  10:25 PM

news image
কলাবাগান তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনের নেত্রী সমাজকর্মী সৈয়দা রত্নাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কলাবাগান এলাকার তেঁতুলতলা মাঠ রক্ষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সমাজকর্মী সৈয়দা রত্নাকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকালে সৈয়দা রত্না ফেসবুক লাইভে গিয়ে ওই মাঠটি দখল হয়ে যাওয়া নিয়ে সবার দৃষ্টি কামনা করছিলেন। 

এ সময় সাদা পোশাকধারী এবং পোশাকধারী পুলিশ তাকে লাইভ করতে নিষেধ করেন। এরপর ওই পুলিশ সদস্যরা তার মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ও তাকে টেনেহিঁচড়ে একটি পুলিশ ভ্যানে তুলে নেন। তবে তাকে গ্রেফতার বা আটকের বিষয়টি এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি কলাবাগান থানা পুলিশ।

কলাবাগান থানার ডিউটি অফিসার এসআই মিজান বলেন, এ বিষয়ে থানার ওসি বিস্তারিত জানেন। বিষয়টি নিশ্চিত হতে কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্রকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

তেঁতুলতলা মাঠে কলাবাগান থানা ভবন নির্মাণ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে থানা ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী আন্দোলন করছেন। আন্দোলনকারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সৈয়দা রত্না।

রবিবার সকালে তিনি ফেসবুক লাইভে বলেন, বন্ধুরা আপনারা জানেন যে, আমাদের এই মাঠটি নিয়ে অনেকদিন ধরে লড়াই করছি। আজকে অনেক পুলিশ এসেছে এখানে। শেষ পর্যন্ত হয়ত আমরা আমাদের মাঠটি ধরে রাখতে পারছি না। একটি মাঠ দখল করার জন্য এতো পুলিশ কেন? এটা আমাদের খেলার মাঠ, আমাদের নাগরিক অধিকার ছিল। পুলিশের পাশাপাশি অনেক ভাইরা এসেছেন সিভিলে। আচ্ছা ভাই আপনারা কারা?

এরপর একজন এগিয়ে এসে তাকে ফেসবুক লাইভ বন্ধ করতে বলেন। তিনি বন্ধ করতে না চাইলে তাকে ধমক দেওয়া হয়। রত্না বলেন এটা আমার নাগরিক অধিকার। বন্ধ করব কেন? পরে তার মোবাইলটি কেড়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০ থেকে ২৫ জন নারী পুলিশ তাকে ধরে একটি পুলিশ ভ্যানে তোলেন এবং সেখান থেকে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে রত্নাকে আটকের প্রতিবাদ জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), উদীচী, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), বেসরকারি সংগঠন নিজেরা করি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও গ্রিন ভয়েসসহ বিভিন্ন সংগঠন।

 

প্র.খ/বিপ্লব