শিরোনামঃ
ভয় নয়-সাহসকে সামনে এনে ভোটকেন্দ্রে যান: জাতির উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশ্যে তারেক রহমানের নির্বাচনী ভাষণের পূর্ণবিবরণী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতলে দেশ পাল্টে যাবে, আর অপশাসন ফিরবে না: প্রধান উপদেষ্টা ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির সালতামামি খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বনেতাদের সমাগম  খালেদা জিয়ার জানাজায় স্মরণকালের রেকর্ড মানুষের অংশগ্রহণ তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন  পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন হলফনামায় তারেক রহমানের সম্পদ প্রায় ২ কোটি টাকা সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

তারেক রহমান নিজ হাতে মাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন 

#
news image

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ রাজধানীর জিয়া উদ্যানে নিজ হাতে তার মা বেগম খালেদা জিয়াকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন। 

রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সৈন্যরা বেগম জিয়ার কফিনটি নিয়ে আসার পর বেগম জিয়ার জন্য খনন করা কবরে নেমে তারেক রহমান খোলা হাতে মরদেহ গ্রহণ করেন। 

বেগম জিয়াকে তার প্রয়াত স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকাল প্রায় ৪:৩০ মিনিটে সমাহিত করা হয়। 

এসময় তারেক রহমানকে তার নিকটাত্মীয়রা মরদেহ কবরে রাখার জন্য সহায়তায়  করেন। কবর ঢেকে দেয়ার সময় তিনি এক মুষ্টি মাটি কবরে তুলে দেন। এরপর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা এবং উপস্থিত অন্যান্যরা দাফন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডাঃ জুবাইদা রহমান, তার মৃত ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং কোকোর মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য মহিলা সদস্যরা দাফন প্রক্রিয়া চলাকালীন কাছেই নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

কবর মাটি দিয়ে ভরাট করার সময় রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সৈন্যরা গান স্যালুট  প্রদান করে। 

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, তার সামরিক সচিব এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে, তার সামরিক সচিব কবর ভরাট করার পর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেনাবাহিনীর বিউগল বাজানোর সাথে সাথে সামরিক, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা কবরের সামনে এসে মরহুমা খালেদা জিয়ার প্রতি সালাম জানান।

তারেক রহমানের সাথে দুজন সামরিক সদস্যও রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। 

রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকলে মরহুমার আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন। 

বেগম জিয়ার জানাজার এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর তাকে দাফন করা হয়। জাতীয় পতাকা মোড়ানো একটি ভ্যান সৈন্যদের পাহারায় ধীরে ধীরে জিয়া উদ্যানের দিকে এগিয়ে যায়।

বিকেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটে। সেখানে তার পরিবার, প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সিনিয়র রাজনীতিবিদ, সিনিয়র বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবৃন্দ যোগ দেন।

বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ বিদেশী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন এবং তারেক রহমানের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানান।

নাগরিক সংবাদ অনলাইন

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫,  10:15 PM

news image

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ রাজধানীর জিয়া উদ্যানে নিজ হাতে তার মা বেগম খালেদা জিয়াকে চিরনিদ্রায় শায়িত করলেন। 

রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর সৈন্যরা বেগম জিয়ার কফিনটি নিয়ে আসার পর বেগম জিয়ার জন্য খনন করা কবরে নেমে তারেক রহমান খোলা হাতে মরদেহ গ্রহণ করেন। 

বেগম জিয়াকে তার প্রয়াত স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বিকাল প্রায় ৪:৩০ মিনিটে সমাহিত করা হয়। 

এসময় তারেক রহমানকে তার নিকটাত্মীয়রা মরদেহ কবরে রাখার জন্য সহায়তায়  করেন। কবর ঢেকে দেয়ার সময় তিনি এক মুষ্টি মাটি কবরে তুলে দেন। এরপর সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা এবং উপস্থিত অন্যান্যরা দাফন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।

তারেক রহমানের স্ত্রী ডাঃ জুবাইদা রহমান, তার মৃত ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান, তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং কোকোর মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য মহিলা সদস্যরা দাফন প্রক্রিয়া চলাকালীন কাছেই নীরবে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

কবর মাটি দিয়ে ভরাট করার সময় রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সৈন্যরা গান স্যালুট  প্রদান করে। 

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, তার সামরিক সচিব এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষে, তার সামরিক সচিব কবর ভরাট করার পর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

সেনাবাহিনীর বিউগল বাজানোর সাথে সাথে সামরিক, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানরা কবরের সামনে এসে মরহুমা খালেদা জিয়ার প্রতি সালাম জানান।

তারেক রহমানের সাথে দুজন সামরিক সদস্যও রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। 

রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সকলে মরহুমার আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন। 

বেগম জিয়ার জানাজার এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর তাকে দাফন করা হয়। জাতীয় পতাকা মোড়ানো একটি ভ্যান সৈন্যদের পাহারায় ধীরে ধীরে জিয়া উদ্যানের দিকে এগিয়ে যায়।

বিকেলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে লক্ষ লক্ষ লোকের সমাগম ঘটে। সেখানে তার পরিবার, প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সিনিয়র রাজনীতিবিদ, সিনিয়র বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের ব্যক্তিবৃন্দ যোগ দেন।

বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ বিদেশী গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন এবং তারেক রহমানের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানান।