শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

দুর্গাপুরে পুকুর সংস্কারের নামে মাটি বিক্রির ধুম,বেহাল দশা রাস্তার

#
news image

রাজশাহীর দুর্গাপুরে পুকুর সংস্কারের নামে যেন ধুম পড়েছে মাটি বিক্রির। এতে রাস্তা দিয়ে স্বাভাবিক চলাচল ব্যহত হচ্ছে।ওই সকল রাস্তা দিয়ে মাটি বোঝাই ট্রাক্টর চলচল করায় ভেঙ্গে যাচ্ছে রাস্তা। ১৪ জানুয়ারি বিকেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুর গ্রামের সারকারপাড়া এলাকায় পুকুর সংস্কারের নামে চলছে মাটি বিক্রির ধুম। ওই রাস্তা দিয়ে ট্রাক্টরে করে মাটি পরিবহনের ফলে মাটি ছিটকে পড়ছে রাস্তায়। ওই মাটিগুলো ধুলাবালিতে পরিনত হচ্ছে, মাটি নিয়ে বারবার ট্রাক্টর চলাচলের কারনে ওই রাস্তায় ধুলাবালিতে পরিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে, তাছাড়া ভেঙ্গে যাচ্ছে রাস্তা। দূরত্ব অনুযায়ী ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে প্রতি ট্রাক্টর মাটি।

জানা গেছে, মাটি বিক্রয়ে লাভবান হওয়ার কারনে বিভিন্ন মহল ম্যানেজ করে মাটি বিক্রয় করে চলেছেন স্থানীয় মিঠু নামের এক ব্যক্তি।  মাটি বিক্রয়ের বিষয়ে কথা বলতে গেলে মিঠু বলেন, আসলে পুকুর সংস্কার চলছে জনগণ মাটি কিনতে চাচ্ছে তাই রাস্তার ক্ষতি হলেও গাড়ি রাস্তায় চালাতেই হবে। রাস্তার ক্ষতি করে মাটি বিক্রয় এর বিষয়ে জানতে চাইলে এটার কোন জবাব নেই বলে জানান তিনি। পুকুর সংস্কারের অনুমতির বিষয়ে জানতে চাইলে পুকুর মালিক রতন বলেন, অনুমতি নিয়েই পুকুর সংস্কার করা হচ্ছে , রাস্তার ক্ষতি করে মাটি বিক্রয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে এ বিষয়ে মাটি বিক্রির দায়িত্বে থাকা মিঠুর সাথে কথা বলতে বলেন তিনি। অবৈধ ভাবে মাটি বিক্রয় করার কারনে রাস্তা দিয়ে চলাচল অনেক কষ্ট কর হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে দ্রুত পুকুরের মাটি বিক্রয় বন্ধ করতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার লোকজন।

অনুমতির বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৃষ্ণচন্দ্র বলেন, ওই পুকুরে এর আগে ভ্রাম্যমান দেয়া হয়েছিল। তারা লুকোচুরি করে পুকুর সংস্কার করতেছে, লিখিত বা মৌখিক কোনরকম অনুমতি দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম  বলেন, এ ধরনের পুকুর সংস্কারের কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

এম. শাহাবুদ্দিন, দুর্গাপুর, রাজশাহী

১৫ জানুয়ারি, ২০২৪,  6:19 PM

news image

রাজশাহীর দুর্গাপুরে পুকুর সংস্কারের নামে যেন ধুম পড়েছে মাটি বিক্রির। এতে রাস্তা দিয়ে স্বাভাবিক চলাচল ব্যহত হচ্ছে।ওই সকল রাস্তা দিয়ে মাটি বোঝাই ট্রাক্টর চলচল করায় ভেঙ্গে যাচ্ছে রাস্তা। ১৪ জানুয়ারি বিকেলে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুর গ্রামের সারকারপাড়া এলাকায় পুকুর সংস্কারের নামে চলছে মাটি বিক্রির ধুম। ওই রাস্তা দিয়ে ট্রাক্টরে করে মাটি পরিবহনের ফলে মাটি ছিটকে পড়ছে রাস্তায়। ওই মাটিগুলো ধুলাবালিতে পরিনত হচ্ছে, মাটি নিয়ে বারবার ট্রাক্টর চলাচলের কারনে ওই রাস্তায় ধুলাবালিতে পরিপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে, তাছাড়া ভেঙ্গে যাচ্ছে রাস্তা। দূরত্ব অনুযায়ী ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে প্রতি ট্রাক্টর মাটি।

জানা গেছে, মাটি বিক্রয়ে লাভবান হওয়ার কারনে বিভিন্ন মহল ম্যানেজ করে মাটি বিক্রয় করে চলেছেন স্থানীয় মিঠু নামের এক ব্যক্তি।  মাটি বিক্রয়ের বিষয়ে কথা বলতে গেলে মিঠু বলেন, আসলে পুকুর সংস্কার চলছে জনগণ মাটি কিনতে চাচ্ছে তাই রাস্তার ক্ষতি হলেও গাড়ি রাস্তায় চালাতেই হবে। রাস্তার ক্ষতি করে মাটি বিক্রয় এর বিষয়ে জানতে চাইলে এটার কোন জবাব নেই বলে জানান তিনি। পুকুর সংস্কারের অনুমতির বিষয়ে জানতে চাইলে পুকুর মালিক রতন বলেন, অনুমতি নিয়েই পুকুর সংস্কার করা হচ্ছে , রাস্তার ক্ষতি করে মাটি বিক্রয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে এ বিষয়ে মাটি বিক্রির দায়িত্বে থাকা মিঠুর সাথে কথা বলতে বলেন তিনি। অবৈধ ভাবে মাটি বিক্রয় করার কারনে রাস্তা দিয়ে চলাচল অনেক কষ্ট কর হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে দ্রুত পুকুরের মাটি বিক্রয় বন্ধ করতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকার লোকজন।

অনুমতির বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৃষ্ণচন্দ্র বলেন, ওই পুকুরে এর আগে ভ্রাম্যমান দেয়া হয়েছিল। তারা লুকোচুরি করে পুকুর সংস্কার করতেছে, লিখিত বা মৌখিক কোনরকম অনুমতি দেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম  বলেন, এ ধরনের পুকুর সংস্কারের কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।