শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

দোয়া কুনুত না জানলে সালাতে করণীয়

#
news image

বিতর অর্থ বিজোড়। বিতর নামাজের রাকাত বিজোড় সংখ্যক বিধায় এটিকে বিতর নামাজ বলা হয়। ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত বিতর পড়া যায়।

প্রতিদিন এ সময়ের মধ্যে বিতর নামাজ পড়া ওয়াজিব। বিতর নামাজে অন্যান্য নামাজের মতো দুই রাকাত নামাজ পড়ে প্রথম বৈঠকে বসে তাশাহহুদ পড়তে হয়। তৃতীয় রাকাত পড়ার জন্য উঠে দাঁড়িয়ে সুরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য কোনো সুরা বা আয়াত পড়ার পরপর তাকবির বলে দুহাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে তাকবিরে তাহরিমার মতো হাত বাঁধতে হয় এবং দোয়া কুনুত পড়তে হয়।

তারপর অন্যান্য নামাজের মতো রুকু, কাওমা, সিজদা করে শেষ বৈঠকে বসতে হয় এবং তাশাহুদ, দরুদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে বিতর নামাজ শেষ করতে হয়। দোয়া কুনুত একটি বড় দোয়া হওয়ার কারণে অল্পবয়সী বা বৃদ্ধ বয়সী অনেকে দোয়াটি মুখস্ত রাখতে পারে না। এ রকম ক্ষেত্রে দোয়া কুুনুত মুখস্ত করার চেষ্টা করতে হবে। মুখস্ত না হওয়া পর্যন্ত তৃতীয় রাকাতে সুরা-কেরাতের পর তাকবির দিয়ে দোয়া কুনুতের জায়গায় কোরআন হাদিসে বর্ণিত সহজ কোনো দোয়া পড়বে।

যেমন-
رَبّنَا آتِنَا فِي الدّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النّار.
উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা ফিদণ্ডদুনয়া হাসানাহ ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ ওয়া কিনা আজাবান-নার। 

অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যণ দান করুন, আখেরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। অথবা তিনবার বলবে, ‘আল্লাহুম্মা-গফিরলি’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন!’

নাগরিক ডেস্ক

২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩,  1:57 PM

news image

বিতর অর্থ বিজোড়। বিতর নামাজের রাকাত বিজোড় সংখ্যক বিধায় এটিকে বিতর নামাজ বলা হয়। ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত বিতর পড়া যায়।

প্রতিদিন এ সময়ের মধ্যে বিতর নামাজ পড়া ওয়াজিব। বিতর নামাজে অন্যান্য নামাজের মতো দুই রাকাত নামাজ পড়ে প্রথম বৈঠকে বসে তাশাহহুদ পড়তে হয়। তৃতীয় রাকাত পড়ার জন্য উঠে দাঁড়িয়ে সুরা ফাতিহার সঙ্গে অন্য কোনো সুরা বা আয়াত পড়ার পরপর তাকবির বলে দুহাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে তাকবিরে তাহরিমার মতো হাত বাঁধতে হয় এবং দোয়া কুনুত পড়তে হয়।

তারপর অন্যান্য নামাজের মতো রুকু, কাওমা, সিজদা করে শেষ বৈঠকে বসতে হয় এবং তাশাহুদ, দরুদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে বিতর নামাজ শেষ করতে হয়। দোয়া কুনুত একটি বড় দোয়া হওয়ার কারণে অল্পবয়সী বা বৃদ্ধ বয়সী অনেকে দোয়াটি মুখস্ত রাখতে পারে না। এ রকম ক্ষেত্রে দোয়া কুুনুত মুখস্ত করার চেষ্টা করতে হবে। মুখস্ত না হওয়া পর্যন্ত তৃতীয় রাকাতে সুরা-কেরাতের পর তাকবির দিয়ে দোয়া কুনুতের জায়গায় কোরআন হাদিসে বর্ণিত সহজ কোনো দোয়া পড়বে।

যেমন-
رَبّنَا آتِنَا فِي الدّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النّار.
উচ্চারণ: রাব্বানা আতিনা ফিদণ্ডদুনয়া হাসানাহ ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ ওয়া কিনা আজাবান-নার। 

অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যণ দান করুন, আখেরাতেও কল্যাণ দান করুন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। অথবা তিনবার বলবে, ‘আল্লাহুম্মা-গফিরলি’ অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন!’