রাজধানীর প্রবেশ মুখগুলোয় পুলিশের চেকপোস্ট, বিএনপি নেতাকর্মীদের আটকের অভিযোগ

#
news image

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোয় পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। ঢাকা মুখী যাত্রীদের থামিয়ে তল্লাশি করতে দেখা গেছে। পুলিশ বলছে, কোনো রাজনৈতিক দলের সমাবেশ ঘিরে চেকপোস্ট বসানো হয়নি। এটি তাদের নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রমের অংশ। তবে এ বিষয়ে যাত্রীদের দাবী ঢাকার সমাবেশকে ঘিরে পুলিশ এ চেকপোস্ট বসিয়ে বাড়তি তল্লাশি করার কারণেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরে মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের।

বুধবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকার সাভারের বলিয়াপুর, গাবতলী, আমিনবাজার ও কেরানীগঞ্জের বাবুবাজার ব্রিজ এলাকা ঘুরে চেকপোস্টগুলোয় পুলিশের বাড়তি তৎপরতা দেখা গেছে।

সরকারবিরোধী আন্দোলনের নতুন বার্তা দিতে ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ শুরু হতে যাচ্ছে আজ দুপুরে। সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে রাজধানীতে আসছেন দলটির সাধারণ কর্মীসহ নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে বিকাল ৩টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ‘শান্তি সমাবেশ’ করবে আওয়ামী লীগ।

তবে সমাবেশে যোগ দিতে আসা বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মীর মুঠোফোন ঘেঁটে দেখার পর তাদের আটকের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যদিও তা অস্বীকার করেছে পুলিশ।

বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ঢাকামুখী বাসগুলোয় উঠে পুলিশ যাত্রীদের ব্যাগে তল্লাশি চালাচ্ছে। তল্লাশির পর বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ওইসব জায়গায় ঢাকার যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনায়ও যাত্রীদের তল্লাশি করতে দেখা যায়।

পুলিশের বাড়তি তল্লাশির কারণে অনেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন। যাত্রীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত সময় আটকে রেখে তাদের ব্যাগে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এতে গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছে তাদের।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা, ‘আসলে এটা আমাদের নিয়মিত কাজের অংশ। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমরা চেকপোস্টে তল্লাশি করছি। আমাদের কাছে বিশেষ তথ্য রয়েছে, তাই আমরা সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করছি।’

বিএনপির নেতাকর্মীদের মুঠোফোন ঘেঁটে দেখার পর তাদের আটক করা হয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ এ প্রতিবেদককে জানান," এটা সত্য না, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।"

এস এম মনিরুল ইসলাম, সাভার

১২ জুলাই, ২০২৩,  8:06 PM

news image

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোয় পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। ঢাকা মুখী যাত্রীদের থামিয়ে তল্লাশি করতে দেখা গেছে। পুলিশ বলছে, কোনো রাজনৈতিক দলের সমাবেশ ঘিরে চেকপোস্ট বসানো হয়নি। এটি তাদের নিয়মিত তল্লাশি কার্যক্রমের অংশ। তবে এ বিষয়ে যাত্রীদের দাবী ঢাকার সমাবেশকে ঘিরে পুলিশ এ চেকপোস্ট বসিয়ে বাড়তি তল্লাশি করার কারণেই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পরে মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের।

বুধবার (১২ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ঢাকার সাভারের বলিয়াপুর, গাবতলী, আমিনবাজার ও কেরানীগঞ্জের বাবুবাজার ব্রিজ এলাকা ঘুরে চেকপোস্টগুলোয় পুলিশের বাড়তি তৎপরতা দেখা গেছে।

সরকারবিরোধী আন্দোলনের নতুন বার্তা দিতে ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ শুরু হতে যাচ্ছে আজ দুপুরে। সমাবেশে যোগ দিতে ঢাকার আশপাশের জেলা থেকে রাজধানীতে আসছেন দলটির সাধারণ কর্মীসহ নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে বিকাল ৩টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ‘শান্তি সমাবেশ’ করবে আওয়ামী লীগ।

তবে সমাবেশে যোগ দিতে আসা বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মীর মুঠোফোন ঘেঁটে দেখার পর তাদের আটকের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যদিও তা অস্বীকার করেছে পুলিশ।

বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ঢাকামুখী বাসগুলোয় উঠে পুলিশ যাত্রীদের ব্যাগে তল্লাশি চালাচ্ছে। তল্লাশির পর বাসগুলো ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ওইসব জায়গায় ঢাকার যাত্রীবাহী বাস ও লেগুনায়ও যাত্রীদের তল্লাশি করতে দেখা যায়।

পুলিশের বাড়তি তল্লাশির কারণে অনেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন। যাত্রীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত সময় আটকে রেখে তাদের ব্যাগে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এতে গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে বিলম্ব হচ্ছে তাদের।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা, ‘আসলে এটা আমাদের নিয়মিত কাজের অংশ। নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আমরা চেকপোস্টে তল্লাশি করছি। আমাদের কাছে বিশেষ তথ্য রয়েছে, তাই আমরা সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করছি।’

বিএনপির নেতাকর্মীদের মুঠোফোন ঘেঁটে দেখার পর তাদের আটক করা হয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ এ প্রতিবেদককে জানান," এটা সত্য না, এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি।"