ফরিদপুরে অচেতন করে সৌদি প্রবাসীর বাড়ীতে ডাকাতি

#
news image

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসীর বাড়ীতে দুধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। 

(২ জুলাই ) রবিবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ইউনিয়নের বড় মাধবপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী নজরুল ইসলামের বাড়ীতে এ ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে। 

এতে ওই পরিবারের শিশুসহ ৪ সদস্যকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৩ জন ও বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালে ১ জনকে ভর্তি করেছেন স্থানীয়রা।


সৌদি প্রবাসী নজরুল ইসলামের স্ত্রী নিলুফা আক্তার জানায়, ডাকাতচক্র বাড়ীর বাউন্ডারির টিনের বেড়া কেটে বাড়ীতে ঢোকেন। এরপর ডাকাতরা ঘরে প্রবেশ করে। রাতে আমার পিতা লাল চান মোল্যা, মাতা আমিরুন নেছা সহ ৩ ছেলে মেয়েকে নিয়ে ঘুমাতে যাই। আমার মাতা আমিরুন নেছার ডাক চিৎকারে সজাগ হওয়ার পর ৫ জনের একটি ডাকাতদলকে দেখতে পাই। তবে ঘটনার দিন আমরা আকস্মিতভাবে সবাই অচেতন অবস্থায় গভির ঘুমে আচ্ছন্ন হলে রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টা থেকে ১ টা দিকে মুখোশ পরিহিত ৫ জনের একটি ডাকাত দল আমার হাত পা বেধে ফেলে। এ সময় ডাকাতদল পিস্তল, ছ্যানদাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের সবাইকে জিম্মি করে। নিলুফা বলেন আমাদের জিম্মিরত অবস্থায় ডাকাতদল গরু বিক্রির ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বের করতে বললে, আমরা কোন গরু বিক্রি করিনি মর্মে জানালেও তারা বিশ্বাস করে না। পরে তারা ঘরে তল্লাশী করে আলমারীর তালা ভেঙ্গে ২০ ভরি স্বর্ণ অলংকার সহ ৩ টি স্মার্ট ফোন নিয়ে যায়।

কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম. এ জলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি ও ডাকাত চক্রকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।

নিরঞ্জন মিত্র (নিরু) (ফরিদপুর)

০৩ জুলাই, ২০২৩,  11:01 PM

news image

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসীর বাড়ীতে দুধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। 

(২ জুলাই ) রবিবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে ইউনিয়নের বড় মাধবপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী নজরুল ইসলামের বাড়ীতে এ ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে। 

এতে ওই পরিবারের শিশুসহ ৪ সদস্যকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৩ জন ও বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালে ১ জনকে ভর্তি করেছেন স্থানীয়রা।


সৌদি প্রবাসী নজরুল ইসলামের স্ত্রী নিলুফা আক্তার জানায়, ডাকাতচক্র বাড়ীর বাউন্ডারির টিনের বেড়া কেটে বাড়ীতে ঢোকেন। এরপর ডাকাতরা ঘরে প্রবেশ করে। রাতে আমার পিতা লাল চান মোল্যা, মাতা আমিরুন নেছা সহ ৩ ছেলে মেয়েকে নিয়ে ঘুমাতে যাই। আমার মাতা আমিরুন নেছার ডাক চিৎকারে সজাগ হওয়ার পর ৫ জনের একটি ডাকাতদলকে দেখতে পাই। তবে ঘটনার দিন আমরা আকস্মিতভাবে সবাই অচেতন অবস্থায় গভির ঘুমে আচ্ছন্ন হলে রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টা থেকে ১ টা দিকে মুখোশ পরিহিত ৫ জনের একটি ডাকাত দল আমার হাত পা বেধে ফেলে। এ সময় ডাকাতদল পিস্তল, ছ্যানদাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের সবাইকে জিম্মি করে। নিলুফা বলেন আমাদের জিম্মিরত অবস্থায় ডাকাতদল গরু বিক্রির ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বের করতে বললে, আমরা কোন গরু বিক্রি করিনি মর্মে জানালেও তারা বিশ্বাস করে না। পরে তারা ঘরে তল্লাশী করে আলমারীর তালা ভেঙ্গে ২০ ভরি স্বর্ণ অলংকার সহ ৩ টি স্মার্ট ফোন নিয়ে যায়।

কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম. এ জলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি ও ডাকাত চক্রকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।