শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

ঘুসি মেরে দাঁত ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যান ও বোনের বিরুদ্ধে

#
news image

আশুলিয়ার ইয়ারপুরে বাড়ির গৃহকর্মীকে চাল পড়া খাইয়ে চোর সাব্যস্ত করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বোন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার নাজিরা বেগম (৩৫) ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়ার বোন ইতির বাসায় কাজ করতেন। পরে ওই গৃহকর্মীর স্বামী বোরহান উদ্দিন(৫১)-কে ডেকে নিয়ে চোখ বেঁধে ব্যাপক মারধর করে এলাকা ছাড়া করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

জানাযায়, গত ২০ জুন মঙ্গলবার ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়ার বোন ইতির বাসার গৃহকর্মী নাজিরা বেগমকে স্বর্ণের চেইন চুরির অভিযোগ এনে চাল পরা খাইয়ে চোর সাব্যস্ত করে। এসময় ওই গৃহকর্মী চুরির বিষয়ে অস্বীকার করলে ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে তার স্বামী বোরহান উদ্দিনকে ডেকে এনে দুজনকে আরেক দফায় চোখ বেধে নির্যাতন করা হয়। পরে ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়া ঘটনাস্থলে এসে ওই গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে একটি রুমে কিছুক্ষণ আটকে রেখে চুরি বিষয়টি স্বীকার করতে বলেন। এসময় তারা পুনরায় চুরির বিষয় অস্বীকার করলে ওই গৃহকর্মীর স্বামীকে চোখ বেধে বাড়ির ছাদে নিয়ে আবারও নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের পর ভুক্তভোগী ওই পরিবারকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন সুমন আহমেদ ভুইয়া ও তার বোন ইতি। 

ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা আশুলিয়া থানায় গেলে অভিযোগ না নিয়ে ডিউটি অফিসার এসআই নুর খানের সাথে তদন্তের জন্য যোগাযোগ করতে বলেন। 
এ বিষয়ে এসআই নুর খান বলেন, আমি ওই সময় জামগড়া এলাকায় ডিউটিতে ছিলাম। আমকে ওই ভুক্তভোগী ফোন দিলে তাকে দেখা করতে বলি। পরে আর তারা আমার সাথে দেখা করে নাই।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী বোরহান উদ্দিন বলেন,  আমাদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশের কাছে যাওয়ার জন্য ২৪ জুন (শনিবার) রাতে আমাকে ডেকে নিয়ে প্রথমে চোখ বেঁধে মুখে জোরে একটা ঘুসি মারে আর আমার সামনের দুটি দাঁত ভেঙ্গে যায়। আবারও বেধড়ক মারপিট করে জখম করে ইউপি চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়া ও তার বোন এবং তাদের লোকজন। পরে আমরা যে বাড়িতে ভাড়া থাকি ওই বাসার মালিককে ডেকে এনে আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়। এতে বাড়িওয়ালা আমাদেরকে চলে যেতে বলে। আমি অসুস্থ অবস্থায় সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছি। ডাক্তাররা আমাকে ঢাকায় যেয়ে চিকিৎসা নিতে বলে। আমার কাছে কোনো টাকা-পয়সা নাই স্যার আমি এখন কি করবো বলে কান্নাকাটি করতে থাকে। আমি আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি। আমার এক ছেলে মাদরাসায় হাফিজিয়া পড়ে এবং মেয়ে পোষাক কারখানায় চাকরি করে। আমার বউ চুরি করে নি স্যার। আমি তাদেরকে গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি গরিব মানুষ হয়ে অভিযুক্তদের কিছুই করতে পারবে না বলে এই প্রতিবেদককে জানান। 

ভুক্তভোগী নারী নাজিরা বেগম বলেন, আমাকে চুরির অপবাদ দিয়ে চাল পড়া খাওয়ানো হয়।তাদের পীড়াপিড়িতে আমি ভয়ে চাল ঠিকমতো গিলতে পারিনি।এজন্য তারা আমাকে চোর বানায় এবং আমাকে খুব মারধর করে। পরবর্তীতে তারা আমার স্বামীকে খবর দেয়।আমার স্বামী সেখানে গেলে আমার স্বামীকেও নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে আমার স্বামীর চোখ বেঁধে ফেলে, তারপর আমাকে চেয়ারম্যান সুমন ভূঁইয়ার বোন(রুবেল ভাই)'র স্ত্রী ইতি ম্যাডাম আমার মুখে কিল-ঘুসি, খুব জোরে থাপ্পর মারতে থাকে এবং লাঠি দিয়ে আমাকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। আমি চিল্লাপাল্লা করেও কোন দয়া ভিক্ষা পায়নি তাদের কাছ থেকে। পরবর্তীতে আমার স্বামীকে চোখ বেঁধে ছাদের উপরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। তারপর আমার স্বামীকে তারা বলে তুই তোর বউকে শাসন করতে পারিস না ? ঐদিন চেয়ারম্যান সুমন  আমাদেরকে বলে তোদেরকে কিছুটা সময় দিলাম, এই সময়ের মধ্যে তোরা দুইজন যুক্তি পরামর্শ করে চেইন বের কর। নইলে তোদের খবর আছে। তারপর একটা পর্যায় তারা আমাদেরকে রাতে ছেড়ে দেয় এবং বলে এলাকা থেকে তোরা চলে যাবি।তোদেরকে যেন আর না দেখি। আমি যে বাসায় ভাড়া থাকি সে বাসার মালিককে চেয়ারম্যান আমাদেরকে বের করে দিতে বলে। তা না হলে তার বাসায় তালা ঝুলবে। পরের দিন আমার স্বামীকে চেয়ারম্যান আবার ডেকে পাঠায়। আমার স্বামী সেখানে গেলে এক ঘুসি মেরে আমার স্বামীর দুটো দাঁত ফেলে দেয় এবং আমার স্বামীকে মারধর করে। আমার স্বামীকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করতে থাকে। একটা পর্যায়ে আমার স্বামী বাসায় চলে আসে।

চুরির অভিযোগে গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়ার বোন জামাতা রুবেল আহম্মেদ বলেন, মারধরের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। যে মহিলা চুরি করেছে তার স্বামীকে ২/৩টা বারি দেওয়া হইছে। পরে চুরির বিষয়ে স্বীকার করে না। কি আর করা পুলিশে দিতে চাইছিলাম ভাইয়ে না করছে বলেও জানান তিনি।   

চাল পড়া খাইয়ে চোর শনাক্ত করার বিষয় জানতে আইনজীবী প্রদীপ মজুমদার এ প্রতিবেদককে বলেন, চাল পড়া খাইয়ে চোর শনাক্ত বিজ্ঞানসম্মত না বরং এটা আইন বিরোধী। এভাবে চোর শনাক্ত করে নির্যাতন করা বা অঙ্গহানী করা দন্ডবিধি ৩২৬ ধারা ধপরাধ।

ভুক্তভোগী নাজিরা বেগম (৩৫) ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়ার বোন ইতির বাসায় ৪ বছর ধরে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছেন। সে মাইজবাগ পাচপাড়া, ইশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহের আব্দুর সাত্তারের মেয়ে, তার স্বামী-বোরহান উদ্দিন (৫১) ডেকোরেটরে কাজ করতেন আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় ভাড়া থেকে।

এস এম মনিরুল ইসলাম, সাভার

২৭ জুন, ২০২৩,  5:00 PM

news image

আশুলিয়ার ইয়ারপুরে বাড়ির গৃহকর্মীকে চাল পড়া খাইয়ে চোর সাব্যস্ত করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বোন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের শিকার নাজিরা বেগম (৩৫) ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়ার বোন ইতির বাসায় কাজ করতেন। পরে ওই গৃহকর্মীর স্বামী বোরহান উদ্দিন(৫১)-কে ডেকে নিয়ে চোখ বেঁধে ব্যাপক মারধর করে এলাকা ছাড়া করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

জানাযায়, গত ২০ জুন মঙ্গলবার ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়ার বোন ইতির বাসার গৃহকর্মী নাজিরা বেগমকে স্বর্ণের চেইন চুরির অভিযোগ এনে চাল পরা খাইয়ে চোর সাব্যস্ত করে। এসময় ওই গৃহকর্মী চুরির বিষয়ে অস্বীকার করলে ব্যাপক মারধর করা হয়। পরে তার স্বামী বোরহান উদ্দিনকে ডেকে এনে দুজনকে আরেক দফায় চোখ বেধে নির্যাতন করা হয়। পরে ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়া ঘটনাস্থলে এসে ওই গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে একটি রুমে কিছুক্ষণ আটকে রেখে চুরি বিষয়টি স্বীকার করতে বলেন। এসময় তারা পুনরায় চুরির বিষয় অস্বীকার করলে ওই গৃহকর্মীর স্বামীকে চোখ বেধে বাড়ির ছাদে নিয়ে আবারও নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের পর ভুক্তভোগী ওই পরিবারকে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বলেন সুমন আহমেদ ভুইয়া ও তার বোন ইতি। 

ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা আশুলিয়া থানায় গেলে অভিযোগ না নিয়ে ডিউটি অফিসার এসআই নুর খানের সাথে তদন্তের জন্য যোগাযোগ করতে বলেন। 
এ বিষয়ে এসআই নুর খান বলেন, আমি ওই সময় জামগড়া এলাকায় ডিউটিতে ছিলাম। আমকে ওই ভুক্তভোগী ফোন দিলে তাকে দেখা করতে বলি। পরে আর তারা আমার সাথে দেখা করে নাই।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী বোরহান উদ্দিন বলেন,  আমাদের উপর নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশের কাছে যাওয়ার জন্য ২৪ জুন (শনিবার) রাতে আমাকে ডেকে নিয়ে প্রথমে চোখ বেঁধে মুখে জোরে একটা ঘুসি মারে আর আমার সামনের দুটি দাঁত ভেঙ্গে যায়। আবারও বেধড়ক মারপিট করে জখম করে ইউপি চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়া ও তার বোন এবং তাদের লোকজন। পরে আমরা যে বাড়িতে ভাড়া থাকি ওই বাসার মালিককে ডেকে এনে আমাদের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেয়। এতে বাড়িওয়ালা আমাদেরকে চলে যেতে বলে। আমি অসুস্থ অবস্থায় সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছি। ডাক্তাররা আমাকে ঢাকায় যেয়ে চিকিৎসা নিতে বলে। আমার কাছে কোনো টাকা-পয়সা নাই স্যার আমি এখন কি করবো বলে কান্নাকাটি করতে থাকে। আমি আল্লাহর কাছে বিচার দিয়েছি। আমার এক ছেলে মাদরাসায় হাফিজিয়া পড়ে এবং মেয়ে পোষাক কারখানায় চাকরি করে। আমার বউ চুরি করে নি স্যার। আমি তাদেরকে গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি গরিব মানুষ হয়ে অভিযুক্তদের কিছুই করতে পারবে না বলে এই প্রতিবেদককে জানান। 

ভুক্তভোগী নারী নাজিরা বেগম বলেন, আমাকে চুরির অপবাদ দিয়ে চাল পড়া খাওয়ানো হয়।তাদের পীড়াপিড়িতে আমি ভয়ে চাল ঠিকমতো গিলতে পারিনি।এজন্য তারা আমাকে চোর বানায় এবং আমাকে খুব মারধর করে। পরবর্তীতে তারা আমার স্বামীকে খবর দেয়।আমার স্বামী সেখানে গেলে আমার স্বামীকেও নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে আমার স্বামীর চোখ বেঁধে ফেলে, তারপর আমাকে চেয়ারম্যান সুমন ভূঁইয়ার বোন(রুবেল ভাই)'র স্ত্রী ইতি ম্যাডাম আমার মুখে কিল-ঘুসি, খুব জোরে থাপ্পর মারতে থাকে এবং লাঠি দিয়ে আমাকে বেধড়ক পেটাতে থাকে। আমি চিল্লাপাল্লা করেও কোন দয়া ভিক্ষা পায়নি তাদের কাছ থেকে। পরবর্তীতে আমার স্বামীকে চোখ বেঁধে ছাদের উপরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। তারপর আমার স্বামীকে তারা বলে তুই তোর বউকে শাসন করতে পারিস না ? ঐদিন চেয়ারম্যান সুমন  আমাদেরকে বলে তোদেরকে কিছুটা সময় দিলাম, এই সময়ের মধ্যে তোরা দুইজন যুক্তি পরামর্শ করে চেইন বের কর। নইলে তোদের খবর আছে। তারপর একটা পর্যায় তারা আমাদেরকে রাতে ছেড়ে দেয় এবং বলে এলাকা থেকে তোরা চলে যাবি।তোদেরকে যেন আর না দেখি। আমি যে বাসায় ভাড়া থাকি সে বাসার মালিককে চেয়ারম্যান আমাদেরকে বের করে দিতে বলে। তা না হলে তার বাসায় তালা ঝুলবে। পরের দিন আমার স্বামীকে চেয়ারম্যান আবার ডেকে পাঠায়। আমার স্বামী সেখানে গেলে এক ঘুসি মেরে আমার স্বামীর দুটো দাঁত ফেলে দেয় এবং আমার স্বামীকে মারধর করে। আমার স্বামীকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করতে থাকে। একটা পর্যায়ে আমার স্বামী বাসায় চলে আসে।

চুরির অভিযোগে গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়ার বোন জামাতা রুবেল আহম্মেদ বলেন, মারধরের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। যে মহিলা চুরি করেছে তার স্বামীকে ২/৩টা বারি দেওয়া হইছে। পরে চুরির বিষয়ে স্বীকার করে না। কি আর করা পুলিশে দিতে চাইছিলাম ভাইয়ে না করছে বলেও জানান তিনি।   

চাল পড়া খাইয়ে চোর শনাক্ত করার বিষয় জানতে আইনজীবী প্রদীপ মজুমদার এ প্রতিবেদককে বলেন, চাল পড়া খাইয়ে চোর শনাক্ত বিজ্ঞানসম্মত না বরং এটা আইন বিরোধী। এভাবে চোর শনাক্ত করে নির্যাতন করা বা অঙ্গহানী করা দন্ডবিধি ৩২৬ ধারা ধপরাধ।

ভুক্তভোগী নাজিরা বেগম (৩৫) ইয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সুমন আহমেদ ভুইয়ার বোন ইতির বাসায় ৪ বছর ধরে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছেন। সে মাইজবাগ পাচপাড়া, ইশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহের আব্দুর সাত্তারের মেয়ে, তার স্বামী-বোরহান উদ্দিন (৫১) ডেকোরেটরে কাজ করতেন আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় ভাড়া থেকে।