যমুনায় ভেসে যাওয়া ৭ শ্রমিককে উদ্ধার, প্রশংসায় ভাসছেন ওসি

#
news image

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার প্রচণ্ড ঘূর্ণাবর্তে শ্রমিকবোঝাই একটি ছোট্ট নৌকা যমুনা নদীর নাটুয়ারপাড়া ঘাট এলাকায় তলিয়ে যায়। এতে করে ওই নৌকায় থাকা সাতজন শ্রমিক ঢেউয়ের তোড়ে পানিতে ডুবে যান। এই ঘটনা আরেকটি নৌকা থেকে দেখতে পান  কাজিপুর উপজেলা যুবলীগ নেতা পরান সরকার। তিনি তৎক্ষণাৎ ওই ঘাটে অবস্থান নেওয়া কাজিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল কুমার দত্তকে জানান।

বিলম্ব না করে দ্রুত ওসি একটি স্পিডবোট ও একটি দ্রুতগামী নৌকা নিয়ে ডুবে যাওয়া স্থানের দিকে যান। ১০ মিনিটের মধ্যে পানিতে ভাসমান শ্রমিকদের উদ্ধার করে তিনি তীরে নিয়ে আসেন। এসময় ওই শ্রমিকদের মধ্যে তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়লে ওসি  তাদেরও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জুন)  বিকেলের ওই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াতেই প্রশংসায় ভাসতে থাকেন ওসি

ওই শ্রমিকদের উদ্ধার করে তীরে এলে একজন ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। মুহূর্তে সাধারণ মানুষ ওসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্ট দিতে থাকেন। 

উদ্ধার হওয়া শ্রমিক জালাল মিয়া জানান, আমাদের বহনকারী ছোট্ট নৌকাটি প্রচণ্ড বাতাস আর ঢেউয়ে উল্টে যায়। এতে করে আমরা যমুনায় সাঁতরাতে থাকি।

এক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ি। তখনই আমার কাছে একটি নৌকা আসে। আমাকে তারা হাত ধরে নৌকায় ওঠায়। ফলে প্রাণ বেঁচে যাই। ওসি স্যার এই ব্যবস্থা না নিলে হয়তো মরেই যেতাম।তাকে ধন্যবাদ জানাই। 

আরেক শ্রমিক জহুরুল মিয়া জানান, ঢেউয়ে আমাদের নৌকাটি ওপরে উঠে, আবার নিচে আছড়ে পড়ে, পানিতে তলিয়ে যায়। এরপর কিভাবে পানিতে ভাসতে থাকি মনে নেই। পরে দেখি একটি স্পিডবোট। তারা আমাকে টেনে ওঠায়। ওসি স্যার নিজে উদ্ধার কাজে অংশ নেন। আজকে তার জন্যে আল্লাহর রহমতে বাইচা গেলাম, বলেন তিনি। ওসি স্যাররে ধন্যবাদ জানাই। 

কাজিপুর উপজেলা যুবলীগের নেতা পরান সরকার জানান, এই ঘটনায় আমি ওসিকে ফোন করি। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেন। এতে করে ডুবে যাওয়া সবাই রক্ষা পান। 

কাজিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল কুমার দত্ত জানান, আমি নাটুয়ারপাড়ায় ছিলাম। এসময় হঠাৎ ফোন পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিই। এতে করে ডুবে যাওয়া শ্রমিকদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

মোঃ সৌরভ হোসাইন (সবুজ), সিরাজগঞ্জ

১৭ জুন, ২০২৩,  4:28 PM

news image

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার প্রচণ্ড ঘূর্ণাবর্তে শ্রমিকবোঝাই একটি ছোট্ট নৌকা যমুনা নদীর নাটুয়ারপাড়া ঘাট এলাকায় তলিয়ে যায়। এতে করে ওই নৌকায় থাকা সাতজন শ্রমিক ঢেউয়ের তোড়ে পানিতে ডুবে যান। এই ঘটনা আরেকটি নৌকা থেকে দেখতে পান  কাজিপুর উপজেলা যুবলীগ নেতা পরান সরকার। তিনি তৎক্ষণাৎ ওই ঘাটে অবস্থান নেওয়া কাজিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল কুমার দত্তকে জানান।

বিলম্ব না করে দ্রুত ওসি একটি স্পিডবোট ও একটি দ্রুতগামী নৌকা নিয়ে ডুবে যাওয়া স্থানের দিকে যান। ১০ মিনিটের মধ্যে পানিতে ভাসমান শ্রমিকদের উদ্ধার করে তিনি তীরে নিয়ে আসেন। এসময় ওই শ্রমিকদের মধ্যে তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়লে ওসি  তাদেরও প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বৃহস্পতিবার (১৫ জুন)  বিকেলের ওই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াতেই প্রশংসায় ভাসতে থাকেন ওসি

ওই শ্রমিকদের উদ্ধার করে তীরে এলে একজন ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। মুহূর্তে সাধারণ মানুষ ওসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে পোস্ট দিতে থাকেন। 

উদ্ধার হওয়া শ্রমিক জালাল মিয়া জানান, আমাদের বহনকারী ছোট্ট নৌকাটি প্রচণ্ড বাতাস আর ঢেউয়ে উল্টে যায়। এতে করে আমরা যমুনায় সাঁতরাতে থাকি।

এক সময় ক্লান্ত হয়ে পড়ি। তখনই আমার কাছে একটি নৌকা আসে। আমাকে তারা হাত ধরে নৌকায় ওঠায়। ফলে প্রাণ বেঁচে যাই। ওসি স্যার এই ব্যবস্থা না নিলে হয়তো মরেই যেতাম।তাকে ধন্যবাদ জানাই। 

আরেক শ্রমিক জহুরুল মিয়া জানান, ঢেউয়ে আমাদের নৌকাটি ওপরে উঠে, আবার নিচে আছড়ে পড়ে, পানিতে তলিয়ে যায়। এরপর কিভাবে পানিতে ভাসতে থাকি মনে নেই। পরে দেখি একটি স্পিডবোট। তারা আমাকে টেনে ওঠায়। ওসি স্যার নিজে উদ্ধার কাজে অংশ নেন। আজকে তার জন্যে আল্লাহর রহমতে বাইচা গেলাম, বলেন তিনি। ওসি স্যাররে ধন্যবাদ জানাই। 

কাজিপুর উপজেলা যুবলীগের নেতা পরান সরকার জানান, এই ঘটনায় আমি ওসিকে ফোন করি। তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেন। এতে করে ডুবে যাওয়া সবাই রক্ষা পান। 

কাজিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শ্যামল কুমার দত্ত জানান, আমি নাটুয়ারপাড়ায় ছিলাম। এসময় হঠাৎ ফোন পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিই। এতে করে ডুবে যাওয়া শ্রমিকদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।