৯ বছরেও ইজারা ডাক হচ্ছে না বাশহাটি বাজারের

#
news image

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৪নং চন্ডিপাশা ইউনিয়নের অন্যতম বাশহাটি বাজারটি গত ৯ বছর ধরে ইজারা ডাক হচ্ছে না। ফলে সরকারের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা গচ্ছা গেছে।

২০১৫ সনে সরকারিভাবে ডাক হওয়া বাজারটি স্থানীয় বাসিন্দা (বাদী) হুমায়ূন গং কর্তৃক ব্যক্তিমালিকানা দাবী করে অনৈতিকভাবে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করায়। কিন্তুু পরবর্তীতে ২৩শে ফেব্রুয়ারি/২১ইং সনে মামলাটি খারিজ হলেও্ কোর্টে যোগাযোগ না করায় বিষয়টি জানেনা উপজেলা প্রশাসন। কর্তৃপক্ষের এমন গাফিলতিতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব খোয়া যাচ্ছে। এদিকে বাদী হুমায়ূন গংরা প্রতি বছরেই নিজেরা বাজার থেকে খাজনা কালেকশন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। জানাগেছে, ২০১৫ সনের ১৪২১ বঙ্গাব্দে বাশহাটি বাজারটি সরকারিভাবে ডাক হয়। কিন্তু বাদী হুমায়ূন গংরা বাজারের ডাক স্থগিতের জন্য ৩২/২০১৫ নান্দাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করেন এবং তা জারী করা হয়। ফলে বাদী গংরা নিজেরা বাজার থেকে খাজনা কালেকশন করে যাচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। পরে এ বিষয়ে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন বাজারটি খাস কালেকশন করা যায় কি না ?- এ মর্মে জেলা প্রশাসককে জানানোর পর জেলা প্রশাসক জেলার বিজ্ঞ জিপি মহোদয়কে এ বিষয়ে মতামত প্রদান করার অনুরোধ জানান।

বিজ্ঞ জিপি ১লা মার্চ ২০২০ সনে নান্দাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে এজিপি আব্দুল মালেককে জরুরী ভিত্তিতে এ বিষয়ে দ্রুত মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তুু বিজ্ঞ এজিপি আজ পর্যন্ত বিষয়ে মতামত দেননি। এলাকাবাসাীর ধারনা এজিপি সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বাদী গংদের যোগসাজসে অনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাটি প্রায় ৬ বৎসর যাবত বহাল ছিল। একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মো. এরফানুর রহমান সহকারী কমিশনার সরজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন মর্মে জেলা প্রশাসক বরাবর দাখিলকৃত প্রতিবেদনে ৫৬ লাখ ১২ হাজার টাকা সরকারের রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে মর্মে প্রতিয়মান হয়েছে। এতে গত ৯ বৎসের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা রাজস্ব হারায় সরকার। উক্ত বাদী গংদের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করে সাকুল্য টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত নেওয়ার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন সাধারন জনগণ।  

এ বিষয়ে মামলার বাদী হুমায়ূন গংরা বাজারের খাজনা কালেকশনের কথা স্বীকার করে বলেন, “কালেকশনের টাকা এখন উপজেলা পরিষদ নিয়ে যাচ্ছে। তবে কোন ইজারা ডাক নেই।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল মনসুর বলেন, “ না, আমরা কোন খাস কালেকশন নিচ্ছি না। এ বিষয়ে কোর্টের যোগাযোগ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ”।

মোঃ শাহজাহান ফকির, নান্দাইল

১৩ জুন, ২০২৩,  3:18 PM

news image

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার ৪নং চন্ডিপাশা ইউনিয়নের অন্যতম বাশহাটি বাজারটি গত ৯ বছর ধরে ইজারা ডাক হচ্ছে না। ফলে সরকারের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা গচ্ছা গেছে।

২০১৫ সনে সরকারিভাবে ডাক হওয়া বাজারটি স্থানীয় বাসিন্দা (বাদী) হুমায়ূন গং কর্তৃক ব্যক্তিমালিকানা দাবী করে অনৈতিকভাবে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করায়। কিন্তুু পরবর্তীতে ২৩শে ফেব্রুয়ারি/২১ইং সনে মামলাটি খারিজ হলেও্ কোর্টে যোগাযোগ না করায় বিষয়টি জানেনা উপজেলা প্রশাসন। কর্তৃপক্ষের এমন গাফিলতিতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব খোয়া যাচ্ছে। এদিকে বাদী হুমায়ূন গংরা প্রতি বছরেই নিজেরা বাজার থেকে খাজনা কালেকশন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। জানাগেছে, ২০১৫ সনের ১৪২১ বঙ্গাব্দে বাশহাটি বাজারটি সরকারিভাবে ডাক হয়। কিন্তু বাদী হুমায়ূন গংরা বাজারের ডাক স্থগিতের জন্য ৩২/২০১৫ নান্দাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করেন এবং তা জারী করা হয়। ফলে বাদী গংরা নিজেরা বাজার থেকে খাজনা কালেকশন করে যাচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। পরে এ বিষয়ে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন বাজারটি খাস কালেকশন করা যায় কি না ?- এ মর্মে জেলা প্রশাসককে জানানোর পর জেলা প্রশাসক জেলার বিজ্ঞ জিপি মহোদয়কে এ বিষয়ে মতামত প্রদান করার অনুরোধ জানান।

বিজ্ঞ জিপি ১লা মার্চ ২০২০ সনে নান্দাইল সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে এজিপি আব্দুল মালেককে জরুরী ভিত্তিতে এ বিষয়ে দ্রুত মতামত দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তুু বিজ্ঞ এজিপি আজ পর্যন্ত বিষয়ে মতামত দেননি। এলাকাবাসাীর ধারনা এজিপি সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বাদী গংদের যোগসাজসে অনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞাটি প্রায় ৬ বৎসর যাবত বহাল ছিল। একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মো. এরফানুর রহমান সহকারী কমিশনার সরজমিনে তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন মর্মে জেলা প্রশাসক বরাবর দাখিলকৃত প্রতিবেদনে ৫৬ লাখ ১২ হাজার টাকা সরকারের রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে মর্মে প্রতিয়মান হয়েছে। এতে গত ৯ বৎসের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা রাজস্ব হারায় সরকার। উক্ত বাদী গংদের বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা করে সাকুল্য টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত নেওয়ার আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানিয়েছেন সাধারন জনগণ।  

এ বিষয়ে মামলার বাদী হুমায়ূন গংরা বাজারের খাজনা কালেকশনের কথা স্বীকার করে বলেন, “কালেকশনের টাকা এখন উপজেলা পরিষদ নিয়ে যাচ্ছে। তবে কোন ইজারা ডাক নেই।”

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আবুল মনসুর বলেন, “ না, আমরা কোন খাস কালেকশন নিচ্ছি না। এ বিষয়ে কোর্টের যোগাযোগ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ”।