মতলবে গৃহবধুর মৃত্যু নিয়ে রহস্য স্বামী আটক

#
news image

চাঁদপুরের মতলবে এক গৃহবধুর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সন্দেহে স্বামীকে আটক করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হানিরপার গ্রামে। এ বিষয়ে নিহতের পিতা নজরুল ইসলাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম হানিরপার গ্রামে নজরুল ইসলামের ছেলে হ্রদয় (২২) এর সাথে উত্তর দশানী গ্রামের দ্বীন ইসলামের মেয়ে অনামিকা আক্তার মিম আক্তার (১৯) এর সাথে প্রেমছিল। ৮ মাস আগে তারা পালিয়ে গিয়ে  বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্ত জীবনে অশান্তি ছিল। শুক্রবার রাত ১২ টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরধরে মিম ঘরের আরায় সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যু রহস্যজনক হওয়ায় পুলিশ তাকে আটক করে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করেছে।

এ বিষয়ে নিহতের পিতা দ্বীন ইসলা বলেন,,আমার মেয়ে ৫ মাসের অন্তস্বত্ত্বা ছিল।বিয়ের পর থেকেই মিমের স্বামী শশুর বাড়ির লোকজন যৌতুকের দাবিতে মারপিট ও নির্যাতন করত। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে অনেক সহ্য করেছি। আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে মেরে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে। নিরপেক্ষ তদন্তসহ  দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

নিহত মিমের স্বামী রিদয় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মিম কেন আত্মহত্যা করেছে তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

এ ব্যাপারে মতলব উত্তর থানার ইনচার্জ মো. মহিউদ্দিন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে এটি পরিকল্পিত হত্যা না আত্মহত্যা।

শহিদুল ইসলাম খোকন, মতলব উত্তর (চাঁদপুর)

১০ জুন, ২০২৩,  3:58 PM

news image

চাঁদপুরের মতলবে এক গৃহবধুর মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ নিয়ে সন্দেহে স্বামীকে আটক করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হানিরপার গ্রামে। এ বিষয়ে নিহতের পিতা নজরুল ইসলাম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম হানিরপার গ্রামে নজরুল ইসলামের ছেলে হ্রদয় (২২) এর সাথে উত্তর দশানী গ্রামের দ্বীন ইসলামের মেয়ে অনামিকা আক্তার মিম আক্তার (১৯) এর সাথে প্রেমছিল। ৮ মাস আগে তারা পালিয়ে গিয়ে  বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্ত জীবনে অশান্তি ছিল। শুক্রবার রাত ১২ টার দিকে পারিবারিক কলহের জেরধরে মিম ঘরের আরায় সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যু রহস্যজনক হওয়ায় পুলিশ তাকে আটক করে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করেছে।

এ বিষয়ে নিহতের পিতা দ্বীন ইসলা বলেন,,আমার মেয়ে ৫ মাসের অন্তস্বত্ত্বা ছিল।বিয়ের পর থেকেই মিমের স্বামী শশুর বাড়ির লোকজন যৌতুকের দাবিতে মারপিট ও নির্যাতন করত। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে অনেক সহ্য করেছি। আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে মেরে গলায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে। নিরপেক্ষ তদন্তসহ  দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

নিহত মিমের স্বামী রিদয় অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মিম কেন আত্মহত্যা করেছে তা তিনি বুঝতে পারছেন না।

এ ব্যাপারে মতলব উত্তর থানার ইনচার্জ মো. মহিউদ্দিন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে এটি পরিকল্পিত হত্যা না আত্মহত্যা।