সাভারে অটোরিকশা আটক করায় পুলিশের ওপর অটোচালকদের হামলা

#
news image

সাভারে শাখা সড়ক থেকে অটোরিকশা আটক করে নিয়ে আসার সময় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে বিক্ষুব্ধ অটোচালকরা। এ সময় তারা এক পুলিশ সদস্যকে গণপিটুনি দিয়ে আটক করা অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া এক অটোরিকশা চালককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

বৃহস্পতিবার (৮জুন) সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রাজাবাড়ি চৌধুরী মার্কেট এলাকায় এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

অটোচালকদের হামলায় আহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. সোহেল রানা (২৭)। জানা যায় আহত ওই পুলিশ সদস্য সাভার হাইওয়ে থানায় পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে পুলিশের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া আটক করা অটোরিকশা চালকের নাম মো. রফিকুল ইসলাম (২৩)। 
প্রত্যক্ষদর্শীরা ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাভার হাইওয়ে থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা গেণ্ডা বাজারে মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী
শাখা সড়ক থেকে একটি অটোরিকশা আটক করেন। এ সময় বিষয়টি নিয়ে অন্য অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে কনস্টেবল সোহেল রানা আটক করা অটোরিকশাটি থানায় নিয়ে আসার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ অটোচালকরা জোটবেধে তার ওপর হামলা চালায়। এমনকি ওই পুলিশ সদস্যকে কিল ঘুসি মেরে রক্তাক্ত করে। ঘটনাটির একটি ভিডিওচিত্রে আহত ওই পুলিশকে বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজসহ কিল-ঘুষি মারতে দেখা যায়। সরকারি পোশাক পরিহিত ওই পুলিশ সদস্যকে টেনেহিঁচড়ে নেওয়ার কারণে পিছনের পোশাকটির বেশ কয়েকজায়গায় ছিঁড়েও যায়। 

হাইওয়ে পুলিশের র‍্যাকার ইনচার্জ মো. মাজেদুল এ প্রতিবেদককে বলেন, এটা ওই অটোচালকদের একটা পরিকল্পনা ছিলো। ওদের পূর্ব পরিকল্পনা ছিলো পুলিশের ওপর হামলা চালালে ওরা আর অটোরিকশা ধরতে আসবে না, এমন ধারনা থেকেই নাকি ওরা এই হামলার ঘটনা ঘটায়। এ বিষয়টি স্বীকার করেছে আটক হওয়া ওই হামলাকারী বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

তবে এ বিষয়ে সাভার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুল হক বলেন, পুলিশ সদস্যর ওপর হামলার ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।

হামলার এ ঘটনার বিষয় জানতে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, প্রতিদিনের মত ওইদিনও হাইওয়ে পুলিশ র‍্যাকারিং করছিল। মহাসড়কে থ্রি-হুইলার গাড়ি চলা সম্পূর্ণ নিষেধ। হাইওয়ে রোডে উঠলেই ডাম্পিং অথবা জরিমানা করা হয়। এ ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলার বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এস এম মনিরুল ইসলাম, সাভার 

১০ জুন, ২০২৩,  3:46 PM

news image

সাভারে শাখা সড়ক থেকে অটোরিকশা আটক করে নিয়ে আসার সময় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে বিক্ষুব্ধ অটোচালকরা। এ সময় তারা এক পুলিশ সদস্যকে গণপিটুনি দিয়ে আটক করা অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া এক অটোরিকশা চালককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

বৃহস্পতিবার (৮জুন) সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রাজাবাড়ি চৌধুরী মার্কেট এলাকায় এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে।

অটোচালকদের হামলায় আহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. সোহেল রানা (২৭)। জানা যায় আহত ওই পুলিশ সদস্য সাভার হাইওয়ে থানায় পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে পুলিশের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া আটক করা অটোরিকশা চালকের নাম মো. রফিকুল ইসলাম (২৩)। 
প্রত্যক্ষদর্শীরা ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাভার হাইওয়ে থানার পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা গেণ্ডা বাজারে মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী
শাখা সড়ক থেকে একটি অটোরিকশা আটক করেন। এ সময় বিষয়টি নিয়ে অন্য অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে কনস্টেবল সোহেল রানা আটক করা অটোরিকশাটি থানায় নিয়ে আসার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ অটোচালকরা জোটবেধে তার ওপর হামলা চালায়। এমনকি ওই পুলিশ সদস্যকে কিল ঘুসি মেরে রক্তাক্ত করে। ঘটনাটির একটি ভিডিওচিত্রে আহত ওই পুলিশকে বিশ্রী ভাষায় গালিগালাজসহ কিল-ঘুষি মারতে দেখা যায়। সরকারি পোশাক পরিহিত ওই পুলিশ সদস্যকে টেনেহিঁচড়ে নেওয়ার কারণে পিছনের পোশাকটির বেশ কয়েকজায়গায় ছিঁড়েও যায়। 

হাইওয়ে পুলিশের র‍্যাকার ইনচার্জ মো. মাজেদুল এ প্রতিবেদককে বলেন, এটা ওই অটোচালকদের একটা পরিকল্পনা ছিলো। ওদের পূর্ব পরিকল্পনা ছিলো পুলিশের ওপর হামলা চালালে ওরা আর অটোরিকশা ধরতে আসবে না, এমন ধারনা থেকেই নাকি ওরা এই হামলার ঘটনা ঘটায়। এ বিষয়টি স্বীকার করেছে আটক হওয়া ওই হামলাকারী বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

তবে এ বিষয়ে সাভার হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুল হক বলেন, পুলিশ সদস্যর ওপর হামলার ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে।

হামলার এ ঘটনার বিষয় জানতে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, প্রতিদিনের মত ওইদিনও হাইওয়ে পুলিশ র‍্যাকারিং করছিল। মহাসড়কে থ্রি-হুইলার গাড়ি চলা সম্পূর্ণ নিষেধ। হাইওয়ে রোডে উঠলেই ডাম্পিং অথবা জরিমানা করা হয়। এ ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের ওপর হামলার বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।