বিদ্যুত বিভ্রাটের অসহনীয় যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উঠান বৈঠক

#
news image

ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্যাট, অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদ্যুতের লাপাত্তা হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সারাদেশের মত ঝিনইদহের বিদ্যুৎগ্রাহকরাও যখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে, ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস)-র কর্মকর্তারা গ্রাহকদের কাছে ছুটে চলেছেন চলমান পরিস্থিতির ব্যাখ্যা এবং তাদের করণীয় সম্পর্কে আলোচনার জন্য। একইসাথে তারা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রাহকদের আবার শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ দেবার কথাও ব্যক্ত করে চলেছেন। এতে এ মুহুর্তে বিদ্যুৎ সংকটের পুরোপুরি সমাধান না হলেও গ্রাহকরা কিছুটা তুষ্ট হতে পারছেন, এমনটিই বলছেন ঝিনাইদহ পবিস সূত্র। 

ঝিনাইদহ পবিস সূত্র মতে, ঝিনাইদহ সদর, কালিগঞ্জ, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, শৈলকুপা ও হরিণাকুন্ডু উপজেলায় তাদের ৪ লাখ ১৩ হাজার ৪শ ১৮জন গ্রাহক রয়েছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৬শ ৫৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান গ্রাহক, ২০ হাজার ৭শ ৭১টি বাণিজ্যিক, ৫ হাজার ২শ ৭৫টি সেবামূলক বা চ্যারিটি, ৪শ ১৫টি গভির নলকূপ, ১১টি লো-লিফট পাম্প, ৮ হাজার ৫৯ টি শ্যালো টিউবয়েল এবং বাদবাকি ৩ লাখ ৭৬ হাজার ১শ ৮৭টি বাসাবাড়ি বা সাধারন গ্রাহক।  

বিদ্যুতের চলমান ঘাটতির সময় তারা পিক আওয়ারে ৯৩ মেগাওয়াট এবং অফ পিকআওয়ারে ৮৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছেন যা চাহিদার ৬০ শতাংশের মত। জেলার ৬ উপজেলায় ১৪টি সাব স্টেশনের ৮৩টি ফিডারের মাধ্যমে জেলাব্যাপি বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে না পারার কারণ গ্রাহকদের অবহিত করতে তারা নানামূখি কর্মকান্ড হাতে নিয়েছেন। গ্রাহকপর্যায়ে উঠান বৈঠক, বাজার বা গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকার মানুষের সাথে আলোচনা, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে মত বিনিময়, উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা চালানো হচ্ছে যাতে প্রতিটি মানুষ বিদ্যুতের বর্তমাণ অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন। চলতি (জুন) মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই তারা আবার স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে পারবেন বলে আলোচনা করছেন। এতে সময়মত ও প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ না পেলেও গ্রাহকদের মনের ক্ষোভ কমতে শুরু করেছে।

সম্প্রতি বিদ্যুৎ ও জ¦ালানি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব অরুন কুমার মন্ডল বিদ্যুতের এই নাজুক অবস্থার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তা ও পল্লী বিদ্যূৎ গ্রাহকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন, তাদের কয়েকটি দিনের জন্য ধৈর্য ধারণের আহবান জানিয়েছেন ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির  কর্তৃপক্ষ। 

 ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) ইমদাদুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানালেন, যেহেতু সংগত কারণেই বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে, তারা গ্রাহকদের সঠিক তথ্য দিয়ে তাদের করণীয় বিষয়ে আলোচনা করছেন। তবে চলতি জুনের শেষদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হলে তারা আবার শতভাগ বিদ্যুতের সরবরাহ পাবেন বলে তিনি মনে করনে।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

০৭ জুন, ২০২৩,  5:15 PM

news image
চলমান বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে উঠতে গ্রাহকদের সাথে মত বিনিময় করছেন ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তারা। 

ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্যাট, অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদ্যুতের লাপাত্তা হওয়াসহ বিভিন্ন কারণে সারাদেশের মত ঝিনইদহের বিদ্যুৎগ্রাহকরাও যখন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে, ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস)-র কর্মকর্তারা গ্রাহকদের কাছে ছুটে চলেছেন চলমান পরিস্থিতির ব্যাখ্যা এবং তাদের করণীয় সম্পর্কে আলোচনার জন্য। একইসাথে তারা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই গ্রাহকদের আবার শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ দেবার কথাও ব্যক্ত করে চলেছেন। এতে এ মুহুর্তে বিদ্যুৎ সংকটের পুরোপুরি সমাধান না হলেও গ্রাহকরা কিছুটা তুষ্ট হতে পারছেন, এমনটিই বলছেন ঝিনাইদহ পবিস সূত্র। 

ঝিনাইদহ পবিস সূত্র মতে, ঝিনাইদহ সদর, কালিগঞ্জ, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর, শৈলকুপা ও হরিণাকুন্ডু উপজেলায় তাদের ৪ লাখ ১৩ হাজার ৪শ ১৮জন গ্রাহক রয়েছে। এরমধ্যে ২ হাজার ৬শ ৫৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান গ্রাহক, ২০ হাজার ৭শ ৭১টি বাণিজ্যিক, ৫ হাজার ২শ ৭৫টি সেবামূলক বা চ্যারিটি, ৪শ ১৫টি গভির নলকূপ, ১১টি লো-লিফট পাম্প, ৮ হাজার ৫৯ টি শ্যালো টিউবয়েল এবং বাদবাকি ৩ লাখ ৭৬ হাজার ১শ ৮৭টি বাসাবাড়ি বা সাধারন গ্রাহক।  

বিদ্যুতের চলমান ঘাটতির সময় তারা পিক আওয়ারে ৯৩ মেগাওয়াট এবং অফ পিকআওয়ারে ৮৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছেন যা চাহিদার ৬০ শতাংশের মত। জেলার ৬ উপজেলায় ১৪টি সাব স্টেশনের ৮৩টি ফিডারের মাধ্যমে জেলাব্যাপি বিদ্যুৎ সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে না পারার কারণ গ্রাহকদের অবহিত করতে তারা নানামূখি কর্মকান্ড হাতে নিয়েছেন। গ্রাহকপর্যায়ে উঠান বৈঠক, বাজার বা গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকার মানুষের সাথে আলোচনা, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে মত বিনিময়, উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা চালানো হচ্ছে যাতে প্রতিটি মানুষ বিদ্যুতের বর্তমাণ অবস্থা সম্পর্কে জানতে পারেন। চলতি (জুন) মাসের শেষ সপ্তাহের মধ্যেই তারা আবার স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে পারবেন বলে আলোচনা করছেন। এতে সময়মত ও প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ না পেলেও গ্রাহকদের মনের ক্ষোভ কমতে শুরু করেছে।

সম্প্রতি বিদ্যুৎ ও জ¦ালানি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব অরুন কুমার মন্ডল বিদ্যুতের এই নাজুক অবস্থার বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তা ও পল্লী বিদ্যূৎ গ্রাহকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন, তাদের কয়েকটি দিনের জন্য ধৈর্য ধারণের আহবান জানিয়েছেন ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির  কর্তৃপক্ষ। 

 ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) ইমদাদুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি জানালেন, যেহেতু সংগত কারণেই বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে, তারা গ্রাহকদের সঠিক তথ্য দিয়ে তাদের করণীয় বিষয়ে আলোচনা করছেন। তবে চলতি জুনের শেষদিকে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হলে তারা আবার শতভাগ বিদ্যুতের সরবরাহ পাবেন বলে তিনি মনে করনে।