নান্দাইলে মহিলা পুলিশের অত্যাচারে স্বামীর বাড়ি ছাড়া ৩ সন্তানের জননী

#
news image

ময়মনসিংহের নান্দাইলে তহুরা আক্তার (এসআই নি:) নামে মহিলা পুলিশ সদস্যের অত্যাচারে স্বামীর বাড়ি ছাড়া প্রতিবন্ধী বাচ্ছা সহ ৩ সন্তানের জননী বিধবা আমেনা আক্তার সীমা। উক্ত পুলিশ সদস্যের নির্মম অত্যাচারে বর্তমানে বিধবা মহিলা তাঁর পিত্রালয়ে অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, বিধবা আমেনা আক্তার সীমা ২০০৪ সাল থেকে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের নান্দাইল রোড বাজার মৃত রফিকুল ইসলাম বাবুলের ২য় স্ত্রী। তাঁর দাম্পত্য জীবনে বাকপ্রতিবন্ধী সহ তিন সন্তানের জন্ম হয়।

এছাড়া আমেনা আক্তার সীমা স্বামী সহ তাঁর স্বামীর তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর পুত্র সায়েম আবিরকে নিয়েই দীর্ঘ ১৮/১৯টি বছর পার করেছেন। বর্তমানে আবির বিবিএ পড়ছে। কিন্তুু গত দুই বছর পূর্বে তাঁর স্বামী রফিকুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সুযোগে সাবেক স্ত্রী এসআই তহুরা আক্তার সায়েম আবিরকে বুঝিয়ে তাঁর কাছে নিয়ে যান এবং সম্পত্তির লোভে স্ত্রী আমেনা আক্তার সীমার উপর অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করে। এছাড়া সে পুলিশে চাকুরীর ভয় দেখিয়ে মারধর সহ জোরপূর্ব আমেনা আক্তার সীমাকে স্বামীর বাড়ি থেকে বের করে দেয়। তহুরা আক্তার একই ইউনিয়নের অরণ্যপাশা গ্রামের মৃত মোয়াজ্জেম হোসেন সরকারের কন্যা মৃত রফিকুল ইসলাম বাবুলের আপন চাচাতো বোন।

তিনি বর্তমানে পুলিশের এসআই (নি:) বিপি ৭৩৯১০৪৯২৬৯ কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানায় কর্মরত আছেন। ১৯৯২ সনে মৃত রফিকুল ইসলাম বাবুলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ৮ বৎসরের এক সন্তান (সায়েম আবির)কে রেখেই বিগত ২০০৩ সালে এসআই তহুরা আক্তার নিজেই স্ব-ইচ্ছায় তাঁর স্বামী রফিকুল ইসলামকে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক তালাকে বাইন প্রদান করে। যার তালাক বহি নং ডি, রেজি নং ১০, পৃষ্ঠা নং-২০ তারিখ ৩০/৭/২০০৩ইং।

এ বিষয়ে আমেনা আক্তার সীমা বলেন, “আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর (সাবালক) সায়েম আবিরকে তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তিমুলে প্রাপ্ত হিস্যা তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমার নামে নামজারি জমির খারিজ ভাঙ্গার জন্য অপচেষ্টা সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকী ও হয়রানি করে যাচ্ছে। আমি নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে বিচার প্রার্থী হলেও এর কোন সুরাহা পায়নি। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।”

অপরদিকে এসআই (নি:) তহুরা আক্তার বলেন, হ্যা আমি প্রথমে তালাক নোটিশ দিয়েছিলাম। পরে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছি এবং তাকে মেনে নিয়েছি। এছাড়া তিনি খারিজ ভাঙ্গার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমার স্বামীর সম্পত্তিতে আমারও অধিকার রয়েছে। আমি সেটা প্রমাণ করবো। কিন্তুু স্বামী জীবিত অবস্থায় কোথায় ছিলেন? তা জিজ্ঞাসা করিলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

মোঃ শাহজাহান ফকির, নান্দাইল

০৩ জুন, ২০২৩,  2:06 PM

news image

ময়মনসিংহের নান্দাইলে তহুরা আক্তার (এসআই নি:) নামে মহিলা পুলিশ সদস্যের অত্যাচারে স্বামীর বাড়ি ছাড়া প্রতিবন্ধী বাচ্ছা সহ ৩ সন্তানের জননী বিধবা আমেনা আক্তার সীমা। উক্ত পুলিশ সদস্যের নির্মম অত্যাচারে বর্তমানে বিধবা মহিলা তাঁর পিত্রালয়ে অবস্থান করছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশের মহা-পরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, বিধবা আমেনা আক্তার সীমা ২০০৪ সাল থেকে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের নান্দাইল রোড বাজার মৃত রফিকুল ইসলাম বাবুলের ২য় স্ত্রী। তাঁর দাম্পত্য জীবনে বাকপ্রতিবন্ধী সহ তিন সন্তানের জন্ম হয়।

এছাড়া আমেনা আক্তার সীমা স্বামী সহ তাঁর স্বামীর তালাক প্রাপ্ত স্ত্রীর পুত্র সায়েম আবিরকে নিয়েই দীর্ঘ ১৮/১৯টি বছর পার করেছেন। বর্তমানে আবির বিবিএ পড়ছে। কিন্তুু গত দুই বছর পূর্বে তাঁর স্বামী রফিকুল ইসলাম করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সুযোগে সাবেক স্ত্রী এসআই তহুরা আক্তার সায়েম আবিরকে বুঝিয়ে তাঁর কাছে নিয়ে যান এবং সম্পত্তির লোভে স্ত্রী আমেনা আক্তার সীমার উপর অত্যাচার-নির্যাতন শুরু করে। এছাড়া সে পুলিশে চাকুরীর ভয় দেখিয়ে মারধর সহ জোরপূর্ব আমেনা আক্তার সীমাকে স্বামীর বাড়ি থেকে বের করে দেয়। তহুরা আক্তার একই ইউনিয়নের অরণ্যপাশা গ্রামের মৃত মোয়াজ্জেম হোসেন সরকারের কন্যা মৃত রফিকুল ইসলাম বাবুলের আপন চাচাতো বোন।

তিনি বর্তমানে পুলিশের এসআই (নি:) বিপি ৭৩৯১০৪৯২৬৯ কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানায় কর্মরত আছেন। ১৯৯২ সনে মৃত রফিকুল ইসলাম বাবুলের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ৮ বৎসরের এক সন্তান (সায়েম আবির)কে রেখেই বিগত ২০০৩ সালে এসআই তহুরা আক্তার নিজেই স্ব-ইচ্ছায় তাঁর স্বামী রফিকুল ইসলামকে ইসলামী শরীয়ত মোতাবেক তালাকে বাইন প্রদান করে। যার তালাক বহি নং ডি, রেজি নং ১০, পৃষ্ঠা নং-২০ তারিখ ৩০/৭/২০০৩ইং।

এ বিষয়ে আমেনা আক্তার সীমা বলেন, “আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর (সাবালক) সায়েম আবিরকে তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তিমুলে প্রাপ্ত হিস্যা তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমার নামে নামজারি জমির খারিজ ভাঙ্গার জন্য অপচেষ্টা সহ বিভিন্ন ধরনের হুমকী ও হয়রানি করে যাচ্ছে। আমি নান্দাইল মডেল থানা পুলিশ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে বিচার প্রার্থী হলেও এর কোন সুরাহা পায়নি। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।”

অপরদিকে এসআই (নি:) তহুরা আক্তার বলেন, হ্যা আমি প্রথমে তালাক নোটিশ দিয়েছিলাম। পরে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছি এবং তাকে মেনে নিয়েছি। এছাড়া তিনি খারিজ ভাঙ্গার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমার স্বামীর সম্পত্তিতে আমারও অধিকার রয়েছে। আমি সেটা প্রমাণ করবো। কিন্তুু স্বামী জীবিত অবস্থায় কোথায় ছিলেন? তা জিজ্ঞাসা করিলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।