পরকিয়ার কারণে স্বামীহত্যা মামলায় ঝিনাইদহে স্ত্রী’র যাবজ্জীবন

#
news image

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় উপজেলার গ্রামে পরকিয়ার কারণে স্বামী হারুন অর রশিদকে শ^াসরোধে হত্যার দায়ে স্ত্রী সর্জিনা খাতুনুকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন ঝিনাইদহের আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ আব্দুল মতিন এ দন্ডাদেশ প্রদাণ করেন। একইসাথে অভিযুক্তকে ২০ হাজার টাকার জরিমানা করা হয়।

মামলায় রাষ্টপক্ষের আইনজীবি ইসমাইল হোসেন জানান, ২০০৮ সালের ২৫ জুলাই ঝিনাইদহের শৈলকুপার উপজেলার উত্তরবোয়ালিয়া গ্রামের হারুন-অর-রশিদকে শ^াসরোধ করে হত্যা করে তার স্ত্রী সর্জিনা খাতুন ও তার পরকিয়া প্রেমিক লিটন হোসেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইব্রাহিম বাদী হয়ে শৈলকুপা থানায় সর্জিনা খাতুন ও লিটনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে থানার সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা  একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর দু’জনকেই অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ওই মামলায় স্ত্রী সর্জিনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

মামলার অপর আসামী লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাশ দেওয়া হয় বলে আইনজীবি জানান।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

০১ জুন, ২০২৩,  8:07 PM

news image
স্বামী হত্যায় যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত সর্জিনা খাতুন

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় উপজেলার গ্রামে পরকিয়ার কারণে স্বামী হারুন অর রশিদকে শ^াসরোধে হত্যার দায়ে স্ত্রী সর্জিনা খাতুনুকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন ঝিনাইদহের আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ আব্দুল মতিন এ দন্ডাদেশ প্রদাণ করেন। একইসাথে অভিযুক্তকে ২০ হাজার টাকার জরিমানা করা হয়।

মামলায় রাষ্টপক্ষের আইনজীবি ইসমাইল হোসেন জানান, ২০০৮ সালের ২৫ জুলাই ঝিনাইদহের শৈলকুপার উপজেলার উত্তরবোয়ালিয়া গ্রামের হারুন-অর-রশিদকে শ^াসরোধ করে হত্যা করে তার স্ত্রী সর্জিনা খাতুন ও তার পরকিয়া প্রেমিক লিটন হোসেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইব্রাহিম বাদী হয়ে শৈলকুপা থানায় সর্জিনা খাতুন ও লিটনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে থানার সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তা  একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর দু’জনকেই অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ওই মামলায় স্ত্রী সর্জিনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

মামলার অপর আসামী লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাশ দেওয়া হয় বলে আইনজীবি জানান।