চৌহালীতে রাস্তার গাছ বেদখল 

#
news image

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নে কোদালিয়া বাজার কড়িতলা থেকে বৈন্যার মোর পর্যন্ত সরকারের বনবিভাগ এর প্রায় অর্ধশতাধিক বিভিন্ন দরনের কাঠ গাছ বেদখল। রাস্তার পাশে গড়ে উঠা প্রত্যেক বাড়ির মালিকরা  বাড়ির বিতরে ফেলে গাছগুলো আত্মসাৎ করার পায়তারা করছে।  সরজমিন দেখা গেছে এসব গাছ বাড়ির মালিকরা বেড়া দিয়ে দখল করে নিয়েছে। 

 খাষপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, নাগরপুর শাহজানী সড়কে চৌহালী উপজেলার আওতাধীন  বনবিভাগের গাছ বাড়ি ওয়ালারা দখল করে রাতের অন্ধকারে কেটে নিচ্ছে। 

খাষপুখুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সরকার তথা বনবিভাগের রোপন করা গাছ, প্রতিটি গাছের মুল্য ১০ হাজার থেকে অর্ধ লক্ষ টাকা।  এসব ইউক্লেকটার, মেহগনি, আকাশমনিসহ বিভিন্ন জাতের কাঠ গাছ রাস্তার পাশে নতুন নতুন বাড়ি করে দখল করে নিয়েছে। প্রত্যেক বাড়ির মালিক গাছ কেটে ঘর বা ভবন নির্মাণ করে আসছে, বিশেষ করে উপজেলার বাবলাতলা থেকে মিটুয়ানি পাকার মাথা ও বৈন্যার মোর পর্যন্ত পাকা সড়ক এর দু'পাশের অসংখ্য সরকারি গাছ রাতের অন্ধকারে কেটে নিচ্ছে, কেউ বাড়ির বিতরে ফেলে আত্মসাৎ করার পায়তারা করছেন। সবমিলিয়ে  রাস্তার সব গাছ বেদখল হয়ে যাচ্ছে। কারণ এ রাস্তায় চলাচল করছে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

 এবিষয়ে উপজেলা পরিষদ মাসিক সাধারণ সভায় আলোচনা করেও  কোন সুফল নেই। সরকারের কাছে আমার জোর দাবি গাছগুলো লিনামে তোলা জরুরি হয়ে পরেছে। এসব গাছে উদ্ধার করা না হলে আমও যাবে ছালাও যাবে। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে বনবিভাগ বলছে আমরা গাছ রোপন করেছি তবে কোন দায়বার নেই, এলজিইডি গাছগুলো দেখছেন।

উপসহকারী প্রকৌশলী নাবিল আহমেদ বলেন, এসব রাস্তা ও গাছ  হাইওয়ে আমাদের দায়িত্বে না।

মাহমুদুল হাসান, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ)

২৮ মে, ২০২৩,  6:48 PM

news image
বৈন্যা রাস্তার পাশে বাড়ি ও গাছের চিত্র তুলে ধরা হলো। 

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নে কোদালিয়া বাজার কড়িতলা থেকে বৈন্যার মোর পর্যন্ত সরকারের বনবিভাগ এর প্রায় অর্ধশতাধিক বিভিন্ন দরনের কাঠ গাছ বেদখল। রাস্তার পাশে গড়ে উঠা প্রত্যেক বাড়ির মালিকরা  বাড়ির বিতরে ফেলে গাছগুলো আত্মসাৎ করার পায়তারা করছে।  সরজমিন দেখা গেছে এসব গাছ বাড়ির মালিকরা বেড়া দিয়ে দখল করে নিয়েছে। 

 খাষপুখুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, নাগরপুর শাহজানী সড়কে চৌহালী উপজেলার আওতাধীন  বনবিভাগের গাছ বাড়ি ওয়ালারা দখল করে রাতের অন্ধকারে কেটে নিচ্ছে। 

খাষপুখুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, সরকার তথা বনবিভাগের রোপন করা গাছ, প্রতিটি গাছের মুল্য ১০ হাজার থেকে অর্ধ লক্ষ টাকা।  এসব ইউক্লেকটার, মেহগনি, আকাশমনিসহ বিভিন্ন জাতের কাঠ গাছ রাস্তার পাশে নতুন নতুন বাড়ি করে দখল করে নিয়েছে। প্রত্যেক বাড়ির মালিক গাছ কেটে ঘর বা ভবন নির্মাণ করে আসছে, বিশেষ করে উপজেলার বাবলাতলা থেকে মিটুয়ানি পাকার মাথা ও বৈন্যার মোর পর্যন্ত পাকা সড়ক এর দু'পাশের অসংখ্য সরকারি গাছ রাতের অন্ধকারে কেটে নিচ্ছে, কেউ বাড়ির বিতরে ফেলে আত্মসাৎ করার পায়তারা করছেন। সবমিলিয়ে  রাস্তার সব গাছ বেদখল হয়ে যাচ্ছে। কারণ এ রাস্তায় চলাচল করছে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

 এবিষয়ে উপজেলা পরিষদ মাসিক সাধারণ সভায় আলোচনা করেও  কোন সুফল নেই। সরকারের কাছে আমার জোর দাবি গাছগুলো লিনামে তোলা জরুরি হয়ে পরেছে। এসব গাছে উদ্ধার করা না হলে আমও যাবে ছালাও যাবে। 

এবিষয়ে জানতে চাইলে বনবিভাগ বলছে আমরা গাছ রোপন করেছি তবে কোন দায়বার নেই, এলজিইডি গাছগুলো দেখছেন।

উপসহকারী প্রকৌশলী নাবিল আহমেদ বলেন, এসব রাস্তা ও গাছ  হাইওয়ে আমাদের দায়িত্বে না।