টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্বর্ণের দোকানে ক্রেতা সেজে ১০ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে প্রতারক চম্পট
নাজিবুল বাশার, মধুপুর (টাঙ্গাইল)
২২ মে, ২০২৩, 4:19 PM
টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্বর্ণের দোকানে ক্রেতা সেজে ১০ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে প্রতারক চম্পট
টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্বর্ণের দোকানে ক্রেতা সেজে ১০ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে প্রতারক চম্পট দেয় । রবিবার (২১ মে) আনুমানিক ১২টার সময় ময়মনসিংহ রোড আপন জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে। আপন জুয়েলার্সের মালিক সুজিত কর্মকার জানান, বেলা এগারটার দিকে পাঞ্জাবি পায়জামা পরিহিত এক ব্যক্তি স্বর্ণের গহণা ক্রয় আসে। তিনি গলার হারসহ বেশ কয়েকটি গহনা পছন্দ করে পরিমাপ করে মেমো তৈরি করে। পরে প্রতারক ব্যক্তি ব্যাংক থেকে টাকা এনে নিয়ে যাবেন বলে ব্যাগে স্বর্ণালঙ্কার রেখে দোকানেই অবস্থান করতে থাকেন।
এ সময় অন্য ক্রেতাদের সাথে কথা বলার সুযোগে কর্মচারীর নিকট থেকে ব্যাগটি চায় এবং তার মোবাইলে ছবি তুলে কর্মচারিকে ব্যাগটি পুনরায় রাখতে বলেন। কয়েক মিনিট পর ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা আনার কথা বলে বেরিয়ে যান। ক্রেতা সেজে ব্যক্তিটি দোকান থেকে বেরিয়ে গাড়ি নিয়ে উত্তর দিকে ইসলামী ব্যাংকের দিকে না গিয়ে দক্ষিণ দিকে রওয়ানা হলে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষণিক গহনার ব্যাগটি চেক করতে গিয়ে দেখা যায় ব্যাগে কোন গহনা নেই।
পরে সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যায় গহনার ছবি তুলে গহনা ব্যাগে না রেখে তার পরিহিত পোষাকের বাম পকেটে নিয়ে নেয়। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর মধুপুর থানা পুলিশকে অবহিত করলে তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সিসিটিভির ফুটেজ নিয়ে তদন্ত শুরু করেন। এ সময় মধুপুর পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে।
এ ব্যাপারে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন বিপিএম জানান, আপন জুয়েলার্সের স্বর্ণের গহনা খোয়া যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। এখন পর্যন্ত দোকানের মালিক কোন অভিযোগ করেননি। তবে মধুপুর থানা পুলিশ ইতোমধ্যেই স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
নাজিবুল বাশার, মধুপুর (টাঙ্গাইল)
২২ মে, ২০২৩, 4:19 PM
টাঙ্গাইলের মধুপুরে স্বর্ণের দোকানে ক্রেতা সেজে ১০ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে প্রতারক চম্পট দেয় । রবিবার (২১ মে) আনুমানিক ১২টার সময় ময়মনসিংহ রোড আপন জুয়েলার্সে এ ঘটনা ঘটে। আপন জুয়েলার্সের মালিক সুজিত কর্মকার জানান, বেলা এগারটার দিকে পাঞ্জাবি পায়জামা পরিহিত এক ব্যক্তি স্বর্ণের গহণা ক্রয় আসে। তিনি গলার হারসহ বেশ কয়েকটি গহনা পছন্দ করে পরিমাপ করে মেমো তৈরি করে। পরে প্রতারক ব্যক্তি ব্যাংক থেকে টাকা এনে নিয়ে যাবেন বলে ব্যাগে স্বর্ণালঙ্কার রেখে দোকানেই অবস্থান করতে থাকেন।
এ সময় অন্য ক্রেতাদের সাথে কথা বলার সুযোগে কর্মচারীর নিকট থেকে ব্যাগটি চায় এবং তার মোবাইলে ছবি তুলে কর্মচারিকে ব্যাগটি পুনরায় রাখতে বলেন। কয়েক মিনিট পর ইসলামী ব্যাংক থেকে টাকা আনার কথা বলে বেরিয়ে যান। ক্রেতা সেজে ব্যক্তিটি দোকান থেকে বেরিয়ে গাড়ি নিয়ে উত্তর দিকে ইসলামী ব্যাংকের দিকে না গিয়ে দক্ষিণ দিকে রওয়ানা হলে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষণিক গহনার ব্যাগটি চেক করতে গিয়ে দেখা যায় ব্যাগে কোন গহনা নেই।
পরে সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা যায় গহনার ছবি তুলে গহনা ব্যাগে না রেখে তার পরিহিত পোষাকের বাম পকেটে নিয়ে নেয়। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর মধুপুর থানা পুলিশকে অবহিত করলে তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সিসিটিভির ফুটেজ নিয়ে তদন্ত শুরু করেন। এ সময় মধুপুর পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে।
এ ব্যাপারে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন বিপিএম জানান, আপন জুয়েলার্সের স্বর্ণের গহনা খোয়া যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। এখন পর্যন্ত দোকানের মালিক কোন অভিযোগ করেননি। তবে মধুপুর থানা পুলিশ ইতোমধ্যেই স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।