ঝিনাইদহের শৈলকুপায় ৮ বছরের শিশুধর্ষণে যুবক গ্রেফতার

#
news image

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গ্রামে তৃতীয়শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থীকে হাত-মুখ বেধে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক কবির (২০)কে গ্রেফতার করেছে শৈলকুুপা থানা পুলিশ। ধর্ষক ওই গ্রামের রমজান শেখের ছেলে। সে পেশায় একজন মুদি দোকানি। ঘটনাটি শুক্রবার বিকালে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের। 

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে দোকানে তেল কিনতে যায় শিশুশিক্ষার্থী। মুদি দোকানি কবির শিক্ষার্থীকে মুখ চেপে ধরে বাড়ির ভিতর নিয়ে হাত-মুখ বেঁধে নিজের ঘরে ধর্ষণ করে। শিক্ষার্থী সেখান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে মায়ের কাছে ঘটনাটি জানায়। স্বজনরা মেয়েটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। শিক্ষার্থীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠান অপরদিকে সন্ধার দকে ধর্ষক কবির পালানোর সময় স্থানীয় বিএলকে বাজার থেকে জনগণ তাকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোর্পদ করে। এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ভিকটিমের স্বজন ও এলকাবাসী প্রচলিত আইনের মাধ্যমে দ্রুত বিচারে তাকে ফাঁসির দাবি জানিয়েছে। 
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আরিফুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এব্যাপারে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধর্ষক কবিরকে গ্রেফতার করে শনিবার ঝিনাইদহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু হয়েছে।

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

২০ মে, ২০২৩,  7:56 PM

news image
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গ্রামে তৃতীয়শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক কবির ।

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার গ্রামে তৃতীয়শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থীকে হাত-মুখ বেধে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক কবির (২০)কে গ্রেফতার করেছে শৈলকুুপা থানা পুলিশ। ধর্ষক ওই গ্রামের রমজান শেখের ছেলে। সে পেশায় একজন মুদি দোকানি। ঘটনাটি শুক্রবার বিকালে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের। 

স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে দোকানে তেল কিনতে যায় শিশুশিক্ষার্থী। মুদি দোকানি কবির শিক্ষার্থীকে মুখ চেপে ধরে বাড়ির ভিতর নিয়ে হাত-মুখ বেঁধে নিজের ঘরে ধর্ষণ করে। শিক্ষার্থী সেখান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে মায়ের কাছে ঘটনাটি জানায়। স্বজনরা মেয়েটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। শিক্ষার্থীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠান অপরদিকে সন্ধার দকে ধর্ষক কবির পালানোর সময় স্থানীয় বিএলকে বাজার থেকে জনগণ তাকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোর্পদ করে। এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় ভিকটিমের স্বজন ও এলকাবাসী প্রচলিত আইনের মাধ্যমে দ্রুত বিচারে তাকে ফাঁসির দাবি জানিয়েছে। 
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আরিফুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এব্যাপারে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ধর্ষক কবিরকে গ্রেফতার করে শনিবার ঝিনাইদহ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু হয়েছে।