দুর্গাপুর বালুঘাটে চাঁদাবাজি করায় ৪০ জনের নামে মামলা আটক ৬

#
news image

দেশের একমাত্র চিকন বালুর উৎস্য নেত্রকোনার দুর্গাপুরের এক নম্বর বালুঘাটে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে।

 নামে-বেনামে বালুর ট্রাক থেকে বেশি চাঁদাবাজি হয়। ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়েও চাঁদাবাজি চলছে প্রশাসনের সামনে। আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন বালুঘাট বন্ধ থাকলেও চাঁদাবাজি বন্ধ থাকেনি।

শুক্রবার ১২ মে সকাল সাড়ে দশটায় দূর্গাপুরের এক নম্বর বালু মহালের আগার ভাংতিরপাড় ডাইভার্সন এলাকায় চাঁদাবাজি করার সময় দুর্গাপুর থানার এসআই রায়হানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাতেনাতে ৬ জন চাঁদাবাজ গ্রেফতার করেন।

আটককৃতদের তল্লাশি করে- একশত টাকা আদায়ের সাদা রংয়ের রশিদ বই দুইশত টাকা আদায়ের গোলাপী রংয়ের রশিদ বই এবং তিনশত টাকা মূল্যের আকাশী রংয়ের রশিদ বই যাহার প্রতিটি পাতায় আগারপাড়া ভাংতিরপাড় ডাইভার্সন দূর্গাপুর নেত্রকোনা উল্লেখ রয়েছে। চাঁদা আদায়ের ৮ হাজার ৮০০ টাকাসহ ধৃত আসামী পলাশ রাংসার কাছে থাকা কালো ব্যাগ থেকে এসব উদ্ধার করে পুলিশ। 

তার বাবার নাম খোকন রাংসা। তার বাড়ি থাউসালপাড়া। অন্য আটকৃতরা হলেন- আব্দুল হান্নানের ছেলে নবী হোসেন, আব্দুল করিমের ছেলে আজিজুল ইসলাম, আব্দুল হাইয়ের ছেলে উমর ফারুক, নূরুল ইসলামের ছেলে হিরণ মিয়া, ফজলুল হক বাবুলের ছেলে জুনায়েত হোসেন সৈকত। গ্রেফতারকৃদের বাড়ি চকলেঙ্গুরা ও আগার। এ বিষয়ে এসআই রায়হান জানান বালুঘাটে চাদাঁবাজির দায়ে মামলা হয়েছে। তাদের কোর্টে চালান করা হয়েছে। চাঁদাবাজির ঘটনায় ৪০ জনের নামে মামলা করেছে বালুঘাট কৃর্তপক্ষ। বাকি চাঁদাবাজদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।

ময়মনসিংহের বালু পরিবহণকারী ট্রাক চালক সমশের আলী বলেন, ঢাকায় বালু নিয়ে আসতে অন্তত ১২ পয়েন্টে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে ট্রাক আটকিয়ে রাখে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। এ ছাড়াও বালুঘাটে চাঁদাবাজি যেন একটা রীতি পরিণত হয়ে ওঠেছে। এক ট্রাক বালু পরিবহণ করে যা উর্পাজন হয়। তার বেশি চাঁদা দিতে হয়। চাঁদাবাজদের কাছে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি।

আমলার বিবরনীতে জানা যায়, সরকারের সকল উন্নয়ন কাজ। বিশেষ করে শাজজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়েসহ সকল মেগা প্রকল্পের ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহার্য্য বালুর একমাত্র উৎস সোমেম্বরী নদীর এক নম্বর বালু মহাল। ঢালাইয়ের কাজে দুই দশমিক পাঁচ সিলেকশন গ্রেডের বালু ব্যবহার করা হয়। এই বালু দেশে একমাত্র নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সোমেশ্বরী নদীতে পাওয়া যায়।

মেহেদী হাসান, নেত্রকোনা

১৪ মে, ২০২৩,  9:48 PM

news image

দেশের একমাত্র চিকন বালুর উৎস্য নেত্রকোনার দুর্গাপুরের এক নম্বর বালুঘাটে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে।

 নামে-বেনামে বালুর ট্রাক থেকে বেশি চাঁদাবাজি হয়। ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়েও চাঁদাবাজি চলছে প্রশাসনের সামনে। আইনি জটিলতার কারণে দীর্ঘদিন বালুঘাট বন্ধ থাকলেও চাঁদাবাজি বন্ধ থাকেনি।

শুক্রবার ১২ মে সকাল সাড়ে দশটায় দূর্গাপুরের এক নম্বর বালু মহালের আগার ভাংতিরপাড় ডাইভার্সন এলাকায় চাঁদাবাজি করার সময় দুর্গাপুর থানার এসআই রায়হানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাতেনাতে ৬ জন চাঁদাবাজ গ্রেফতার করেন।

আটককৃতদের তল্লাশি করে- একশত টাকা আদায়ের সাদা রংয়ের রশিদ বই দুইশত টাকা আদায়ের গোলাপী রংয়ের রশিদ বই এবং তিনশত টাকা মূল্যের আকাশী রংয়ের রশিদ বই যাহার প্রতিটি পাতায় আগারপাড়া ভাংতিরপাড় ডাইভার্সন দূর্গাপুর নেত্রকোনা উল্লেখ রয়েছে। চাঁদা আদায়ের ৮ হাজার ৮০০ টাকাসহ ধৃত আসামী পলাশ রাংসার কাছে থাকা কালো ব্যাগ থেকে এসব উদ্ধার করে পুলিশ। 

তার বাবার নাম খোকন রাংসা। তার বাড়ি থাউসালপাড়া। অন্য আটকৃতরা হলেন- আব্দুল হান্নানের ছেলে নবী হোসেন, আব্দুল করিমের ছেলে আজিজুল ইসলাম, আব্দুল হাইয়ের ছেলে উমর ফারুক, নূরুল ইসলামের ছেলে হিরণ মিয়া, ফজলুল হক বাবুলের ছেলে জুনায়েত হোসেন সৈকত। গ্রেফতারকৃদের বাড়ি চকলেঙ্গুরা ও আগার। এ বিষয়ে এসআই রায়হান জানান বালুঘাটে চাদাঁবাজির দায়ে মামলা হয়েছে। তাদের কোর্টে চালান করা হয়েছে। চাঁদাবাজির ঘটনায় ৪০ জনের নামে মামলা করেছে বালুঘাট কৃর্তপক্ষ। বাকি চাঁদাবাজদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।

ময়মনসিংহের বালু পরিবহণকারী ট্রাক চালক সমশের আলী বলেন, ঢাকায় বালু নিয়ে আসতে অন্তত ১২ পয়েন্টে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে ট্রাক আটকিয়ে রাখে। মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। এ ছাড়াও বালুঘাটে চাঁদাবাজি যেন একটা রীতি পরিণত হয়ে ওঠেছে। এক ট্রাক বালু পরিবহণ করে যা উর্পাজন হয়। তার বেশি চাঁদা দিতে হয়। চাঁদাবাজদের কাছে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি।

আমলার বিবরনীতে জানা যায়, সরকারের সকল উন্নয়ন কাজ। বিশেষ করে শাজজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়েসহ সকল মেগা প্রকল্পের ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহার্য্য বালুর একমাত্র উৎস সোমেম্বরী নদীর এক নম্বর বালু মহাল। ঢালাইয়ের কাজে দুই দশমিক পাঁচ সিলেকশন গ্রেডের বালু ব্যবহার করা হয়। এই বালু দেশে একমাত্র নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সোমেশ্বরী নদীতে পাওয়া যায়।