নেত্রকোনার যুবলীগ নেতা স্বপন জোয়ারদার হত্যার আসামি গ্রেফতার

#
news image

নেত্রকোনা জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি স্বপন জোয়ারদার হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে হত্যার প্রায় বাইশ বছর পরহত্যাকারী শীর্ষ সন্ত্রাসী মোর্শেদ হাবিব ভূঁইয়া ওরফে জুয়েলকে রাজধানীর মিরপুর থেকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার মোর্শেদ হাবিব ভূঁইয়া ওরফে জুয়েল (৪৫) কে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। সে হত্যা, মাদক, অস্ত্রসহ ডজন খানেক মামলার পলাতক আসামী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুরের মধ্য পাইকপাড়া বউ বাজার এলাকা থেকে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে ৫৩টি ইয়াবা উর্দ্ধার করা হয়।

শীর্ষ সন্ত্রাসী জুয়েলকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোহসীন।

গ্রেফতারকৃত জুয়েল নেত্রকোনা জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত স্বপন জোয়াদার হত্যা মামলার চার্জশিটভূক্ত প্রধান আসামী। তিনি নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার স্বল্প শুনই গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২৮ নভেম্বর রাতে জেলা শহরের তেরী বাজার মোড়ে দুর্বৃত্তরা জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি স্বপন জোয়ারদারকে গুলি করে হত্যা করে।

২০০১ সালের জোট সরকারের আমলে জুয়েল এবং তার সন্ত্রাসী বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি, দোকান লুট, ভাংচুর ও দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে উপজেলা চত্বরে প্রকাশ্যে গুলি করে আওয়ামী যুবলীগ কর্মীকে আহত করে। সে উপজেলা ডাক বাংলোয় বসে ত্রাসের রাজত্ব চালাতো। প্রভাবশালী নেতাদের আস্থাভাজন হওয়ায় কেউ তার ভয়ে কথা বলতো না।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোহসীন সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুরের মধ্য পাইকপাড়া বউ বাজার এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে জুয়েল। তবে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, জুয়েল পেশাদার অপরাধী। আসামি জুয়েল ২০০১ সালে নেত্রকোনা জেলা যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি স্বপন জোয়ারদার হত্যা মামলার চার্জশিটভূক্ত আসামী। তিনি মিরপুর থাকতেন। সেখানে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। গতকালও ইয়াবা বিক্রির জন্য জুয়েল বউ বাজার আসেন। জুয়েলের বিরুদ্ধে নেত্রকোনা ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় হত্যা, মাদক, অস্ত্রসহ ১২টি মামলা রয়েছে।

জেলা সংবাদদাতা

১৩ মে, ২০২৩,  9:33 PM

news image

নেত্রকোনা জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি স্বপন জোয়ারদার হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে হত্যার প্রায় বাইশ বছর পরহত্যাকারী শীর্ষ সন্ত্রাসী মোর্শেদ হাবিব ভূঁইয়া ওরফে জুয়েলকে রাজধানীর মিরপুর থেকে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার মোর্শেদ হাবিব ভূঁইয়া ওরফে জুয়েল (৪৫) কে গ্রেফতার করেছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। সে হত্যা, মাদক, অস্ত্রসহ ডজন খানেক মামলার পলাতক আসামী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুরের মধ্য পাইকপাড়া বউ বাজার এলাকা থেকে শুক্রবার তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে ৫৩টি ইয়াবা উর্দ্ধার করা হয়।

শীর্ষ সন্ত্রাসী জুয়েলকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোহসীন।

গ্রেফতারকৃত জুয়েল নেত্রকোনা জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত স্বপন জোয়াদার হত্যা মামলার চার্জশিটভূক্ত প্রধান আসামী। তিনি নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার স্বল্প শুনই গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার ছেলে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২৮ নভেম্বর রাতে জেলা শহরের তেরী বাজার মোড়ে দুর্বৃত্তরা জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি স্বপন জোয়ারদারকে গুলি করে হত্যা করে।

২০০১ সালের জোট সরকারের আমলে জুয়েল এবং তার সন্ত্রাসী বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি, দোকান লুট, ভাংচুর ও দিনে দুপুরে প্রকাশ্যে উপজেলা চত্বরে প্রকাশ্যে গুলি করে আওয়ামী যুবলীগ কর্মীকে আহত করে। সে উপজেলা ডাক বাংলোয় বসে ত্রাসের রাজত্ব চালাতো। প্রভাবশালী নেতাদের আস্থাভাজন হওয়ায় কেউ তার ভয়ে কথা বলতো না।

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোহসীন সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মিরপুরের মধ্য পাইকপাড়া বউ বাজার এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করে জুয়েল। তবে ধাওয়া করে তাকে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, জুয়েল পেশাদার অপরাধী। আসামি জুয়েল ২০০১ সালে নেত্রকোনা জেলা যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি স্বপন জোয়ারদার হত্যা মামলার চার্জশিটভূক্ত আসামী। তিনি মিরপুর থাকতেন। সেখানে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। গতকালও ইয়াবা বিক্রির জন্য জুয়েল বউ বাজার আসেন। জুয়েলের বিরুদ্ধে নেত্রকোনা ও ঢাকার বিভিন্ন থানায় হত্যা, মাদক, অস্ত্রসহ ১২টি মামলা রয়েছে।