স্বামীর অধিকার পেতে মানুষের ধারে ধারে স্ত্রীর, স্বামী আজিজুল পতিতা মেয়ে নিয়ে ফূর্তি 

#
news image

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোছা. ফরিদা বেগম (৪০) নামে এক নারী  স্বামীর  স্ত্রীর অধিকার আদায়ে ৬মাস যাবত ১০ মাসের এক শিশু সন্তান নিয়ে  মানুষের ধারে ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। 

গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের বানিয়াফৈর গ্রামে পিতা. মৃত. আবু সাঈদ মল্লিকের ছেলে আজিজুল এর বাড়িতে  টাঙ্গাইল কান্দাপাড়ার একটি পতিতা মেয়ের  অবস্থান দেখে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের দুই জনকেই তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে আজিজুল এর দ্বিতীয় স্ত্রী ফরিদা বেগম (৩৫) বলেন, ৫ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই মাঝে মধ্যে আমাকে যৌতুকের জন্যে মারধর করতো তখন আমার ব্যবহারের ৪ ভরি স্বর্ণ অলংকার বিক্রি করে একটি অটোরিকশা  কিনে দেওয়া হয়। ফরিদা আরও বলেন, আজিজুলের প্রথম স্ত্রী জোছনা এবং তার শাশুড়ী মিলে সেই অটোরিকশা  বিক্রি করিয়ে টাকা গুলো আটকিয়ে দিয়ে আজিজুল কে গ্যাস কোম্পানিতে চাকরির করতে  পাঠায় সেই সুযোগে আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। ১০মাসের শিশু সন্তান  নিয়ে আমি বাড়ি ছাড়া স্থানীয় মাতব্বর বানিয়াফৈর  ওয়ার্ড আওয়ামীলীগর সভাপতি সুলতান মামুদ (মামুদ আলী) এবং বর্তমান মেম্বার খান বাহাদুর (খানু)  সহ বেশ কিছু মাতব্বরা আজিজুলের মোটা অংকের  টাকা খেয়ে আমাকে কোনো ব্যবস্হা করে দিচ্ছে না।

আজিজুল এর প্রথম স্ত্রী জোছনা বেগম (৪০) জানান,  আমার একটি ছেলে আছে মাদ্রাসায় পড়ে ছেলেকে নিয়াই আছি স্বামী মাত্র নামে। আজিজুল দুইটা বিয়ে করেছে। তারপরও পতিতা মেয়ে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সমাজের লোকজন এবিষয়ে কিছু বলছে না।

সহদেবপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড  ইউপি সদস্য খান বাহাদুর (খানু) এ বিষয়ে বলেন, আমি কখনো তার কোনো দরবার করিনাই। তবে বর্তমানে  আজিজুল যে অসামাজিক কার্যকলাপ করছে সেটা এলাকাবাসীর পক্ষে  মেনে নেওয়ার মতো নয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় মাতব্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগর সভাপতি সুলতান মামুদ (মামুদ আলী) বলেন, মেয়েটি আমার কাছে একাধিক বার এসেছে। আমি বার বার মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি ছেলের পরিবার থেকে মীমাংসা হয় নাই।

এ বিষয়ে আজিজুলের মা রিনা বেগম (৫০) বলেন,  আমার ছেলে গ্যাস কোম্পানিতে চাকরি করে। মানুষ যা বলতেছে সে কাজের সাথে আমার ছেলে জড়িত নয়।

মো. শরিফুল ইসলাম, টাঙ্গাইল

১৩ মে, ২০২৩,  9:26 PM

news image

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে মোছা. ফরিদা বেগম (৪০) নামে এক নারী  স্বামীর  স্ত্রীর অধিকার আদায়ে ৬মাস যাবত ১০ মাসের এক শিশু সন্তান নিয়ে  মানুষের ধারে ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। 

গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের বানিয়াফৈর গ্রামে পিতা. মৃত. আবু সাঈদ মল্লিকের ছেলে আজিজুল এর বাড়িতে  টাঙ্গাইল কান্দাপাড়ার একটি পতিতা মেয়ের  অবস্থান দেখে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের দুই জনকেই তাড়িয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে আজিজুল এর দ্বিতীয় স্ত্রী ফরিদা বেগম (৩৫) বলেন, ৫ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পর থেকেই মাঝে মধ্যে আমাকে যৌতুকের জন্যে মারধর করতো তখন আমার ব্যবহারের ৪ ভরি স্বর্ণ অলংকার বিক্রি করে একটি অটোরিকশা  কিনে দেওয়া হয়। ফরিদা আরও বলেন, আজিজুলের প্রথম স্ত্রী জোছনা এবং তার শাশুড়ী মিলে সেই অটোরিকশা  বিক্রি করিয়ে টাকা গুলো আটকিয়ে দিয়ে আজিজুল কে গ্যাস কোম্পানিতে চাকরির করতে  পাঠায় সেই সুযোগে আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। ১০মাসের শিশু সন্তান  নিয়ে আমি বাড়ি ছাড়া স্থানীয় মাতব্বর বানিয়াফৈর  ওয়ার্ড আওয়ামীলীগর সভাপতি সুলতান মামুদ (মামুদ আলী) এবং বর্তমান মেম্বার খান বাহাদুর (খানু)  সহ বেশ কিছু মাতব্বরা আজিজুলের মোটা অংকের  টাকা খেয়ে আমাকে কোনো ব্যবস্হা করে দিচ্ছে না।

আজিজুল এর প্রথম স্ত্রী জোছনা বেগম (৪০) জানান,  আমার একটি ছেলে আছে মাদ্রাসায় পড়ে ছেলেকে নিয়াই আছি স্বামী মাত্র নামে। আজিজুল দুইটা বিয়ে করেছে। তারপরও পতিতা মেয়ে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সমাজের লোকজন এবিষয়ে কিছু বলছে না।

সহদেবপুর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড  ইউপি সদস্য খান বাহাদুর (খানু) এ বিষয়ে বলেন, আমি কখনো তার কোনো দরবার করিনাই। তবে বর্তমানে  আজিজুল যে অসামাজিক কার্যকলাপ করছে সেটা এলাকাবাসীর পক্ষে  মেনে নেওয়ার মতো নয়।

এ বিষয়ে স্থানীয় মাতব্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগর সভাপতি সুলতান মামুদ (মামুদ আলী) বলেন, মেয়েটি আমার কাছে একাধিক বার এসেছে। আমি বার বার মীমাংসা করার চেষ্টা করেছি ছেলের পরিবার থেকে মীমাংসা হয় নাই।

এ বিষয়ে আজিজুলের মা রিনা বেগম (৫০) বলেন,  আমার ছেলে গ্যাস কোম্পানিতে চাকরি করে। মানুষ যা বলতেছে সে কাজের সাথে আমার ছেলে জড়িত নয়।