দেড়যুগ পেরিয়ে গেলেও  চালু হয়নি  সুনামগঞ্জের আবুয়া নদীর নির্মিত ফতেহপুর সেতু

#
news image

ডিজাইন ও ভুমি অধিগ্রহণ জটিলতায় দীর্ঘ দেড়যুগ পেরিয়ে গেলেও  চালু হয়নি সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার আবুয়া নদীর নির্মিত ফতেহপুর সেতু। সেতু চালু না হওয়ায় সুনামগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা, মধ্যনগর, জামালগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার লাখো মানুষ চরম র্দুভোগ  পোহাচ্ছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ সেতু চালু না হওয়া জেলা সদরে যাতায়াত করতে মারাত্মক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। সরজমিনে দেখা যায়, আবুয়া নদীতে খেয়া নৌকা দিয়ে প্রতিদিন শতশত মানুষ জেলা শহরে যাতায়াত করেন। খেয়া নৌকায় নদী পাড় হতে গিয়ে পড়তে হয় নানান বিড়ম্বনায়। প্রচন্ড স্রােেতর কারণে বর্ষাকালে জীবনের ঝুঁকিতে  নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। এতে শিক্ষার্থীদের সময় মতো স্কুলে যাওয়া আসা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়। সেতুর পূর্ব পাশের সংযোগ সড়কের কাজ শেষ হলেও পশ্চিম পাশে চলছে মাটি ভরাটের কাজ।  

২০০৮ সালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩৫ দশমিক ৯২৬ মিটার দীর্ঘ ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্তের সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নদীর মধ্যভাগ অতিরিক্ত গভীর হওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে যায় মেইন পিলার নির্মাণের কাজ। অন্যদিকে সেতুর পশ্চিম পাড়ে ভুমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে থমকে যায় সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ। দ্বিতীয় ধাপে ২০১৭ সালে সেতু নির্মাণের বরাদ্দ বাড়িয়ে ২২ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মান কাজ শুরু করে সড়ক জনপথ বিভাগ। সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জানায়, জেলা শহরের সঙ্গে তাহিরপুর, ধর্মপাশা, মধ্যনগর, জামালগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মানুষের সহজে কম সময়ে যাতায়াতের জন্য নির্মাণ করা হয় এই সেতুটি। সেতুটি চালু হলে ১৫ থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরত্ব কমে আসবে এসব উপজেলার সাথে।

এতে সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি এসব এলাকায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য সহজে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা যাবে। এলাকাবাসীর দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতু চালু করার দাবি জানান। সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন জুন মাসে সেতু চালু করে দেয়া হবে। মুল সেতুর ৯৯ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে । সেতুটি চালু হলে  ৬টি উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার কমে আসবে।

অরুন চক্রবর্তী, সুনামগঞ্জ

১৩ মে, ২০২৩,  5:33 PM

news image

ডিজাইন ও ভুমি অধিগ্রহণ জটিলতায় দীর্ঘ দেড়যুগ পেরিয়ে গেলেও  চালু হয়নি সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার আবুয়া নদীর নির্মিত ফতেহপুর সেতু। সেতু চালু না হওয়ায় সুনামগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা, মধ্যনগর, জামালগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার লাখো মানুষ চরম র্দুভোগ  পোহাচ্ছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ সেতু চালু না হওয়া জেলা সদরে যাতায়াত করতে মারাত্মক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। দ্রুত সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। সরজমিনে দেখা যায়, আবুয়া নদীতে খেয়া নৌকা দিয়ে প্রতিদিন শতশত মানুষ জেলা শহরে যাতায়াত করেন। খেয়া নৌকায় নদী পাড় হতে গিয়ে পড়তে হয় নানান বিড়ম্বনায়। প্রচন্ড স্রােেতর কারণে বর্ষাকালে জীবনের ঝুঁকিতে  নৌকা দিয়ে নদী পারাপার হন সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীরা। এতে শিক্ষার্থীদের সময় মতো স্কুলে যাওয়া আসা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ বাধাগ্রস্ত হয়। সেতুর পূর্ব পাশের সংযোগ সড়কের কাজ শেষ হলেও পশ্চিম পাশে চলছে মাটি ভরাটের কাজ।  

২০০৮ সালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩৫ দশমিক ৯২৬ মিটার দীর্ঘ ও ১০ দশমিক ২৫ মিটার প্রস্তের সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নদীর মধ্যভাগ অতিরিক্ত গভীর হওয়ার কারণে বন্ধ হয়ে যায় মেইন পিলার নির্মাণের কাজ। অন্যদিকে সেতুর পশ্চিম পাড়ে ভুমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে থমকে যায় সংযোগ সড়ক নির্মাণের কাজ। দ্বিতীয় ধাপে ২০১৭ সালে সেতু নির্মাণের বরাদ্দ বাড়িয়ে ২২ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মান কাজ শুরু করে সড়ক জনপথ বিভাগ। সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জানায়, জেলা শহরের সঙ্গে তাহিরপুর, ধর্মপাশা, মধ্যনগর, জামালগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মানুষের সহজে কম সময়ে যাতায়াতের জন্য নির্মাণ করা হয় এই সেতুটি। সেতুটি চালু হলে ১৫ থেকে কুড়ি কিলোমিটার দূরত্ব কমে আসবে এসব উপজেলার সাথে।

এতে সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি এসব এলাকায় উৎপাদিত কৃষি পণ্য সহজে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা যাবে। এলাকাবাসীর দ্রুত সংযোগ সড়কের কাজ শেষ করে সেতু চালু করার দাবি জানান। সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন জুন মাসে সেতু চালু করে দেয়া হবে। মুল সেতুর ৯৯ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে । সেতুটি চালু হলে  ৬টি উপজেলার সঙ্গে জেলা সদরের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার কমে আসবে।