শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

পত্নীতলায় অবৈধ স্থাপনা রাতে উচ্ছেদ সকালেই জমজমাট বাজার

#
news image

চা, বিড়ি, সিগারেট আর পানের টং- দোকান। বিক্রি হচ্ছে ফলমূল, শাকসবজি আর তরিতরকারি। আছে একাধিক খাবার হোটেল, ফ্লাক্সিলোডের দোকান। এমন প্রায় শতাধিক দোকান মিলিয়ে সড়কের দুই পাশেই বসেছে এক জমজমাট বাজার। আর বিকেল গড়িয়ে সন্ধা তখনই তো ফুচকা, চটপতি আর ঝালমুড়ি বিক্রেতারা রাস্তার উপরেই শুরু করেন বেঁচাবিক্রি। এমন দৃশ্য প্রতিনিয়তই দেখা মিলে পত্নীতলা উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে।

সড়ক সংস্কারের কাজ চলছে যার ফলে গত বৃহস্পতিবার (১১ মে ) রাতে রাস্তার উপর বসানো সকল ফুটপাত উচ্ছেদ করেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ। কিন্তু সকালে দেখা গেলো এক ভিন্ন চিত্র। ফুটপাতের সকল ব্যবসায়ীরা আগের মতোই সড়ক ও জনপদের জাগয়া দখল করে পূর্বের ন্যায় দোকান নিয়ে বসার চেষ্টায় মেথে উঠেছে । এ নিয়ে সুধি সমাজের মাঝে বিভিন্ন মত দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন এ আবার কেমন উচ্ছেদ হলো যে, রাতে উচ্ছেদ করা হলো আবার সকালেই পূর্বের ন্যায় সব স্ব স্ব স্থানে দখন করার চেষ্টা করছে।

তারা আরো বলেন, আমরা ফুটপাত উচ্ছেদ এর পক্ষে নয়। এই ফুটপাতের মাধ্যমে শত শত মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। ফুটপাত আমাদের প্রয়োজন। তারমানে এই নয় যে সেটি যেন রাস্তার উপর হবে। কিন্তু আমাদের নজিপুরে ফুটপাত পুরোই রাস্তার উপর। আমরা নজিপুর পৌর মেয়র মহোদয়ের নিকট জোড় দাবি জানাচ্ছি এই ফুটপাতটি যেন ভালো কোন একটি জায়গায় স্থানান্তর করা হয়। আমরা এই জোর দাবিটি মেয়র মহোদয়ের নিকট করছি কারণ আমাদের জানা মতে এই ফুটপাতের সকল দোকান থেকে পৌরসভা প্রতিদিনই নিদিষ্ট পরিমাণ চাঁদা আদায় করে।

সুধিসমাজদের সাথে ফুটপাত ব্যবসায়ীরাও একমত পোষণ করে বলেন, এই ব্যবসার মাধ্যমে আমাদের সংসার চলে। আজ যদি আমাদের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে পরিবার নিয়ে আমাদের রাস্তায় দাঁড়াতে হবে।  আমাদের ব্যবসার জায়গাটি ছিলো সড়ক ও জনপদ বিভাগের। কিন্তু প্রতিদিন নিদিষ্ট পরিমানের চাঁদা আদায় করতো পৌরসভা। আমারা এখন নজিপুর পৌরসভার মেয়র মহোদয়ের নিকট জোড় দাবি জানাচ্ছি যেহেতু আমাদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হতো সেহেতু এখন আমাদের কে নিদিষ্ট ভালো কোন এক জায়গা ব্যবসা করার সুযোগ করে দেওয়া হোক সেখানে যেন আমরা শান্তিতে ব্যবসা করে পরিবার নিয়ে দু - মুঠো খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারি।

জামিল আহম্মেদ  পত্নীতলা ( নওগাঁ )

১২ মে, ২০২৩,  8:51 PM

news image

চা, বিড়ি, সিগারেট আর পানের টং- দোকান। বিক্রি হচ্ছে ফলমূল, শাকসবজি আর তরিতরকারি। আছে একাধিক খাবার হোটেল, ফ্লাক্সিলোডের দোকান। এমন প্রায় শতাধিক দোকান মিলিয়ে সড়কের দুই পাশেই বসেছে এক জমজমাট বাজার। আর বিকেল গড়িয়ে সন্ধা তখনই তো ফুচকা, চটপতি আর ঝালমুড়ি বিক্রেতারা রাস্তার উপরেই শুরু করেন বেঁচাবিক্রি। এমন দৃশ্য প্রতিনিয়তই দেখা মিলে পত্নীতলা উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র নজিপুর বাসস্ট্যান্ডে।

সড়ক সংস্কারের কাজ চলছে যার ফলে গত বৃহস্পতিবার (১১ মে ) রাতে রাস্তার উপর বসানো সকল ফুটপাত উচ্ছেদ করেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ। কিন্তু সকালে দেখা গেলো এক ভিন্ন চিত্র। ফুটপাতের সকল ব্যবসায়ীরা আগের মতোই সড়ক ও জনপদের জাগয়া দখল করে পূর্বের ন্যায় দোকান নিয়ে বসার চেষ্টায় মেথে উঠেছে । এ নিয়ে সুধি সমাজের মাঝে বিভিন্ন মত দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন এ আবার কেমন উচ্ছেদ হলো যে, রাতে উচ্ছেদ করা হলো আবার সকালেই পূর্বের ন্যায় সব স্ব স্ব স্থানে দখন করার চেষ্টা করছে।

তারা আরো বলেন, আমরা ফুটপাত উচ্ছেদ এর পক্ষে নয়। এই ফুটপাতের মাধ্যমে শত শত মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। ফুটপাত আমাদের প্রয়োজন। তারমানে এই নয় যে সেটি যেন রাস্তার উপর হবে। কিন্তু আমাদের নজিপুরে ফুটপাত পুরোই রাস্তার উপর। আমরা নজিপুর পৌর মেয়র মহোদয়ের নিকট জোড় দাবি জানাচ্ছি এই ফুটপাতটি যেন ভালো কোন একটি জায়গায় স্থানান্তর করা হয়। আমরা এই জোর দাবিটি মেয়র মহোদয়ের নিকট করছি কারণ আমাদের জানা মতে এই ফুটপাতের সকল দোকান থেকে পৌরসভা প্রতিদিনই নিদিষ্ট পরিমাণ চাঁদা আদায় করে।

সুধিসমাজদের সাথে ফুটপাত ব্যবসায়ীরাও একমত পোষণ করে বলেন, এই ব্যবসার মাধ্যমে আমাদের সংসার চলে। আজ যদি আমাদের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে পরিবার নিয়ে আমাদের রাস্তায় দাঁড়াতে হবে।  আমাদের ব্যবসার জায়গাটি ছিলো সড়ক ও জনপদ বিভাগের। কিন্তু প্রতিদিন নিদিষ্ট পরিমানের চাঁদা আদায় করতো পৌরসভা। আমারা এখন নজিপুর পৌরসভার মেয়র মহোদয়ের নিকট জোড় দাবি জানাচ্ছি যেহেতু আমাদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করা হতো সেহেতু এখন আমাদের কে নিদিষ্ট ভালো কোন এক জায়গা ব্যবসা করার সুযোগ করে দেওয়া হোক সেখানে যেন আমরা শান্তিতে ব্যবসা করে পরিবার নিয়ে দু - মুঠো খেয়ে পড়ে বাঁচতে পারি।