দৌলতপুরে মারুফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
মোঃ জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া
০৬ মে, ২০২৩, 3:25 PM
দৌলতপুরে মারুফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
কুষ্টিয়ায় দৌলতপুরে মারুফ হোসেনকে অপহরণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি বেনজির আহমেদ ওরফে রুবেল (৩৫) র্যাবের অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোর ৫.৪০টায় নাটোর জেলার লালপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাপড়পোড়া গ্রামের মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে। আজ বিকেল ৫টায় প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে র্যাব।
র্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানাগেছে, গত ২৫ এপ্রিল রাত পৌনে ৯টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চককৃষ্ণপুর গ্রামের আসালত মন্ডলের ছেলে মারুফ হোসেন (৩৫) কে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় ২৮ এপ্রিল মারুফ হোসেনের স্ত্রী দৌলতপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন যার নং ৭১। পরে ২মে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর এলাকায় পদ্মা নদীর চরে বালু চাপা দেওয়া অবস্থায় অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মারুফ হোসেনের পরিবার মৃতদেহটি শনাক্ত করে লাশটি নিখোঁজ মারুফ হোসেনের।
এরই ধারাবাহিকতায় সিপিসি-১ র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের অভিযানিক দল র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় নাটোর জেলার লালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মারুফ হোসেন অপরহণ ও হত্যা মামলার এজাহার নামীয় প্রধান আসামি বেনজির আহমেদ ওরফে রুবেলকে গ্রেফতার করে। পরে মারুফ হোসেনের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উপজেলার আল্লারদর্গা থেকে উদ্ধার করে র্যাব।
জিঞ্জাসাবাদে রুবেল জানায়, মারুফ হোসেনকে অপহরণ ও হত্যাকান্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল সে। মাদক ব্যবসার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে মারুফ হোসেনকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। এ হত্যাকান্ডে আরো ৬-৭ জন অংশ নিয়েছে বলে জিঞ্জাসাবাদে রুবেল জানিয়েছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে র্যাব সূত্র জানিয়েছে।
মোঃ জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া
০৬ মে, ২০২৩, 3:25 PM
কুষ্টিয়ায় দৌলতপুরে মারুফ হোসেনকে অপহরণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি বেনজির আহমেদ ওরফে রুবেল (৩৫) র্যাবের অভিযানে গ্রেফতার হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোর ৫.৪০টায় নাটোর জেলার লালপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাপড়পোড়া গ্রামের মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে। আজ বিকেল ৫টায় প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে র্যাব।
র্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানাগেছে, গত ২৫ এপ্রিল রাত পৌনে ৯টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চককৃষ্ণপুর গ্রামের আসালত মন্ডলের ছেলে মারুফ হোসেন (৩৫) কে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনায় ২৮ এপ্রিল মারুফ হোসেনের স্ত্রী দৌলতপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন যার নং ৭১। পরে ২মে মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বৈরাগীরচর এলাকায় পদ্মা নদীর চরে বালু চাপা দেওয়া অবস্থায় অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মারুফ হোসেনের পরিবার মৃতদেহটি শনাক্ত করে লাশটি নিখোঁজ মারুফ হোসেনের।
এরই ধারাবাহিকতায় সিপিসি-১ র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের অভিযানিক দল র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার সহযোগিতায় নাটোর জেলার লালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মারুফ হোসেন অপরহণ ও হত্যা মামলার এজাহার নামীয় প্রধান আসামি বেনজির আহমেদ ওরফে রুবেলকে গ্রেফতার করে। পরে মারুফ হোসেনের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উপজেলার আল্লারদর্গা থেকে উদ্ধার করে র্যাব।
জিঞ্জাসাবাদে রুবেল জানায়, মারুফ হোসেনকে অপহরণ ও হত্যাকান্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল সে। মাদক ব্যবসার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে মারুফ হোসেনকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। এ হত্যাকান্ডে আরো ৬-৭ জন অংশ নিয়েছে বলে জিঞ্জাসাবাদে রুবেল জানিয়েছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে র্যাব সূত্র জানিয়েছে।