নেত্রকোনায় স্কুলছাত্রী মুক্তি হত্যাকারীর ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন 

#
news image

নেত্রকোনার বারহাট্টায় স্কুল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে প্রকাশ্য দিবালোকে বখাটের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন ১০ শ্রেণির ছাত্রী মুক্তি রানী বর্মণ (১৫)। এঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার হত্যকারী নরপশুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবীতে জেলার বারহাট্টা ও সদর উপজেলায় পৃথক সময় ও স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদী মানবন্ধনের মতো কর্মসূচী পালিত হয়। 

২৪ ঘন্টার মধ্যে মূলহোতাকে আটকের জন্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানায় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী বক্তারা।

নিহত মুক্তি বর্মণ বারহাট্টার প্রেমনগর ছালিপুরা গ্রামের নিখিল চন্দ্র বর্মণের মেয়ে ও প্রেমনগর ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং বারহাট্টা নারী প্রগতি সংঘের ইয়ুথ গ্রুপের সদস্য ছিল। ঘাতক কাউসার (১৮) একই গ্রামের সামছু মিয়ার মিয়া ছেলে।

বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে নরপশু কাউসারের ফাঁসির দাবিতে নিহত ছাত্রীর বিদ্যাপিঠের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি বারহাট্টার শাখার যৌথ উদ্যোগে ঘন্টাকালব্যাপী মানববন্ধনটি বেলা ১টার দিকে শেষ হয়। এতে মুক্তি বর্মণের শিক্ষক ও সহপাঠীসহ বারহাট্টার বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

এছাড়াও একইদিন হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নেত্রকোনা পৌরশহরে পৃথক দুটি স্থানে প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১২টার দিকে পৌরসভার সামনের সড়কে জেলার সকল সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এবং এরআগে বেলা ১১টার দিকে জেলা কেন্দ্রীয় মিনারের সামনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নেত্রকোনা শাখার ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

গত মঙ্গলবার দুপুর আড়াই দিকে স্কুল থেকে ফেরার পথে দাঁড়ালো অস্ত্র দিয়ে মুক্তি বর্মণের মাথায় ও ঘাড়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে ঘাতক। সহপাঠী ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই দিনই বিকেল ৫টার দিকে মমেক হাসপাতালে মারা যান মুক্তি বর্মণ। ঘটনা ঘটার ২৪ ঘন্টার ভেতরে প্রেমনগর ছালিপুরা গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে বখাটে কাউসারকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ

মেহেদী হাসান, নেত্রকোনা

০৪ মে, ২০২৩,  9:32 PM

news image

নেত্রকোনার বারহাট্টায় স্কুল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে প্রকাশ্য দিবালোকে বখাটের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হন ১০ শ্রেণির ছাত্রী মুক্তি রানী বর্মণ (১৫)। এঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার হত্যকারী নরপশুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবীতে জেলার বারহাট্টা ও সদর উপজেলায় পৃথক সময় ও স্থানে মানববন্ধন ও প্রতিবাদী মানবন্ধনের মতো কর্মসূচী পালিত হয়। 

২৪ ঘন্টার মধ্যে মূলহোতাকে আটকের জন্য পুলিশকে ধন্যবাদ জানায় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী বক্তারা।

নিহত মুক্তি বর্মণ বারহাট্টার প্রেমনগর ছালিপুরা গ্রামের নিখিল চন্দ্র বর্মণের মেয়ে ও প্রেমনগর ছালিপুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং বারহাট্টা নারী প্রগতি সংঘের ইয়ুথ গ্রুপের সদস্য ছিল। ঘাতক কাউসার (১৮) একই গ্রামের সামছু মিয়ার মিয়া ছেলে।

বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে নরপশু কাউসারের ফাঁসির দাবিতে নিহত ছাত্রীর বিদ্যাপিঠের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি বারহাট্টার শাখার যৌথ উদ্যোগে ঘন্টাকালব্যাপী মানববন্ধনটি বেলা ১টার দিকে শেষ হয়। এতে মুক্তি বর্মণের শিক্ষক ও সহপাঠীসহ বারহাট্টার বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

এছাড়াও একইদিন হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নেত্রকোনা পৌরশহরে পৃথক দুটি স্থানে প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১২টার দিকে পৌরসভার সামনের সড়কে জেলার সকল সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এবং এরআগে বেলা ১১টার দিকে জেলা কেন্দ্রীয় মিনারের সামনে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নেত্রকোনা শাখার ব্যানারে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

গত মঙ্গলবার দুপুর আড়াই দিকে স্কুল থেকে ফেরার পথে দাঁড়ালো অস্ত্র দিয়ে মুক্তি বর্মণের মাথায় ও ঘাড়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে ঘাতক। সহপাঠী ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই দিনই বিকেল ৫টার দিকে মমেক হাসপাতালে মারা যান মুক্তি বর্মণ। ঘটনা ঘটার ২৪ ঘন্টার ভেতরে প্রেমনগর ছালিপুরা গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে বখাটে কাউসারকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ