একটি টেকসই চায়না বাধই বদলে দিতে পারে যমুনা পারের  মানুষের ভাগ্য

#
news image

২০৪১ উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নকে সামনে রেখে যমুনা নদীর পুর্বপার দিয়ে বঙ্গবন্ধ সেতু আরিচা পর্যন্ত দৃষ্টিনন্দন চায়না বাধই বদলে দিতে পারে যমুনার পার বাসি মানুষের ভাগ্য।

নদীর তীর রক্ষায় স্থায়ীবাধ স্থাপন করা হলে বদলে যাবে সিরাজগঞ্জ টাংগাইল ও মানিকগঞ্জের চিত্র। বন্ধিদশা থেকে মুক্তি পাবে অসহায় সম্বলহীন মানুষ। 
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে আরিচা র্পযন্ত প্রায় ৪০/৫০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যমুনা নদীর পুর্ব পার দিয়ে  টেকসই দৃষ্টিনন্ধন সড়ক পথ  নির্মাণ করা হলে যেমন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দূর হবে, তেমনি সময় বাচবে কমবে জনদুর্ভোগ ও ভোগান্তি। তারই আলোকে যমুনা সেতু আরিচা পর্যন্ত নদীর পারদিয়ে  সড়ক পথ স্থাপনে বাংলাদেশে আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল সৃষ্টি হব। ডিজিটাল যুগের স্মার্ট বাংলাদেশ ও যমুনা সৈকত গড়ে উঠবে,বিনোদন অঞ্চল,  সচল হবে যোগাযোগ  কমবে ভোগান্তি সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান, দুর হবে বেকারত্ব । 

যোগাযোগ বিও ভাঙ্গন কবলিত মানুষ বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাবে চৌহালী, টাংগাইল, ভুয়াপুর, নাগরপুর, দৌলতপুর  শিবালা ও  আরিচা উপজেলার অবহেলিত মানুষ। 

এবাধ নির্মাণে ভাঙ্গন রোধ হবে, কর্মসংস্থাল সৃষ্টি হবে, যোগাযোগ সহজ, যানজট মুক্ত নিরাপদ সড়ক ও যমুনা সৈকত সৃষ্টি হবে। চৌহালী রক্ষা বাঁধে গড়ে উঠেছে বিনোদন কেন্দ্র(বিকেলে জনতার ঢল নামে)  যার বাস্তবচিত্র সরেজমিন। 

টেকসই দৃষ্টিনন্ধন সড়ক পথ  নির্মাণ করা হলে নদীর পারের মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্নসহ সকল সমস্যা থেকে  আলোয় আলোকিত হবে এবং সরকারের উন্নয়ন জনগনের দৌড় গড়ায় পৌঁছবে। যমুনা পারের মানুষ বাঁচতে চায়, পড়তে চায়, নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাধ ও সড়কপথ দেখতে চান। এ অঞ্চলের মানুষকে সব সময় নদীর ভাঙ্গনে অভিশাপ্ত ও অনিশ্চয়তার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয় দিনের পর দিন আতংকে আর অজানায়। গ্রাম বাংলার মানুষের ভোগান্তি, কষ্ট জনিত ও পারবাসি  মানুষের মন্তব্য নিয়ে অনুসন্ধানী এ প্রতিবেদন করছেন আমাদের এ প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান। 

বাংলাদেশ  সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও স্মাট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পদ্মা সেতু ইতিমধ্যেই সারাবিশ্বে ইতিহাস সৃস্টি করেছে। ২০৪১ উন্নত বাংলা গড়তে ১'শ সড়কপথ উদ্বোধন, উড়ালসেতু, মেট্রোরেল স্থাপন সহ বিভিন্ন উন্নয়নে ২০৪১ উন্নত ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ  বাস্তবায়ন এর উদ্যোগের অংশ হোক বঙ্গবন্ধু  সেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত টেকসই  চায়নাবাঁধ  বেরীবাধ ও স্থায়ীবাধ।  এ সড়কপথ নির্মাণে হাজার হাজার পরিবারের বেকারত্ব দুরহবে, সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক অঞ্চল, যমুনা সৈকত, পর্যটকদের পর্যটন কেন্দ্র,  সরকারের  রাজস্ব আদায়ের নগরি, বাস্তবায়ন হোক গণমানুষের কথা এবং প্রত্যাশা।
 এ সড়কপথ স্থাপনে যমুনা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষ ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার  যুগে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাবে। আরিচা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত সড়ক পথ স্থাপনে যমুনার পার ও চরাঅঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ুক(বিনোদন অঞ্চল) উন্নয়নের আলো।
###
মাহমুদুল হাসান 
চৌহালী সিরাজগঞ্জ

মাহমুদুল হাসান, চৌহালী (সিরাজগঞ্জ)

২৬ এপ্রিল, ২০২৩,  3:34 PM

news image

২০৪১ উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নকে সামনে রেখে যমুনা নদীর পুর্বপার দিয়ে বঙ্গবন্ধ সেতু আরিচা পর্যন্ত দৃষ্টিনন্দন চায়না বাধই বদলে দিতে পারে যমুনার পার বাসি মানুষের ভাগ্য।

নদীর তীর রক্ষায় স্থায়ীবাধ স্থাপন করা হলে বদলে যাবে সিরাজগঞ্জ টাংগাইল ও মানিকগঞ্জের চিত্র। বন্ধিদশা থেকে মুক্তি পাবে অসহায় সম্বলহীন মানুষ। 
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে আরিচা র্পযন্ত প্রায় ৪০/৫০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যমুনা নদীর পুর্ব পার দিয়ে  টেকসই দৃষ্টিনন্ধন সড়ক পথ  নির্মাণ করা হলে যেমন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দূর হবে, তেমনি সময় বাচবে কমবে জনদুর্ভোগ ও ভোগান্তি। তারই আলোকে যমুনা সেতু আরিচা পর্যন্ত নদীর পারদিয়ে  সড়ক পথ স্থাপনে বাংলাদেশে আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল সৃষ্টি হব। ডিজিটাল যুগের স্মার্ট বাংলাদেশ ও যমুনা সৈকত গড়ে উঠবে,বিনোদন অঞ্চল,  সচল হবে যোগাযোগ  কমবে ভোগান্তি সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান, দুর হবে বেকারত্ব । 

যোগাযোগ বিও ভাঙ্গন কবলিত মানুষ বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাবে চৌহালী, টাংগাইল, ভুয়াপুর, নাগরপুর, দৌলতপুর  শিবালা ও  আরিচা উপজেলার অবহেলিত মানুষ। 

এবাধ নির্মাণে ভাঙ্গন রোধ হবে, কর্মসংস্থাল সৃষ্টি হবে, যোগাযোগ সহজ, যানজট মুক্ত নিরাপদ সড়ক ও যমুনা সৈকত সৃষ্টি হবে। চৌহালী রক্ষা বাঁধে গড়ে উঠেছে বিনোদন কেন্দ্র(বিকেলে জনতার ঢল নামে)  যার বাস্তবচিত্র সরেজমিন। 

টেকসই দৃষ্টিনন্ধন সড়ক পথ  নির্মাণ করা হলে নদীর পারের মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্নসহ সকল সমস্যা থেকে  আলোয় আলোকিত হবে এবং সরকারের উন্নয়ন জনগনের দৌড় গড়ায় পৌঁছবে। যমুনা পারের মানুষ বাঁচতে চায়, পড়তে চায়, নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাধ ও সড়কপথ দেখতে চান। এ অঞ্চলের মানুষকে সব সময় নদীর ভাঙ্গনে অভিশাপ্ত ও অনিশ্চয়তার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয় দিনের পর দিন আতংকে আর অজানায়। গ্রাম বাংলার মানুষের ভোগান্তি, কষ্ট জনিত ও পারবাসি  মানুষের মন্তব্য নিয়ে অনুসন্ধানী এ প্রতিবেদন করছেন আমাদের এ প্রতিবেদক মাহমুদুল হাসান। 

বাংলাদেশ  সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা ও স্মাট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পদ্মা সেতু ইতিমধ্যেই সারাবিশ্বে ইতিহাস সৃস্টি করেছে। ২০৪১ উন্নত বাংলা গড়তে ১'শ সড়কপথ উদ্বোধন, উড়ালসেতু, মেট্রোরেল স্থাপন সহ বিভিন্ন উন্নয়নে ২০৪১ উন্নত ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ  বাস্তবায়ন এর উদ্যোগের অংশ হোক বঙ্গবন্ধু  সেতু থেকে আরিচা পর্যন্ত টেকসই  চায়নাবাঁধ  বেরীবাধ ও স্থায়ীবাধ।  এ সড়কপথ নির্মাণে হাজার হাজার পরিবারের বেকারত্ব দুরহবে, সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক অঞ্চল, যমুনা সৈকত, পর্যটকদের পর্যটন কেন্দ্র,  সরকারের  রাজস্ব আদায়ের নগরি, বাস্তবায়ন হোক গণমানুষের কথা এবং প্রত্যাশা।
 এ সড়কপথ স্থাপনে যমুনা নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকার মানুষ ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার  যুগে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাবে। আরিচা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত সড়ক পথ স্থাপনে যমুনার পার ও চরাঅঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ুক(বিনোদন অঞ্চল) উন্নয়নের আলো।
###
মাহমুদুল হাসান 
চৌহালী সিরাজগঞ্জ