শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

কমলগঞ্জে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

#
news image

কমলগঞ্জে ওয়ারেন্টের এক আসামীকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে।

মামলার বাদী ভুক্তভোগী রায়না বেগম ও তার স্বামী জাহেদ মিয়া জানান, গত ৫ এপ্রিল বুধবার রাতে কমলগঞ্জ থানার এসআই বিজয়সহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে উত্তর রুপশপুর গ্রামের সিআর-৩৭৬/২২নং মামলার ওয়ারেন্ট (স্বারক নং-২৪০/২৩) ভুক্ত আসামী- মতিন মিয়ার ছেলে খালেদ মিয়া, মৃত সামছুল হকের ছেলে ছনোয়ার মিয়া ও নজরুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন।

পরে তাদেরকে আর্থিক লেদদেনের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয়। আসামীদের মধ্যে মাজহারুল মিয়া জুড়ি উপজেলায় সড়ক ও জনপথ বিভাগে চাকুরী করেন। এবং খালেদ মিয়া (৩৫) উপাধক্ষ্য আব্দুস শহীদ উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকুরী করেন।  অভিযোগ উঠেছে উক্ত মামলার আসামী খালেদ মিয়া গংরা চাকুরীজিবি হিসাবে প্রভাব বিস্তার করেন এবং সর্বশেষ প্রভাব বিস্তার করে সংশ্লিষ্ট থানায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী থাকা সত্বেও থানা থেকে পুলিশ ছেড়ে দেয়।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তী আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন- মানবিক কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মনজু বিজয় চৌধুরী, মৌলভীবাজার

০৯ এপ্রিল, ২০২৩,  12:13 PM

news image

কমলগঞ্জে ওয়ারেন্টের এক আসামীকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে।

মামলার বাদী ভুক্তভোগী রায়না বেগম ও তার স্বামী জাহেদ মিয়া জানান, গত ৫ এপ্রিল বুধবার রাতে কমলগঞ্জ থানার এসআই বিজয়সহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে উত্তর রুপশপুর গ্রামের সিআর-৩৭৬/২২নং মামলার ওয়ারেন্ট (স্বারক নং-২৪০/২৩) ভুক্ত আসামী- মতিন মিয়ার ছেলে খালেদ মিয়া, মৃত সামছুল হকের ছেলে ছনোয়ার মিয়া ও নজরুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন।

পরে তাদেরকে আর্থিক লেদদেনের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয়। আসামীদের মধ্যে মাজহারুল মিয়া জুড়ি উপজেলায় সড়ক ও জনপথ বিভাগে চাকুরী করেন। এবং খালেদ মিয়া (৩৫) উপাধক্ষ্য আব্দুস শহীদ উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকুরী করেন।  অভিযোগ উঠেছে উক্ত মামলার আসামী খালেদ মিয়া গংরা চাকুরীজিবি হিসাবে প্রভাব বিস্তার করেন এবং সর্বশেষ প্রভাব বিস্তার করে সংশ্লিষ্ট থানায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী থাকা সত্বেও থানা থেকে পুলিশ ছেড়ে দেয়।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তী আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন- মানবিক কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।