শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

কমলগঞ্জে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ

#
news image

কমলগঞ্জে ওয়ারেন্টের এক আসামীকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে।

মামলার বাদী ভুক্তভোগী রায়না বেগম ও তার স্বামী জাহেদ মিয়া জানান, গত ৫ এপ্রিল বুধবার রাতে কমলগঞ্জ থানার এসআই বিজয়সহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে উত্তর রুপশপুর গ্রামের সিআর-৩৭৬/২২নং মামলার ওয়ারেন্ট (স্বারক নং-২৪০/২৩) ভুক্ত আসামী- মতিন মিয়ার ছেলে খালেদ মিয়া, মৃত সামছুল হকের ছেলে ছনোয়ার মিয়া ও নজরুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন।

পরে তাদেরকে আর্থিক লেদদেনের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয়। আসামীদের মধ্যে মাজহারুল মিয়া জুড়ি উপজেলায় সড়ক ও জনপথ বিভাগে চাকুরী করেন। এবং খালেদ মিয়া (৩৫) উপাধক্ষ্য আব্দুস শহীদ উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকুরী করেন।  অভিযোগ উঠেছে উক্ত মামলার আসামী খালেদ মিয়া গংরা চাকুরীজিবি হিসাবে প্রভাব বিস্তার করেন এবং সর্বশেষ প্রভাব বিস্তার করে সংশ্লিষ্ট থানায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী থাকা সত্বেও থানা থেকে পুলিশ ছেড়ে দেয়।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তী আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন- মানবিক কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

মনজু বিজয় চৌধুরী, মৌলভীবাজার

০৯ এপ্রিল, ২০২৩,  12:13 PM

news image

কমলগঞ্জে ওয়ারেন্টের এক আসামীকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে।

মামলার বাদী ভুক্তভোগী রায়না বেগম ও তার স্বামী জাহেদ মিয়া জানান, গত ৫ এপ্রিল বুধবার রাতে কমলগঞ্জ থানার এসআই বিজয়সহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে উত্তর রুপশপুর গ্রামের সিআর-৩৭৬/২২নং মামলার ওয়ারেন্ট (স্বারক নং-২৪০/২৩) ভুক্ত আসামী- মতিন মিয়ার ছেলে খালেদ মিয়া, মৃত সামছুল হকের ছেলে ছনোয়ার মিয়া ও নজরুল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন।

পরে তাদেরকে আর্থিক লেদদেনের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হয়। আসামীদের মধ্যে মাজহারুল মিয়া জুড়ি উপজেলায় সড়ক ও জনপথ বিভাগে চাকুরী করেন। এবং খালেদ মিয়া (৩৫) উপাধক্ষ্য আব্দুস শহীদ উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকুরী করেন।  অভিযোগ উঠেছে উক্ত মামলার আসামী খালেদ মিয়া গংরা চাকুরীজিবি হিসাবে প্রভাব বিস্তার করেন এবং সর্বশেষ প্রভাব বিস্তার করে সংশ্লিষ্ট থানায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী থাকা সত্বেও থানা থেকে পুলিশ ছেড়ে দেয়।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তী আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন- মানবিক কারণে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।