পূর্বধলায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের বিরুদ্ধে ভিবিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ 

#
news image

নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার মেঘশিমুল এলাকার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল ইসলামের সন্তান মোঃ রাজিবুল ইসলাম রাজীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড করার অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিকবার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন পূর্বধলা উপজেলার সচেতন মহলের রহমত আলী,নূরে আলমসহ অনেকেই।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ রাজিবুল ইসলাম রাজীব কোন উপার্জনের কাজ না করেও বিভিন্ন সমাজসেবার নাম করে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ,রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং সরকারী বেসরকারি কর্মকর্তাকে ব্ল্যাকমেল করে ভয়ভীতি ও জিম্মিসহ কুকীর্তি করে টাকা আদায় করে শুধু তাই নয় উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণীর গরিব অসহায়দের ত্রাণ সামগ্রীর লোভ দেখিয়ে অর্থ নিয়ে থাকে এবং পরে সব গোপন করে রাখার চাপ তৈরি করে।

এছাড়াও পূর্বধলা উপজেলার সচেতন মহল মনে করেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বিব্রতকর অবস্থায় তার মূল উদ্দেশ্য সে বিএনপি জামাতের বা কোন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে কেননা বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ বাবুল আলম তালুকদার এর সাথে খুব আত্মীয়তা দেখা গেছে এবং প্রতিরাতে বিএনপি’র লোকদের সাথে গোপনীয় বৈঠকে ও মিলিত হয় রাজিব।

পূর্বধলায় সচেতন মহলের কিছু লোকের সাথে কথা বললে তারা জানায়, রাজিবুল ইসলাম রাজিবের বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা এই নাম ব্যবহার করে সে বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে অসহায়দের ত্রাণ দিবে বলে টাকা পয়সা চেয়ে থাকে এছাড়াও গরিব মানুষদের ত্রাণ বা বিভিন্ন সহযোগিতা করার নাম করে টাকা নিয়ে থাকে। আসলে রাজিবের মাথায় সমস্যা আছে কেননা সে যা ইচ্ছা তাই করে এবং বলে ত্রাণ দেওয়ার নাম করে টাকা এনে নিজের পকেটে ভরে।এর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন তারা।

এদিকে রাজীবের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, রাজিব আমার চতুর্থ সন্তান সে গত বছর (৫০ হাজার) টাকা বৃত্তি পেয়েছিল সে টাকা দিয়ে গরিব অসহায়দের মাঝে বিভিন্ন সময় ত্রাণ দিয়েছে এবং আর্থিক সহযোগিতা করেছে বলেই জানি। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ হয়েছে গত কালকে শুনেছি, কিন্তু তার সাথে এ বিষয়টি নিয়ে এখনো কথা বলা হয়নি তাই এ বিষয়ে আমিও সঠিক কিছু বলতে পারছি না।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রাজিবুল ইসলাম রাজীবের সাথে কথা বললে, তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এলাকার গরিব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং সাধ্য অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করি। সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ না করে কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিল উঠিয়ে নেয়, এতে করে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে আমি এর প্রতিবাদ করি বলে আমার উপর এমন মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ উঠেছে। আমার ফেসবুকে দেখেন ঘাগড়া ইউনিয়নে টিআর কাবিটাসহ  বিভিন্ন বরাদ্দের কাজ না করে টাকা উঠিয়ে নিচ্ছে সরকারের কর্মকর্তারা এর তদারকি কেমন করে এটাই তার বড় প্রমাণ।

অভিযুক্ত রাজিব আরও জানান, পূর্বধলা উপজেলায় কোন কাজের তথ্যের জন্য গেলে তারা তথ্য দিতে চায় না ।এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল এক সাংবাদিকের সাথে গত বছর তথ্যের জন্য আবেদন করলে তারা তথ্য দিয়ে হাত থেকে আবার কেড়ে নিয়েছে পি আইও অফিস কক্ষ থেকে। আপনার বিভিন্ন ত্রাণ বিতরণের টাকার উৎসব কি বা কোথা থেকে আসে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি গত বছর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে পঞ্চাশ টাকা বৃত্তি পেয়েছিলাম এবং আমার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে অসহায়দের মাঝে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেছি।

উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাছ থেকে মসজিদের কথা বলে ব্যাটারি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমি কোন ব্যাটারি নেইনি উনার বাসার নিচে ব্যাটারির দোকান সেখানে উনি আমার নাম ব্যবহার করে ব্যাটারি ক্রয় করেছেন কেননা দোকানের রিসেটে যে কারো নাম বসাতে পারে।সেখানে আমার নাম কিভাবে কেনই বা বসিয়েছেন সে বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আমার একটাই উদ্দেশ্য আমি জনগণের পাশে থেকে যতটুকু পারি সহযোগিতা করব এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব এতে যদি আমার কোন কিছু হয় তাতেও আমার দুঃখ নেই।

এই বিষয়ে রাজীবের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল ইসলাম জানান, রাজিব আমার চতুর্থ সন্তান সে গত বছর (৫০ হাজার) টাকা বৃত্তি পেয়েছিল সে টাকা দিয়ে গরিব অসহায়দের মাঝে বিভিন্ন সময় ত্রাণ দিয়েছে এবং আর্থিক সহযোগিতা করেছে বলেই জানি। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ হয়েছে গত কালকে শুনেছি, কিন্তু তার সাথে এ বিষয়টি নিয়ে এখনো কথা বলা হয়নি তাই এ বিষয়ে আমিও সঠিক কিছু বলতে পারছি না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পূর্বধলা উপজেলার এক সংবাদকর্মী মোঃ ওয়াদুদ বলেন, রাজিবুল ইসলাম রাজিব বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত, সে পূর্বধলা উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে অসহায়দের মাঝে সহযোগিতা করার কথা বলে সহযোগিতা এনে সে নিজেই আত্মসাৎ করে।আর এই আত্মসাতের বিষয়টি আমি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে জেনে যাওয়াতে সে আমার বিরুদ্ধে ও লেগেছে। কারণ সে জানে আমি এই আত্মসাতের বিষয়টি নিয়ে নিউজ করবো।

এ বিষয়ে পূর্বধলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, সে বিভিন্ন সময় আমার কাছে এসে সহায়তার কথা বলে টাকা চাইলে হাজার পাঁচশো করে দিতাম, কিন্তু যতদিন যায় তার চাহিদা আরোও বেড়ে যায়। দুই মাস আগেও মসজিদের ব্যাটারির কথা বলে ব্যাটারি নেয় কিন্তু সেই ব্যাটারি সে নিজে ব্যবহার করে মসজিদে দেয়নি এটা জানার পর থেকে আমি তাকে আর টাকা বা কোন সহযোগিতা করিনি আর সহযোগিতা না করায় আমাকে বিভিন্ন সময় সে হুমকি ধামকি দিয়েছে, যার কারণে আমি পূর্বধলা থানায় সাধারণ ডায়েরি করি এখন পর্যন্ত সে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেল করে যাচ্ছে আমাকে। আমি এখন তার ভয়ে আছি আমার পরিবার নিয়ে।

এ ব্যাপারে পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স বলেন, আমার কাছে বিভিন্ন অভিযোগের একাধিকবার চিঠি এসেছে রাজিবুল ইসলাম রাজীবের বিরুদ্ধে, এই অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

মেহেদী হাসান, নেত্রকোনা

০৯ এপ্রিল, ২০২৩,  11:54 AM

news image

নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার মেঘশিমুল এলাকার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল ইসলামের সন্তান মোঃ রাজিবুল ইসলাম রাজীবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকাণ্ড করার অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে একাধিকবার জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন পূর্বধলা উপজেলার সচেতন মহলের রহমত আলী,নূরে আলমসহ অনেকেই।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মোঃ রাজিবুল ইসলাম রাজীব কোন উপার্জনের কাজ না করেও বিভিন্ন সমাজসেবার নাম করে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি ,রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং সরকারী বেসরকারি কর্মকর্তাকে ব্ল্যাকমেল করে ভয়ভীতি ও জিম্মিসহ কুকীর্তি করে টাকা আদায় করে শুধু তাই নয় উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণীর গরিব অসহায়দের ত্রাণ সামগ্রীর লোভ দেখিয়ে অর্থ নিয়ে থাকে এবং পরে সব গোপন করে রাখার চাপ তৈরি করে।

এছাড়াও পূর্বধলা উপজেলার সচেতন মহল মনে করেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বিব্রতকর অবস্থায় তার মূল উদ্দেশ্য সে বিএনপি জামাতের বা কোন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে কেননা বর্তমানে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ বাবুল আলম তালুকদার এর সাথে খুব আত্মীয়তা দেখা গেছে এবং প্রতিরাতে বিএনপি’র লোকদের সাথে গোপনীয় বৈঠকে ও মিলিত হয় রাজিব।

পূর্বধলায় সচেতন মহলের কিছু লোকের সাথে কথা বললে তারা জানায়, রাজিবুল ইসলাম রাজিবের বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা এই নাম ব্যবহার করে সে বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে অসহায়দের ত্রাণ দিবে বলে টাকা পয়সা চেয়ে থাকে এছাড়াও গরিব মানুষদের ত্রাণ বা বিভিন্ন সহযোগিতা করার নাম করে টাকা নিয়ে থাকে। আসলে রাজিবের মাথায় সমস্যা আছে কেননা সে যা ইচ্ছা তাই করে এবং বলে ত্রাণ দেওয়ার নাম করে টাকা এনে নিজের পকেটে ভরে।এর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন তারা।

এদিকে রাজীবের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, রাজিব আমার চতুর্থ সন্তান সে গত বছর (৫০ হাজার) টাকা বৃত্তি পেয়েছিল সে টাকা দিয়ে গরিব অসহায়দের মাঝে বিভিন্ন সময় ত্রাণ দিয়েছে এবং আর্থিক সহযোগিতা করেছে বলেই জানি। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ হয়েছে গত কালকে শুনেছি, কিন্তু তার সাথে এ বিষয়টি নিয়ে এখনো কথা বলা হয়নি তাই এ বিষয়ে আমিও সঠিক কিছু বলতে পারছি না।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রাজিবুল ইসলাম রাজীবের সাথে কথা বললে, তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এলাকার গরিব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং সাধ্য অনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করি। সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ না করে কর্মকর্তারা বিভিন্ন বিল উঠিয়ে নেয়, এতে করে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে আমি এর প্রতিবাদ করি বলে আমার উপর এমন মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ উঠেছে। আমার ফেসবুকে দেখেন ঘাগড়া ইউনিয়নে টিআর কাবিটাসহ  বিভিন্ন বরাদ্দের কাজ না করে টাকা উঠিয়ে নিচ্ছে সরকারের কর্মকর্তারা এর তদারকি কেমন করে এটাই তার বড় প্রমাণ।

অভিযুক্ত রাজিব আরও জানান, পূর্বধলা উপজেলায় কোন কাজের তথ্যের জন্য গেলে তারা তথ্য দিতে চায় না ।এমনই এক ঘটনা ঘটেছিল এক সাংবাদিকের সাথে গত বছর তথ্যের জন্য আবেদন করলে তারা তথ্য দিয়ে হাত থেকে আবার কেড়ে নিয়েছে পি আইও অফিস কক্ষ থেকে। আপনার বিভিন্ন ত্রাণ বিতরণের টাকার উৎসব কি বা কোথা থেকে আসে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি গত বছর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে পঞ্চাশ টাকা বৃত্তি পেয়েছিলাম এবং আমার পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন জনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে অসহায়দের মাঝে বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করেছি।

উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাছ থেকে মসজিদের কথা বলে ব্যাটারি নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, আমি কোন ব্যাটারি নেইনি উনার বাসার নিচে ব্যাটারির দোকান সেখানে উনি আমার নাম ব্যবহার করে ব্যাটারি ক্রয় করেছেন কেননা দোকানের রিসেটে যে কারো নাম বসাতে পারে।সেখানে আমার নাম কিভাবে কেনই বা বসিয়েছেন সে বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। আমার একটাই উদ্দেশ্য আমি জনগণের পাশে থেকে যতটুকু পারি সহযোগিতা করব এবং দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব এতে যদি আমার কোন কিছু হয় তাতেও আমার দুঃখ নেই।

এই বিষয়ে রাজীবের পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল ইসলাম জানান, রাজিব আমার চতুর্থ সন্তান সে গত বছর (৫০ হাজার) টাকা বৃত্তি পেয়েছিল সে টাকা দিয়ে গরিব অসহায়দের মাঝে বিভিন্ন সময় ত্রাণ দিয়েছে এবং আর্থিক সহযোগিতা করেছে বলেই জানি। তবে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ হয়েছে গত কালকে শুনেছি, কিন্তু তার সাথে এ বিষয়টি নিয়ে এখনো কথা বলা হয়নি তাই এ বিষয়ে আমিও সঠিক কিছু বলতে পারছি না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পূর্বধলা উপজেলার এক সংবাদকর্মী মোঃ ওয়াদুদ বলেন, রাজিবুল ইসলাম রাজিব বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত, সে পূর্বধলা উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে অসহায়দের মাঝে সহযোগিতা করার কথা বলে সহযোগিতা এনে সে নিজেই আত্মসাৎ করে।আর এই আত্মসাতের বিষয়টি আমি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে জেনে যাওয়াতে সে আমার বিরুদ্ধে ও লেগেছে। কারণ সে জানে আমি এই আত্মসাতের বিষয়টি নিয়ে নিউজ করবো।

এ বিষয়ে পূর্বধলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, সে বিভিন্ন সময় আমার কাছে এসে সহায়তার কথা বলে টাকা চাইলে হাজার পাঁচশো করে দিতাম, কিন্তু যতদিন যায় তার চাহিদা আরোও বেড়ে যায়। দুই মাস আগেও মসজিদের ব্যাটারির কথা বলে ব্যাটারি নেয় কিন্তু সেই ব্যাটারি সে নিজে ব্যবহার করে মসজিদে দেয়নি এটা জানার পর থেকে আমি তাকে আর টাকা বা কোন সহযোগিতা করিনি আর সহযোগিতা না করায় আমাকে বিভিন্ন সময় সে হুমকি ধামকি দিয়েছে, যার কারণে আমি পূর্বধলা থানায় সাধারণ ডায়েরি করি এখন পর্যন্ত সে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেল করে যাচ্ছে আমাকে। আমি এখন তার ভয়ে আছি আমার পরিবার নিয়ে।

এ ব্যাপারে পূর্বধলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স বলেন, আমার কাছে বিভিন্ন অভিযোগের একাধিকবার চিঠি এসেছে রাজিবুল ইসলাম রাজীবের বিরুদ্ধে, এই অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন দিতে আমাকে নির্দেশনা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।