শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

বেতাগীতে যুবদলের পদ বাণিজ্যের অভিযোগ

#
news image

বরগুনার বেতাগীতে পোস্টার-ফেস্টুন,জেলা নেতাদের আপ্যায়ন, দেখা করতে যাওয়ার খরচ ও কমিটিতে পদ দেওয়ার নাম করে প্রতি ইউনিয়ন যুবদল নেতাদের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান জুয়েল ও সিঃ যুগ্ম আহবায়ক প্রভাষক রাশেদ খান। এমনকি টাকার অফারে রাজি না হওয়ায় কমিটির ভাইটাল পদে রাখেনি নাম।

৫ মার্চ বুধবার সেনারবাংলা বাজারে সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন ৩নং হোসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি কবির ফরাজি ও একাধিক পদ বঞ্চিত নেতা। 

কবির ফরাজি আরো অভিযোগ করে বলেন, টাকার বিনিময়ে ক্লিনিক ব্যবসায়ী সুজন শাহরিয়ারকে করা হয়েছে সদস্য সচিব। তারে ইউনিয়ন ছাত্রদলের কোন কমিটিতে দেখা যায়নি। এছাড়াও ডিস ব্যবসায়ী মালেক'কে করা হয়েছে আহবায়ক। যার ছেলে করে ছাত্রলীগ। শুধু হোসনাবাদ ইউনিয়ন নয় সকল ইউনিয়নে টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের স্থান দেওয়া হয়েছে। 

৪নং মোকামিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, টাকা ছাড়া কিছু বুঝে না তারা। জুয়েল ও রাসেদ মিলে এইসব করেছে যা দলের জন্য বিপদজনক। 

৩নং হোসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ সম্পাদক রাসেল খলিফা বলেন, আমায় রাশেদ খান টাকার অফার দেয়। আমি টাকা দিতে অস্বীকার জানালে আমায় অযোগ্যদের তালিকায় নাম রেখে দেয়। 

এই বিষয়ে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান জুয়েল বলেন, তাদের অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা। আমরা কারো। তাদের এই অসত্য তথ্য দেওয়ার কারণ জানতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা সংবাদদাতা

০৬ এপ্রিল, ২০২৩,  2:39 PM

news image

বরগুনার বেতাগীতে পোস্টার-ফেস্টুন,জেলা নেতাদের আপ্যায়ন, দেখা করতে যাওয়ার খরচ ও কমিটিতে পদ দেওয়ার নাম করে প্রতি ইউনিয়ন যুবদল নেতাদের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান জুয়েল ও সিঃ যুগ্ম আহবায়ক প্রভাষক রাশেদ খান। এমনকি টাকার অফারে রাজি না হওয়ায় কমিটির ভাইটাল পদে রাখেনি নাম।

৫ মার্চ বুধবার সেনারবাংলা বাজারে সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন ৩নং হোসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি কবির ফরাজি ও একাধিক পদ বঞ্চিত নেতা। 

কবির ফরাজি আরো অভিযোগ করে বলেন, টাকার বিনিময়ে ক্লিনিক ব্যবসায়ী সুজন শাহরিয়ারকে করা হয়েছে সদস্য সচিব। তারে ইউনিয়ন ছাত্রদলের কোন কমিটিতে দেখা যায়নি। এছাড়াও ডিস ব্যবসায়ী মালেক'কে করা হয়েছে আহবায়ক। যার ছেলে করে ছাত্রলীগ। শুধু হোসনাবাদ ইউনিয়ন নয় সকল ইউনিয়নে টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের স্থান দেওয়া হয়েছে। 

৪নং মোকামিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বলেন, টাকা ছাড়া কিছু বুঝে না তারা। জুয়েল ও রাসেদ মিলে এইসব করেছে যা দলের জন্য বিপদজনক। 

৩নং হোসনাবাদ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ সম্পাদক রাসেল খলিফা বলেন, আমায় রাশেদ খান টাকার অফার দেয়। আমি টাকা দিতে অস্বীকার জানালে আমায় অযোগ্যদের তালিকায় নাম রেখে দেয়। 

এই বিষয়ে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান জুয়েল বলেন, তাদের অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা। আমরা কারো। তাদের এই অসত্য তথ্য দেওয়ার কারণ জানতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।