উজিরপুরে সহকারী শিক্ষক কর্তৃক তিরস্কার করার অভিযোগ

#
news image

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রীতিমত স্কুলে না আসাসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় প্রধান শিক্ষিকাকে হিন্দু মহিলা বলে তিরস্কার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ৪ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধা শেখ লকিতুল্লা এর ছেলে সহকারী শিক্ষক অভিযুক্ত শেখ আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধান শিক্ষিকা নুপুর কর্মকার।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায় উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নে ৭১নং হস্তিশুন্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শেখ আব্দুল কাদির রিতীমত স্কুলে না আসা এবং শ্রেনিকক্ষে মোবাইল ফোনে কথা বলা, প্রধান শিক্ষককের অনুমতি ছাড়া বাহিরে প্রবেশ করা,সে মাঝে মাঝে সমাবেশে উপস্থিত হলেও জাতীয় পতাকাকে সন্মান প্রদর্শন না করা। উগ্র মেজাজ ও সকল শিক্ষিকাদের সাথে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রতিবাদ করায় গত ৩ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহিলা প্রধান শিক্ষিকাকে হিন্দু মহিলা বলে তিরস্কারসহ অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষিকা নুপুর কর্মকারকে মারধর করার জন্য তেড়ে আসে সহকারী শিক্ষক শেখ আব্দুল কাদির।

এছাড়াও শেখ কাদিরের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষক শিক্ষিকা অভিযোগ করে বলেন তার বাবা মুক্তিযোদ্ধার প্রভাব দেখিয়ে সরকারি আইন ও নিয়মকানুনকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক শেখ আব্দুল কাদিরকে ওই স্কুল থেকে অপসারণের দাবীতে ভুক্তভোগী মহিলা প্রধান শিক্ষিকা নুপুর কর্মকার বাদী হয়ে উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক শেখ আব্দুল কাদির জানান আমার সামান্য ভুল হয়েছে আমি গত ২ এপ্রিল প্রধান শিক্ষিকার কাছে না বলে নামাজ ও বাথরুমে যাওয়ার জন্য বাড়িতে যাই। এ কারণে প্রধান শিক্ষিকা নুপুর কর্মকার আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। ওই স্কুলের আরেক মহিলা শিক্ষিকা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন কিছুদিন পূর্বে তার সাথেও অশ্লীল আচরণ করে।

তিনি আরো বলেন শেখ আব্দুল কাদিরের অশ্লীল আচরণ ও বিভিন্ন অনিয়মে অতিষ্ট আমরা সকল শিক্ষিকরা। তাকে দ্রæত অপসারণ করা না হলে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাছলিমা বেগম জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মাহফুজুর রহমান, উজিরপুর

০৪ এপ্রিল, ২০২৩,  9:44 PM

news image

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রীতিমত স্কুলে না আসাসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় প্রধান শিক্ষিকাকে হিন্দু মহিলা বলে তিরস্কার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ৪ এপ্রিল মুক্তিযোদ্ধা শেখ লকিতুল্লা এর ছেলে সহকারী শিক্ষক অভিযুক্ত শেখ আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধান শিক্ষিকা নুপুর কর্মকার।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায় উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নে ৭১নং হস্তিশুন্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শেখ আব্দুল কাদির রিতীমত স্কুলে না আসা এবং শ্রেনিকক্ষে মোবাইল ফোনে কথা বলা, প্রধান শিক্ষককের অনুমতি ছাড়া বাহিরে প্রবেশ করা,সে মাঝে মাঝে সমাবেশে উপস্থিত হলেও জাতীয় পতাকাকে সন্মান প্রদর্শন না করা। উগ্র মেজাজ ও সকল শিক্ষিকাদের সাথে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের প্রতিবাদ করায় গত ৩ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মহিলা প্রধান শিক্ষিকাকে হিন্দু মহিলা বলে তিরস্কারসহ অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষিকা নুপুর কর্মকারকে মারধর করার জন্য তেড়ে আসে সহকারী শিক্ষক শেখ আব্দুল কাদির।

এছাড়াও শেখ কাদিরের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষক শিক্ষিকা অভিযোগ করে বলেন তার বাবা মুক্তিযোদ্ধার প্রভাব দেখিয়ে সরকারি আইন ও নিয়মকানুনকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক শেখ আব্দুল কাদিরকে ওই স্কুল থেকে অপসারণের দাবীতে ভুক্তভোগী মহিলা প্রধান শিক্ষিকা নুপুর কর্মকার বাদী হয়ে উজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যপারে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক শেখ আব্দুল কাদির জানান আমার সামান্য ভুল হয়েছে আমি গত ২ এপ্রিল প্রধান শিক্ষিকার কাছে না বলে নামাজ ও বাথরুমে যাওয়ার জন্য বাড়িতে যাই। এ কারণে প্রধান শিক্ষিকা নুপুর কর্মকার আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। ওই স্কুলের আরেক মহিলা শিক্ষিকা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন কিছুদিন পূর্বে তার সাথেও অশ্লীল আচরণ করে।

তিনি আরো বলেন শেখ আব্দুল কাদিরের অশ্লীল আচরণ ও বিভিন্ন অনিয়মে অতিষ্ট আমরা সকল শিক্ষিকরা। তাকে দ্রæত অপসারণ করা না হলে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানের বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তাছলিমা বেগম জানান অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।