মোহনগঞ্জে ওয়ারিশান সনদ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

#
news image

মোহনগঞ্জে ওয়ারিশান সনদ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ওয়ারিশান ও চারিত্রিক সনদপত্র না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার বড়তলী বানিহারী ইউপি চেয়ারম্যান সোহাগ তালুকদারের বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় একই ইউনিয়নের কলুঙ্কা গ্রামের জাহাঙ্গীর খান নামে এক ব্যক্তি গত ২২ মার্চ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, অভিযোগকারী গত ২০ মার্চ পারিবারিক কারনে ওয়ারিশন সনদ পত্রের জন্য স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে যাচাইপূর্বক সনদপত্র তৈরি করে মেম্বারের সিল-স্বাক্ষর নিয়ে চেয়ারম্যানের নিকট যায়। চেয়ারম্যান সোহাগ তালুকদার ওই সনদপত্রে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। শুধু তাই নয়, তার পরিবারের সদস্যকে কোন বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সহযোগীতা করা হবে না বলে জানায় চেয়ারম্যান। সোহাগ তালুকদারের বিপক্ষে নির্বাচন করায় তার পরিবারের লোকজনকে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সহায়তা থেকে বঞ্চিত করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় তার পরিবারের লোকজন প্রয়োজনীয় কাগজের জন্য গেলে চেয়ারম্যান দিতে অস্বীকৃতি জানায় বলে অভিযোগ করেছেন।  

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সোহাগ তালুকদার বলেন, ওয়ারিশন সনদ না দেয়ার বিষয়টি মিথ্যা ও বানোয়াট। যখন সনদের জন্য আমার অফিসে গিয়েছিল, তখন আমি এলাকার বাইরে ছিলাম। মোবাইল ফোনে আমি জাহাঙ্গীর খানকে বলেছি দুইদিন পর পরিষদে এসে সনদ দিয়ে দেব। তারপরও তিনি জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ করেছেন।  

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) বিকালে জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ মোবাইল ফোনে বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউএনওকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মেহেদী হাসান, নেত্রকোনা

৩১ মার্চ, ২০২৩,  10:34 AM

news image

মোহনগঞ্জে ওয়ারিশান সনদ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে ওয়ারিশান ও চারিত্রিক সনদপত্র না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলার বড়তলী বানিহারী ইউপি চেয়ারম্যান সোহাগ তালুকদারের বিরুদ্ধে। 

এ ঘটনায় একই ইউনিয়নের কলুঙ্কা গ্রামের জাহাঙ্গীর খান নামে এক ব্যক্তি গত ২২ মার্চ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। 

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, অভিযোগকারী গত ২০ মার্চ পারিবারিক কারনে ওয়ারিশন সনদ পত্রের জন্য স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে যাচাইপূর্বক সনদপত্র তৈরি করে মেম্বারের সিল-স্বাক্ষর নিয়ে চেয়ারম্যানের নিকট যায়। চেয়ারম্যান সোহাগ তালুকদার ওই সনদপত্রে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান। শুধু তাই নয়, তার পরিবারের সদস্যকে কোন বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সহযোগীতা করা হবে না বলে জানায় চেয়ারম্যান। সোহাগ তালুকদারের বিপক্ষে নির্বাচন করায় তার পরিবারের লোকজনকে ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন সহায়তা থেকে বঞ্চিত করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় তার পরিবারের লোকজন প্রয়োজনীয় কাগজের জন্য গেলে চেয়ারম্যান দিতে অস্বীকৃতি জানায় বলে অভিযোগ করেছেন।  

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সোহাগ তালুকদার বলেন, ওয়ারিশন সনদ না দেয়ার বিষয়টি মিথ্যা ও বানোয়াট। যখন সনদের জন্য আমার অফিসে গিয়েছিল, তখন আমি এলাকার বাইরে ছিলাম। মোবাইল ফোনে আমি জাহাঙ্গীর খানকে বলেছি দুইদিন পর পরিষদে এসে সনদ দিয়ে দেব। তারপরও তিনি জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ করেছেন।  

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) বিকালে জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ মোবাইল ফোনে বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউএনওকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।