দুর্গাপুরে দিনমজুরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার 

#
news image

রাজশাহীর দুর্গাপুরে দাদন ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন এনজিওর টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায়  রেন্টু পাইক (৫০) নামে এক দিনমজুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠছে। ২৩ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর নিজ ঘর থেকে ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে থানার পুলিশ।  রেন্টু পাইক উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের ফয়েজ পাইকের ছেলে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি মেম্বার আমজাদ হোসেন বলেন, রেন্টু আমার পানের আড়তে দিনমজুরের কাজ করতো। সে দাদন ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিতো। থানার পুলিশ লাশ উদ্ধারের সময় তার বাড়ি থেকে ১৯টি বিভিন্ন এনজিওর কিস্তির বই সংগ্রহ করেছেন। লোন নিয়ে সপ্তাহে আবার মাসিক লোনের টাকা পরিশোধ করতো। বৃহস্পতিবার তাঁর ৫হাজার টাকা কিস্তি ছিল। বিভিন্ন জায়গায় দেনদরবার করেও তিনি এ টাকা জোগাড় করতে ব্যর্থ হোন। টাকা জোগাড় করতে না পারায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এবং ওই রাতে তিনি নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেন।

জানতে চাইলে দুর্গাপুর থানার পরিদর্শক তদন্ত নয়ন হোসেন বলেন, তার অনেক টাকা লোন ছিল। তার বাড়িতে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার ১৮টি বই পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার তার কিস্তির টাকা পরিশোধের দিন ছিল। তার স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন। রাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্নহত্যা করে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

এম. শাহাবুদ্দিন, দুর্গাপুর (রাজশাহী)

২৩ মার্চ, ২০২৩,  5:44 PM

news image

রাজশাহীর দুর্গাপুরে দাদন ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন এনজিওর টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায়  রেন্টু পাইক (৫০) নামে এক দিনমজুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠছে। ২৩ মার্চ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর নিজ ঘর থেকে ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে থানার পুলিশ।  রেন্টু পাইক উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের ফয়েজ পাইকের ছেলে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

শ্যামপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি মেম্বার আমজাদ হোসেন বলেন, রেন্টু আমার পানের আড়তে দিনমজুরের কাজ করতো। সে দাদন ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিতো। থানার পুলিশ লাশ উদ্ধারের সময় তার বাড়ি থেকে ১৯টি বিভিন্ন এনজিওর কিস্তির বই সংগ্রহ করেছেন। লোন নিয়ে সপ্তাহে আবার মাসিক লোনের টাকা পরিশোধ করতো। বৃহস্পতিবার তাঁর ৫হাজার টাকা কিস্তি ছিল। বিভিন্ন জায়গায় দেনদরবার করেও তিনি এ টাকা জোগাড় করতে ব্যর্থ হোন। টাকা জোগাড় করতে না পারায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এবং ওই রাতে তিনি নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেন।

জানতে চাইলে দুর্গাপুর থানার পরিদর্শক তদন্ত নয়ন হোসেন বলেন, তার অনেক টাকা লোন ছিল। তার বাড়িতে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার ১৮টি বই পাওয়া গেছে। আজ বৃহস্পতিবার তার কিস্তির টাকা পরিশোধের দিন ছিল। তার স্ত্রী বাড়িতে ছিলেন। রাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্নহত্যা করে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।