নান্দাইলে চালক ও হেলপারকে মারধরের ঘটনায় বাস চলাচল বন্ধ দূর্ভোগে যাত্রীরা
মোঃ শাহজাহান ফকির, নান্দাইল (ময়মনসিংহ)
১৬ মার্চ, ২০২৩, 8:24 PM
নান্দাইলে চালক ও হেলপারকে মারধরের ঘটনায় বাস চলাচল বন্ধ দূর্ভোগে যাত্রীরা
ময়মনসিংহের নান্দাইলে এমকে সুপারের বাস চালক ও হেলপারকে মারধরের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৬ই মার্চ) দিনব্যাপী ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে দূরপাল্লার বাস চলমান থাকলেও লোকাল সার্ভিস হিসাবে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ যাতায়াতগামী এমকে সুপার, বিআরটিসি বাস সহ সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে জেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।
এতে করে বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে আগত ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জগামী যাত্রী সাধারন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানাগেছে, গত মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে নান্দাইল উপজেলা সদর পৌরসভা অফিসের সামনে পৌর মেয়র রফিক উদ্দিন ভূইয়া রাস্তা পারাপারের সময় ময়মনসিংহগামী এমকে সুপার বাস উনার সামনে দিয়ে অতিক্রম করেন। অসাবধনতাবশত পৌর মেয়র রাস্তা পার হতে গেলে অল্পের জন্য তিনি দ্রুতগামী এমকে সুপার বাসের চাপা থেকে রক্ষা পান। কিন্তুু তৎক্ষনাত উপস্থিত জনতার মুখে পৌর মেয়র বাসের চাকায় চাপা পড়েছেন এরকরম খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং উক্ত এমকে সুপার বাসকে ধাওয়া করে উপজেলা পরিষদের সামনে ব্রীজে বাসকে থামাতে সক্ষম হয়। এসময় কে বা কাহারা এমকে সুপারের বাস চালক ও হেলপারকে বেধরক মারধর করে।
পরে বিষয়টি পৌর মেয়র রফিক উদ্দিন ভূইয়া জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দু:খ প্রকাশ করে আহত চালক ও হেলপারকে ময়মনসিংহ জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন। কিন্তুু পরবর্তীতে বিষয়টি ময়মনসিংহ জেলা ও কিশোরগঞ্জ জেলা মোটারযান শ্রমিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ আলোচনা সাপেক্ষে ময়মনসিংহ টু কিশোরগঞ্জ রোডে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও বাস চালকরা জানান, রাস্তায় চলাচলের সময় কে এমপি, কে মন্ত্রী, কে মেয়র এগুলোতো কাহারও গায়ে লেখা থাকে না। এছাড়া আমরা সবসময় ট্রাফিক আইন মেনেই যানবাহন চালিয়ে যাচ্ছি। কেউ যদি অসাবধনতাবশত আমাদের গাড়ীর সামনে এসে পড়ে যায়, তবুও জীবনবাজি রেখে তাদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করি। অহেতুক মারধর করায় এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে নান্দাইল পৌরসভার মেয়র রফিক উদ্দিন ভূইয়া ঘটনাটির বিষয়ে খুবই দু:খ প্রকাশ করে বলেন, কেউ সম্পূর্ণ না জেনে ‘চিলে কান নেওয়ার মতো’ আচরণ করেছে। তারপরেও আমি তাদেরকে উদ্ধার করেছি এবং বিষয়টির জন্য আমি মর্মাহত। তবে রোডে বাস চলাচল বন্ধ না করে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
এ দিকে ময়মনসিংহ জেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবন্দের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মোঃ শাহজাহান ফকির, নান্দাইল (ময়মনসিংহ)
১৬ মার্চ, ২০২৩, 8:24 PM
ময়মনসিংহের নান্দাইলে এমকে সুপারের বাস চালক ও হেলপারকে মারধরের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৬ই মার্চ) দিনব্যাপী ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে দূরপাল্লার বাস চলমান থাকলেও লোকাল সার্ভিস হিসাবে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ যাতায়াতগামী এমকে সুপার, বিআরটিসি বাস সহ সব ধরনের বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে জেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।
এতে করে বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে আগত ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জগামী যাত্রী সাধারন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জানাগেছে, গত মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে নান্দাইল উপজেলা সদর পৌরসভা অফিসের সামনে পৌর মেয়র রফিক উদ্দিন ভূইয়া রাস্তা পারাপারের সময় ময়মনসিংহগামী এমকে সুপার বাস উনার সামনে দিয়ে অতিক্রম করেন। অসাবধনতাবশত পৌর মেয়র রাস্তা পার হতে গেলে অল্পের জন্য তিনি দ্রুতগামী এমকে সুপার বাসের চাপা থেকে রক্ষা পান। কিন্তুু তৎক্ষনাত উপস্থিত জনতার মুখে পৌর মেয়র বাসের চাকায় চাপা পড়েছেন এরকরম খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং উক্ত এমকে সুপার বাসকে ধাওয়া করে উপজেলা পরিষদের সামনে ব্রীজে বাসকে থামাতে সক্ষম হয়। এসময় কে বা কাহারা এমকে সুপারের বাস চালক ও হেলপারকে বেধরক মারধর করে।
পরে বিষয়টি পৌর মেয়র রফিক উদ্দিন ভূইয়া জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দু:খ প্রকাশ করে আহত চালক ও হেলপারকে ময়মনসিংহ জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরন করেন। কিন্তুু পরবর্তীতে বিষয়টি ময়মনসিংহ জেলা ও কিশোরগঞ্জ জেলা মোটারযান শ্রমিক ইউনিয়ন ও শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ আলোচনা সাপেক্ষে ময়মনসিংহ টু কিশোরগঞ্জ রোডে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও বাস চালকরা জানান, রাস্তায় চলাচলের সময় কে এমপি, কে মন্ত্রী, কে মেয়র এগুলোতো কাহারও গায়ে লেখা থাকে না। এছাড়া আমরা সবসময় ট্রাফিক আইন মেনেই যানবাহন চালিয়ে যাচ্ছি। কেউ যদি অসাবধনতাবশত আমাদের গাড়ীর সামনে এসে পড়ে যায়, তবুও জীবনবাজি রেখে তাদেরকে বাঁচানোর চেষ্টা করি। অহেতুক মারধর করায় এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে নান্দাইল পৌরসভার মেয়র রফিক উদ্দিন ভূইয়া ঘটনাটির বিষয়ে খুবই দু:খ প্রকাশ করে বলেন, কেউ সম্পূর্ণ না জেনে ‘চিলে কান নেওয়ার মতো’ আচরণ করেছে। তারপরেও আমি তাদেরকে উদ্ধার করেছি এবং বিষয়টির জন্য আমি মর্মাহত। তবে রোডে বাস চলাচল বন্ধ না করে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।
এ দিকে ময়মনসিংহ জেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবন্দের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।