ছাতকে ঋণ বিতরণের নামে কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে  প্রতারক চক্র

#
news image

সুনামগঞ্জের ছাতকে দেশ বাংলা ফাউন্ডেশনের নামে একটি ভূয়া বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার নাম ভাঙ্গিয়ে গত পনের দিন ধরে শহরের পশ্চিম মোগলপাড়ায় একটি বাসাভাড়া করে। উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে গিয়ে অসহায় নারী পুরুষদের নানা সুযোগ সুবিধার লোভ দেখিয়ে প্রতারক চক্রটি ঋণ দেয়ার নামে প্রায় কোটি টাকা সংগ্রহ করে হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানাযায় প্রতারক চক্র গ্রাম গুলোতে গিয়ে নিরিহ মানুষ দের চটকদার কথাবলে প্রতি ১ লক্ষ টাকার ঋণের বিপরীতে সঞ্চয় হিসাবে ১০ হাজার টাকা জমাদিতে হবে এবং আরও ৬২০ টাকা সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হবে। এভাবে কারও কাছথেকে ৫০ হাজার টাকা কারও কাছথেকে ৮০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে নিয়ে পালিয়ে যায়। গ্রাহক দের কাছথেকে টাকা সংগ্রহ করে একটি ভূয়া পাশবই দিয়ে যায় প্রতারক চক্র।পাশ বইয়ের মধ্যে লিখা রয়েছে ঋণ গ্রহিতা মারা গেলে সম্পূর্ণ ঋণ মওকুফ ও এককালীন ৫ হাজার টাকা অনুদান দেয়াহবে,ঋণ গ্রহিতার অভিভাবক মারা গেলে ১ লাখ টাকা দেয়া হবে, সদস্যের মেধাবী সন্তান দের জন্য শিক্ষা বৃত্তি,শিশুদের জন্য টিকাদান কর্মসূচী,সদস্যের জন্য বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষন সহ নানা সুযোগ সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে।

রোববার সকালে পশ্চিম মোগল পাড়াস্থ একটি বাড়ির সামনে প্রতারিত কিছু লোকজন জড়ুহতে দেখে এখানে কি ঘটেছে জিজ্ঞেস করলে ভুক্তভোগী মনোয়ার হোসেন নামের একজন লোকের কাছথেকে জানাযায় তাকে দেড়লাখ টাকা ঋণদেয়ার নামকরে তার কাছথেকে পনের হাজার টাকা আনে প্রতারক চক্রের একজন লোক। নোয়ারাই ইউনিয়নের কুপিয়া গ্রামের আফিয়া বেগমকে টিম লিডার বানিয়ে তার মাধ্যমে আরও ১০ জনের কাছ থেকে প্রায় ১ লক্ষ টাকা, রিনা বেগমকে ৮ লক্ষ টাকা ঋণ দেয়ার নামে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র।

এভাবে প্রায় দুই শতাধিক গ্রাহকের সাথে প্রতারনা করেছে চক্রটি।জনৈক গ্রাহকের কাছে একটি ভিজিটিং কার্ড পাওয়াযায় এক প্রতারকের কার্ডে লিখা রয়েছে মোঃজুয়েল হোসেন, ম্যানেজার, দেশ বাংলা ফাউন্ডেশন,প্রধান কার্যালয়, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল -১৯১০।

এব্যাপারে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির জানান বিপুল সংখ্যক প্রতারিত গ্রাহক দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা পশ্চিম মোগল পাড়ায় একটি বাড়িতে গিয়ে দেখি প্রতারক চক্র পালিয়েছে। আমরা উপস্থিত সময় কিছু গ্রাহকের কাগজ পত্র নিয়ে আসি।অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সাকির আমিন, ছাতক (সুনামগঞ্জ)

১২ মার্চ, ২০২৩,  5:19 PM

news image

সুনামগঞ্জের ছাতকে দেশ বাংলা ফাউন্ডেশনের নামে একটি ভূয়া বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার নাম ভাঙ্গিয়ে গত পনের দিন ধরে শহরের পশ্চিম মোগলপাড়ায় একটি বাসাভাড়া করে। উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে গিয়ে অসহায় নারী পুরুষদের নানা সুযোগ সুবিধার লোভ দেখিয়ে প্রতারক চক্রটি ঋণ দেয়ার নামে প্রায় কোটি টাকা সংগ্রহ করে হাতিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানাযায় প্রতারক চক্র গ্রাম গুলোতে গিয়ে নিরিহ মানুষ দের চটকদার কথাবলে প্রতি ১ লক্ষ টাকার ঋণের বিপরীতে সঞ্চয় হিসাবে ১০ হাজার টাকা জমাদিতে হবে এবং আরও ৬২০ টাকা সার্ভিস চার্জ হিসেবে দিতে হবে। এভাবে কারও কাছথেকে ৫০ হাজার টাকা কারও কাছথেকে ৮০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে নিয়ে পালিয়ে যায়। গ্রাহক দের কাছথেকে টাকা সংগ্রহ করে একটি ভূয়া পাশবই দিয়ে যায় প্রতারক চক্র।পাশ বইয়ের মধ্যে লিখা রয়েছে ঋণ গ্রহিতা মারা গেলে সম্পূর্ণ ঋণ মওকুফ ও এককালীন ৫ হাজার টাকা অনুদান দেয়াহবে,ঋণ গ্রহিতার অভিভাবক মারা গেলে ১ লাখ টাকা দেয়া হবে, সদস্যের মেধাবী সন্তান দের জন্য শিক্ষা বৃত্তি,শিশুদের জন্য টিকাদান কর্মসূচী,সদস্যের জন্য বিনামূল্যে সেলাই প্রশিক্ষন সহ নানা সুযোগ সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে।

রোববার সকালে পশ্চিম মোগল পাড়াস্থ একটি বাড়ির সামনে প্রতারিত কিছু লোকজন জড়ুহতে দেখে এখানে কি ঘটেছে জিজ্ঞেস করলে ভুক্তভোগী মনোয়ার হোসেন নামের একজন লোকের কাছথেকে জানাযায় তাকে দেড়লাখ টাকা ঋণদেয়ার নামকরে তার কাছথেকে পনের হাজার টাকা আনে প্রতারক চক্রের একজন লোক। নোয়ারাই ইউনিয়নের কুপিয়া গ্রামের আফিয়া বেগমকে টিম লিডার বানিয়ে তার মাধ্যমে আরও ১০ জনের কাছ থেকে প্রায় ১ লক্ষ টাকা, রিনা বেগমকে ৮ লক্ষ টাকা ঋণ দেয়ার নামে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র।

এভাবে প্রায় দুই শতাধিক গ্রাহকের সাথে প্রতারনা করেছে চক্রটি।জনৈক গ্রাহকের কাছে একটি ভিজিটিং কার্ড পাওয়াযায় এক প্রতারকের কার্ডে লিখা রয়েছে মোঃজুয়েল হোসেন, ম্যানেজার, দেশ বাংলা ফাউন্ডেশন,প্রধান কার্যালয়, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল -১৯১০।

এব্যাপারে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির জানান বিপুল সংখ্যক প্রতারিত গ্রাহক দের কাছ থেকে খবর পেয়ে আমরা পশ্চিম মোগল পাড়ায় একটি বাড়িতে গিয়ে দেখি প্রতারক চক্র পালিয়েছে। আমরা উপস্থিত সময় কিছু গ্রাহকের কাগজ পত্র নিয়ে আসি।অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।