শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

ঝিনাইদহে বাল্যবিবাহ দিলেন কাজী আ: সোবহান

#
news image

ঝিনাইদহে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ে দিলেন সরকারী তালিকাভুক্ত কাজী আ: সোবহান। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামে। সে ওই গ্রামের জানিক মন্ডলের অষ্টমশ্রেণীপড়ুয়া মেয়ে জোনাকি খাতুন। সরকারের আইন অমান্য করে সরকারী তালিকাভুক্ত কাজী বাল্যবিবাহ দেওয়ায় জনসাধারনের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এমন ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। বিলম্বে পাওয়া খবরে বিষয়টি জানা যায়।

জোনাকি খাতুনের নানা মনিরুদ্দিন জানান, জোনাকি ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসের ০৫ তারিখ জন্মগ্রহন করে। এ অনুযায়ী পাগলাকানাই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২০১৩ সালের ফ্রেব্রুয়ারী মাসের ০৪ তারিখ জন্মনিবন্ধন সনদ নেওয়া হয়েছে। যার নম্বর ২০০৭৪৪১১৯৭৩১০০৬৬৯। 

মেয়ের বয়স হয়নি বলে স্বীকার করে আরো বলেন, গত ১৩ মে রাতে পাগলাকানাই ইউনিয়নের কাজী মোঃ আ: সোবহান তাদের বাড়িতে এসে কাগজপত্র না দেখেই বিয়ে দেন। বয়স না হলেও দেখতে ছোট নেই তাই বিয়ে দিয়ে দিয়েছি। এতে কোন সমস্যা নেই কারণ পরিবারের সকলের উপস্থিতিতেই বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। কাজীকে খুশি করতে বেশকিছু টাকাও দিয়েছেন। কাজী বলেছে বয়স ১৮ হলে বিবাহ রেজিষ্ট্্ির করা হবে এখন শুধু নাম ঠিকানা লিখে রেখেছে। এমন বাল্যবিবাহ আশে পাশে আরো বেশ কয়েকজনকে দিয়েছেন এই কাজী।  

জোনাকীর মা বলেন, তার স্বামী জানিক মন্ডল বিদেশ প্রবাসী। দুই সন্তানের মধ্যে জোনাকী ছোট। স্থানীয় পারমথুরাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে বাদ দিয়ে দেয়। মেয়ের বয়স ১৬ বছর হলেও দেখতে বড় হয়েছে আর যেহেতু লেখাপড়া করে না তাই সরকারী কাজীর মাধ্যমে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে কোন সমস্যা নেই মেয়ে এখন শশুর বাড়িতে ঘর সংসার করছে বলেও জানান তিনি।

অভিযুক্ত কাজী মোঃ আ: সোবহান জানান, চেয়ারম্যান মেম্বরের সাথে কথা বলেই বিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিয়ের সময় কোন কাজপত্র দেখাতে পারেনি। রেজিষ্ট্রি বইয়ে শুধু নাম ঠিকানা লিখা হয়েছে বাকি জায়গাগুলো পূরন করা হয়নি বলেও স্বীকার করেন কাজী সোবহান। তাই পরে কাগজ পত্র ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ঠিক করে দিলে বিয়ের রেজিষ্ট্রি করা হবে, না হলে রেজিষ্ট্রি  করা হবে না।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া জেরিন জানান, লিখিত কোন অভিযোগ কেউ দেয়নি। তবে সাংবাদিকদের মাধ্যমে শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ঝিনাইদহ জেলা রেজিস্ট্রার সাব্বির আহমেদ জানান, সরকারী তালিকাভূক্ত কাজী ১৬ বছরের একটি মেয়েকে মৌলভী দিয়ে বিবাহ পড়িয়েছে কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট জানিয়ে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যদি কাজী জড়িত থাকে প্রমানিত হলে তার রেজিস্ট্রি বাতিল করা হবে বলে জেলা রেজিস্ট্রার জানান।

 

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

১২ জুন, ২০২৩,  8:14 PM

news image
১৬ বছরের কিশোরি মেয়েকে বিয়ে পড়াচ্ছেন কাজি কাজী মোঃ আ: সোবহান ।

ঝিনাইদহে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ে দিলেন সরকারী তালিকাভুক্ত কাজী আ: সোবহান। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামে। সে ওই গ্রামের জানিক মন্ডলের অষ্টমশ্রেণীপড়ুয়া মেয়ে জোনাকি খাতুন। সরকারের আইন অমান্য করে সরকারী তালিকাভুক্ত কাজী বাল্যবিবাহ দেওয়ায় জনসাধারনের মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এমন ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। বিলম্বে পাওয়া খবরে বিষয়টি জানা যায়।

জোনাকি খাতুনের নানা মনিরুদ্দিন জানান, জোনাকি ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসের ০৫ তারিখ জন্মগ্রহন করে। এ অনুযায়ী পাগলাকানাই ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ২০১৩ সালের ফ্রেব্রুয়ারী মাসের ০৪ তারিখ জন্মনিবন্ধন সনদ নেওয়া হয়েছে। যার নম্বর ২০০৭৪৪১১৯৭৩১০০৬৬৯। 

মেয়ের বয়স হয়নি বলে স্বীকার করে আরো বলেন, গত ১৩ মে রাতে পাগলাকানাই ইউনিয়নের কাজী মোঃ আ: সোবহান তাদের বাড়িতে এসে কাগজপত্র না দেখেই বিয়ে দেন। বয়স না হলেও দেখতে ছোট নেই তাই বিয়ে দিয়ে দিয়েছি। এতে কোন সমস্যা নেই কারণ পরিবারের সকলের উপস্থিতিতেই বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। কাজীকে খুশি করতে বেশকিছু টাকাও দিয়েছেন। কাজী বলেছে বয়স ১৮ হলে বিবাহ রেজিষ্ট্্ির করা হবে এখন শুধু নাম ঠিকানা লিখে রেখেছে। এমন বাল্যবিবাহ আশে পাশে আরো বেশ কয়েকজনকে দিয়েছেন এই কাজী।  

জোনাকীর মা বলেন, তার স্বামী জানিক মন্ডল বিদেশ প্রবাসী। দুই সন্তানের মধ্যে জোনাকী ছোট। স্থানীয় পারমথুরাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে বাদ দিয়ে দেয়। মেয়ের বয়স ১৬ বছর হলেও দেখতে বড় হয়েছে আর যেহেতু লেখাপড়া করে না তাই সরকারী কাজীর মাধ্যমে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে কোন সমস্যা নেই মেয়ে এখন শশুর বাড়িতে ঘর সংসার করছে বলেও জানান তিনি।

অভিযুক্ত কাজী মোঃ আ: সোবহান জানান, চেয়ারম্যান মেম্বরের সাথে কথা বলেই বিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিয়ের সময় কোন কাজপত্র দেখাতে পারেনি। রেজিষ্ট্রি বইয়ে শুধু নাম ঠিকানা লিখা হয়েছে বাকি জায়গাগুলো পূরন করা হয়নি বলেও স্বীকার করেন কাজী সোবহান। তাই পরে কাগজ পত্র ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ঠিক করে দিলে বিয়ের রেজিষ্ট্রি করা হবে, না হলে রেজিষ্ট্রি  করা হবে না।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া জেরিন জানান, লিখিত কোন অভিযোগ কেউ দেয়নি। তবে সাংবাদিকদের মাধ্যমে শুনেছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ঝিনাইদহ জেলা রেজিস্ট্রার সাব্বির আহমেদ জানান, সরকারী তালিকাভূক্ত কাজী ১৬ বছরের একটি মেয়েকে মৌলভী দিয়ে বিবাহ পড়িয়েছে কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তীতে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট জানিয়ে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যদি কাজী জড়িত থাকে প্রমানিত হলে তার রেজিস্ট্রি বাতিল করা হবে বলে জেলা রেজিস্ট্রার জানান।