সাভারে জাল টাকার কারখানা, মালিকসহ আটক ৩
এস এম মনিরুল ইসলাম, সাভার
২৪ মে, ২০২৩, 4:13 PM
সাভারে জাল টাকার কারখানা, মালিকসহ আটক ৩
ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নে একটি পোশাক কারখানার ভেতরে জাল টাকার কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযান পরিচালনা করে ৩ জনকে আটক করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এসময় জালটাকা তৈরির বেশকিছু সরঞ্জামাদি জব্দসহ কোটি টাকারও বেশি জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে বনগাঁও ইউনিয়নের সাদাপুরের পুরাতন বাড়ির বছির বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে সাখাওয়াত হোসেন খানের মালিকানাধিন সাউথ বেঙ্গল এপারেলস'র ভেতরে মূল অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় সাবেক এক ব্যাংক কর্মকর্তাও জড়িত আছে বলে জানা গেছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কারখানাটিতে অভিযান শুরু করে পুলিশ৷
আটককৃতরা হলেন, বরিশাল জেলার মুলাদী থানার ডিগ্রীরচর খান বাড়ির জয়নাল আবেদীন খানের ছেলে জাল টাকা তৈরি কারখানার মালিক সাখাওয়াত হোসেন খান (৪৫), শরিয়তপুর জেলার পালং থানার গয়াধর গ্রামের আল ইসলাম সরদারের ছেলে সুজন মিয়া (৩০) ও বরিশাল জেলার মুলাদী থানার বয়াতিকান্দি গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন (২৪)।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন থেকে কারখানাটি পরিচালনা করছেন সাখাওয়াত হোসেন খান নামের ওই ব্যক্তি। তবে স্থানীয়রা এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা কারখানাটি পোশাক কারখানা হিসেবেই জানি। পোশাক কারখানার আড়ালে সেখানে জাল টাকার কারখানা রয়েছে তা আজ পুলিশের অভিযানের পর জানতে পারেন বলে স্থানীয়দের দাবী।
অভিযান শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান পিপিএম বলেন, আজ সকালে সাভারের অন্ধ মার্কেটের সামনে থেকে জাল টাকা দিয়ে লিচু কিনতে গেলে দোকানদারসহ স্থানীয়রা জাল নোট শানাক্ত করে ও একজনকে আটক করে সাভার থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ আটক ব্যক্তিকে নিয়ে সাভারের বনগাঁও এর সাধাপুর পুরানবাড়ি এলাকার ওই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে। এরপর সম্পূর্ণ প্রস্তুত ৫০ লাখ নকল টাকা ও আরও প্রিন্ট অবস্থায় ৫০ লাখেরও বেশি টাকার সন্ধান পায়। পরে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে কারখানার সব জাল টাকা উদ্ধারসহ তিনজনকে আটক করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গার্মেন্টসটির অভ্যান্তরে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তাসহ কয়েকজনের সহায়তায় জাল নোট তৈরির কারখানা গড়ে তোলা হয়। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে গরুর হাটে এই জাল নোট ব্যবহার করে বিপুল অর্থের মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন তারা। তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
অভিযান পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লা হিল কাফী, সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা, ওসি ইনটেলিজেন্ট আব্দুল্লা বিশ্বাস প্রমুখ।
এস এম মনিরুল ইসলাম, সাভার
২৪ মে, ২০২৩, 4:13 PM
ঢাকার অদূরে সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়নে একটি পোশাক কারখানার ভেতরে জাল টাকার কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযান পরিচালনা করে ৩ জনকে আটক করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এসময় জালটাকা তৈরির বেশকিছু সরঞ্জামাদি জব্দসহ কোটি টাকারও বেশি জাল টাকা উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে বনগাঁও ইউনিয়নের সাদাপুরের পুরাতন বাড়ির বছির বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে সাখাওয়াত হোসেন খানের মালিকানাধিন সাউথ বেঙ্গল এপারেলস'র ভেতরে মূল অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় সাবেক এক ব্যাংক কর্মকর্তাও জড়িত আছে বলে জানা গেছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কারখানাটিতে অভিযান শুরু করে পুলিশ৷
আটককৃতরা হলেন, বরিশাল জেলার মুলাদী থানার ডিগ্রীরচর খান বাড়ির জয়নাল আবেদীন খানের ছেলে জাল টাকা তৈরি কারখানার মালিক সাখাওয়াত হোসেন খান (৪৫), শরিয়তপুর জেলার পালং থানার গয়াধর গ্রামের আল ইসলাম সরদারের ছেলে সুজন মিয়া (৩০) ও বরিশাল জেলার মুলাদী থানার বয়াতিকান্দি গ্রামের মানিক মোল্লার ছেলে নাজমুল হোসেন (২৪)।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন থেকে কারখানাটি পরিচালনা করছেন সাখাওয়াত হোসেন খান নামের ওই ব্যক্তি। তবে স্থানীয়রা এ প্রতিবেদককে বলেন, আমরা কারখানাটি পোশাক কারখানা হিসেবেই জানি। পোশাক কারখানার আড়ালে সেখানে জাল টাকার কারখানা রয়েছে তা আজ পুলিশের অভিযানের পর জানতে পারেন বলে স্থানীয়দের দাবী।
অভিযান শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান পিপিএম বলেন, আজ সকালে সাভারের অন্ধ মার্কেটের সামনে থেকে জাল টাকা দিয়ে লিচু কিনতে গেলে দোকানদারসহ স্থানীয়রা জাল নোট শানাক্ত করে ও একজনকে আটক করে সাভার থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ আটক ব্যক্তিকে নিয়ে সাভারের বনগাঁও এর সাধাপুর পুরানবাড়ি এলাকার ওই কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে। এরপর সম্পূর্ণ প্রস্তুত ৫০ লাখ নকল টাকা ও আরও প্রিন্ট অবস্থায় ৫০ লাখেরও বেশি টাকার সন্ধান পায়। পরে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করে কারখানার সব জাল টাকা উদ্ধারসহ তিনজনকে আটক করা হয়।
তিনি আরও বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গার্মেন্টসটির অভ্যান্তরে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তাসহ কয়েকজনের সহায়তায় জাল নোট তৈরির কারখানা গড়ে তোলা হয়। আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে গরুর হাটে এই জাল নোট ব্যবহার করে বিপুল অর্থের মালিক হওয়ার স্বপ্ন দেখছিলেন তারা। তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
অভিযান পরিচালনার সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লা হিল কাফী, সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ দীপক চন্দ্র সাহা, ওসি ইনটেলিজেন্ট আব্দুল্লা বিশ্বাস প্রমুখ।