শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

মোরেলগঞ্জে লাম্পি স্কিন রোগে ৩৫ হাজার গরু আক্রান্ত ওষুধ সরবরাহ নেই প্রাণীসম্পদ অফিস

#
news image

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এলএসডি (লাম্পি স্কিন ডিজিজ) রোগে গরু মরতে শুরু করেছে। ছোয়াচে এ চর্মরোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। গত এক মাসে উপজেলার ১২০টি খামারে মধ্যে ৩০টি খামারে এ রোগ ছড়িয়েছে।

এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হাজার গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে ১৩৫ টি গরু। ওষুধ সংকটে দিন দিন গরু মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েইে চলছে। এই মুহুর্তে ১০ হাজার ডোজ গোটপক্স ভ্যাক্সিনের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু গত ৩ মাসে এখানে সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ৫০ ডোজ ভ্যাক্সিন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেরেলগঞ্জ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. ইউনুছ আলী।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশে এ রোগের কোন ওষুধ নেই। তবে, গোট পক্স বা ছাগলের পক্স রোগের ওষুধ গরুর শরীরে প্রয়োগ করে গরু বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। সে ওষুধেরও সরবরাহ নেই বললেই চলে। ফলে ‘লাম্পি স্কিন’ রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে গরুর মালিক, কৃষক ও খামার মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এ উপজেলা মোরেলগঞ্জে গবাদি পশু রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা ৭৫-৮০ হাজার। ছাগল রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। ছাগলের পক্স রোগের প্রতিষেধক ভ্যাক্সিন ‘ভাইরাক্স’ এর সাথে আরও কিছু ওষুধ প্রয়োগ করে ‘লাম্পি স্কিন’ রোগ থেকে গরু বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। পল্লীমঙ্গল গ্রামের সুজন হালদার বলেন, তার দুটি গরু আক্রান্ত হয়েছে কিন্তু ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে পারেননি। অনেক খামারি এভাবে ওষুধ সংকটে ভূগছেন।

এ সম্পর্কে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. ইউনুছ আলী বলেন, ভাইরাসজনিত চর্ম রোগ (এলএসডি) মশা, মাছি থেকে বেশি ছাড়াচ্ছে। আক্রান্ত গরুর সংস্পর্শে থাকলেও অন্য গরু আক্রান্ত হবে। এ রোগের কোন নির্দিষ্ট ওষুধ নেই। আপাতত ছাগলের পক্স রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত ‘ভাইরাক্স’ ওষুধটি গরুর এ চর্ম রোগের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। বৃষ্টি না থাকায় এবং অতিরিক্ত গরমে এ রোগ দ্রুত ছড়াচ্ছে।

ডা. ইউনুছ আলী আরও বলেন, মারেলগঞ্জে এখন ৪৫% বা প্রায় ৩৫ হাজার গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত হবার ২-১ দিনের মধ্যেই চিকিৎসা শুরু করতে না পারলে গরু মারা যাবার সম্ভাবনা বেশি। এ রোগের চিকিৎসার জন্য মোরেলগঞ্জে এই মুহুর্তে ১০ হাজার ডোজ গোটপক্স ভ্যাক্সিনের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সরবরাহ নেই। গত ৩ মাসে এখানে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৫০ ডোজ।

বিএম. মাহবুব, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট)

২১ মে, ২০২৩,  6:10 PM

news image

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এলএসডি (লাম্পি স্কিন ডিজিজ) রোগে গরু মরতে শুরু করেছে। ছোয়াচে এ চর্মরোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। গত এক মাসে উপজেলার ১২০টি খামারে মধ্যে ৩০টি খামারে এ রোগ ছড়িয়েছে।

এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ হাজার গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। মারা গেছে ১৩৫ টি গরু। ওষুধ সংকটে দিন দিন গরু মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েইে চলছে। এই মুহুর্তে ১০ হাজার ডোজ গোটপক্স ভ্যাক্সিনের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু গত ৩ মাসে এখানে সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ৫০ ডোজ ভ্যাক্সিন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেরেলগঞ্জ উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. ইউনুছ আলী।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশে এ রোগের কোন ওষুধ নেই। তবে, গোট পক্স বা ছাগলের পক্স রোগের ওষুধ গরুর শরীরে প্রয়োগ করে গরু বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। সে ওষুধেরও সরবরাহ নেই বললেই চলে। ফলে ‘লাম্পি স্কিন’ রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে গরুর মালিক, কৃষক ও খামার মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এ উপজেলা মোরেলগঞ্জে গবাদি পশু রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা ৭৫-৮০ হাজার। ছাগল রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। ছাগলের পক্স রোগের প্রতিষেধক ভ্যাক্সিন ‘ভাইরাক্স’ এর সাথে আরও কিছু ওষুধ প্রয়োগ করে ‘লাম্পি স্কিন’ রোগ থেকে গরু বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। পল্লীমঙ্গল গ্রামের সুজন হালদার বলেন, তার দুটি গরু আক্রান্ত হয়েছে কিন্তু ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে পারেননি। অনেক খামারি এভাবে ওষুধ সংকটে ভূগছেন।

এ সম্পর্কে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. ইউনুছ আলী বলেন, ভাইরাসজনিত চর্ম রোগ (এলএসডি) মশা, মাছি থেকে বেশি ছাড়াচ্ছে। আক্রান্ত গরুর সংস্পর্শে থাকলেও অন্য গরু আক্রান্ত হবে। এ রোগের কোন নির্দিষ্ট ওষুধ নেই। আপাতত ছাগলের পক্স রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত ‘ভাইরাক্স’ ওষুধটি গরুর এ চর্ম রোগের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। বৃষ্টি না থাকায় এবং অতিরিক্ত গরমে এ রোগ দ্রুত ছড়াচ্ছে।

ডা. ইউনুছ আলী আরও বলেন, মারেলগঞ্জে এখন ৪৫% বা প্রায় ৩৫ হাজার গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্ত হবার ২-১ দিনের মধ্যেই চিকিৎসা শুরু করতে না পারলে গরু মারা যাবার সম্ভাবনা বেশি। এ রোগের চিকিৎসার জন্য মোরেলগঞ্জে এই মুহুর্তে ১০ হাজার ডোজ গোটপক্স ভ্যাক্সিনের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সরবরাহ নেই। গত ৩ মাসে এখানে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৫০ ডোজ।