গণতন্ত্রগামী মানুষকে হত্যা করে ক্ষমতায় বসে আছে সরকার: মির্জা ফখরুল
নাগরিক প্রতিবেদক
০১ মে, ২০২৩, 6:58 PM
গণতন্ত্রগামী মানুষকে হত্যা করে ক্ষমতায় বসে আছে সরকার: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই অবৈধ সরকার যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, তারা মানুষকে বোকা বানিয়ে গণতন্ত্রগামী মানুষকে হত্যা করে, গুম করে, খুন করে, জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। আওয়ামী লীগ গোটা দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এদের পরাজিত করতে হবে।
সোমবার (১ মে) বিকেলে মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে শ্রমিক দল আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে বিএনপি, শ্রমিকদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আবার সেই পুরনো কাদায় তারা (আওয়ামী লীগ) আরেকটি নির্বাচন করতে চায়। মানুষ যেন ভোট দিতে না পারে, ভোট চুরি করে যেন ক্ষমতায় আসতে পারে এবং তারা যেন আবার ক্ষমতা দখল করতে পারে সেজন্য এখন থেকে তারা হুমকি দিয়ে জনগণকে ভয় দেখাতে চায়।
আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হুমকি দেন- অগ্নিসন্ত্রাস করতে দেওয়া হবে না, অথচ অগ্নিসন্ত্রাস করেন আপনারা। নিজেরা অগ্নিসন্ত্রাস করে বিএনপির ওপর দোষ চাপান। বাসের মধ্যে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে বিএনপির ঘাড়ে দায় চাপান। রাজধানীর গুলিস্তানে পিটিয়ে পিটিয়ে মানুষকে হত্যা করেছেন আপনারা।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে গোটা দেশকে কারাগারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছে। আমাদের স্বাধীনতার সমস্ত স্বপ্ন ভেঙে তছনছ করেছে এই আওয়ামী লীগ।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল। তারই পুনরাবৃত্তিতে আবার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়। এই সরকার কৃষক বিরোধী সরকার, এই সরকার শ্রমিক বিরোধী সরকার, এই সরকার গণবিরোধী সরকার, জনগণের সাথে এ সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আজ আমাদের নিজেদের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে, শ্রমিকের স্বার্থে, কৃষকের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা গণতন্ত্রের স্বার্থে- ১০ দফা কর্মসূচি দিয়েছি। এর প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং একটি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করে তাদের মাধ্যমে নির্বাচন হবে। জনগণের সরকার, শ্রমিকদের সরকার, কৃষকদের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের মনে রাখতে হবে এই লড়াই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। লড়াইয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হবে আগামী দিনে বাংলাদেশ স্বাধীন থাকবে কি-না, দেশের মানুষ মুক্ত থাকবে কি-না। এই লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই, স্বাধীনতার লড়াই। এই লড়াই দেশনেত্রীকে মুক্ত করার লড়াই, এই লড়াই তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার লড়াই।
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ, মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক প্রমুখ।
নাগরিক প্রতিবেদক
০১ মে, ২০২৩, 6:58 PM
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এই অবৈধ সরকার যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি, তারা মানুষকে বোকা বানিয়ে গণতন্ত্রগামী মানুষকে হত্যা করে, গুম করে, খুন করে, জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে। আওয়ামী লীগ গোটা দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এদের পরাজিত করতে হবে।
সোমবার (১ মে) বিকেলে মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে শ্রমিক দল আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে বিএনপি, শ্রমিকদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আবার সেই পুরনো কাদায় তারা (আওয়ামী লীগ) আরেকটি নির্বাচন করতে চায়। মানুষ যেন ভোট দিতে না পারে, ভোট চুরি করে যেন ক্ষমতায় আসতে পারে এবং তারা যেন আবার ক্ষমতা দখল করতে পারে সেজন্য এখন থেকে তারা হুমকি দিয়ে জনগণকে ভয় দেখাতে চায়।
আওয়ামী লীগের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, হুমকি দেন- অগ্নিসন্ত্রাস করতে দেওয়া হবে না, অথচ অগ্নিসন্ত্রাস করেন আপনারা। নিজেরা অগ্নিসন্ত্রাস করে বিএনপির ওপর দোষ চাপান। বাসের মধ্যে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে বিএনপির ঘাড়ে দায় চাপান। রাজধানীর গুলিস্তানে পিটিয়ে পিটিয়ে মানুষকে হত্যা করেছেন আপনারা।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে গোটা দেশকে কারাগারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছে। আমাদের স্বাধীনতার সমস্ত স্বপ্ন ভেঙে তছনছ করেছে এই আওয়ামী লীগ।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিল। তারই পুনরাবৃত্তিতে আবার একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। তারা জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়। এই সরকার কৃষক বিরোধী সরকার, এই সরকার শ্রমিক বিরোধী সরকার, এই সরকার গণবিরোধী সরকার, জনগণের সাথে এ সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।
বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আজ আমাদের নিজেদের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে, শ্রমিকের স্বার্থে, কৃষকের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা গণতন্ত্রের স্বার্থে- ১০ দফা কর্মসূচি দিয়েছি। এর প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে এবং একটি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করে তাদের মাধ্যমে নির্বাচন হবে। জনগণের সরকার, শ্রমিকদের সরকার, কৃষকদের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের মনে রাখতে হবে এই লড়াই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লড়াই। লড়াইয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হবে আগামী দিনে বাংলাদেশ স্বাধীন থাকবে কি-না, দেশের মানুষ মুক্ত থাকবে কি-না। এই লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই, স্বাধীনতার লড়াই। এই লড়াই দেশনেত্রীকে মুক্ত করার লড়াই, এই লড়াই তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার লড়াই।
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ, মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদীন ফারুক প্রমুখ।