কাশিয়ানীতে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হলো‘কোটিপতি শাহজাহান
এম এ জামান, কাশিয়ানী (গোপালগঞ্)
০৯ এপ্রিল, ২০২৩, 10:14 PM
কাশিয়ানীতে অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব হলো‘কোটিপতি শাহজাহান
গোপালগঞ্জ কাশিয়ানী উপজেলার শাহজাহান মুন্সী দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ওয়ার্কশপের ব্যবসা করে আসছিলেন। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পুঁজি আর ৭২ লাখ টাকা ব্যাংক লোন নিয়ে গড়ে তুলেছেন ওয়ার্কসপের দোকান। এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে আরও বড় স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি।
কিন্তু গত ২৩শে মার্চ ভোরে কাশিয়ানী সদর বাজারে প্রতিষ্ঠিত মেসার্স খালেক এন্টারপ্রাইজ এন্ড শাহাজাহান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ টি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন ধরে পথে বসিয়েছেন শাহজাহানকে ।তার ভবিষ্যৎ সেই সুখের স্বপ্ন ,মুহূর্তের মধ্যে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়ে গেল সেদিন।
ঐদিন দুপুরে কাশিয়ানী উপজেলা প্রেসক্লাবে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিঃস্ব পঙ্গু ব্যবসায়ী শাহজাহান মুন্সী। তিনি বলেন, ‘আমি আজ দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে অনেক কষ্ট করে তিলে তিলে দোকানটি করেছি। দোকানটি আরও বড় করতে ব্যাংক থেকেও ঋণ নিয়েছিলাম। সব পুড়ে গেছে, আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমার বেঁচে থাকার শেষ সম্বলও হারিয়ে গেলো আজ।’
সরেজমিনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শাহজাহানের দোকানটিতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে ভাটিয়াপাড়া ফায়ার ষ্টেশন সার্ভিসকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এরআগেই মুহূর্তের মধ্যেই সব পুড়ে যায়। সেখানে ছিল নগদ দেড় লাখ টাকা, মেশিন ও আসবাবপত্র। সব মিলে প্রায় কোটি টাকার ওপরে ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্থ ওই ব্যবসায়ীর।
এ দোকানে পাঁচজন লোকের কর্মসংস্থান ছিল, জীবিকা নির্ভর ছিল পাঁচটি পরিবারের সদস্যদের। আজ তাদের দির্ঘনিস্বাস ও হাঁ হাঁ কার । অগ্নিকাণ্ড তাদের সবাইকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। একদিন আগেও যিনি কোটিপতি ব্যবসায়ী ছিলেন, সকাল না হতে সেই ব্যবসায়ী হলেন পথের ফকির ।
কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া ফায়ার ষ্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেছার উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করি। এতে দোকানের মেশিন ও আসবাবপত্র পুড়ে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান অগ্নিকান্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী শাহজাহানকে সাহায্যের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালীদেরও ক্ষতিগ্রস্থ শাহজাহানের পাশ দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’
এম এ জামান, কাশিয়ানী (গোপালগঞ্)
০৯ এপ্রিল, ২০২৩, 10:14 PM
গোপালগঞ্জ কাশিয়ানী উপজেলার শাহজাহান মুন্সী দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ওয়ার্কশপের ব্যবসা করে আসছিলেন। দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পুঁজি আর ৭২ লাখ টাকা ব্যাংক লোন নিয়ে গড়ে তুলেছেন ওয়ার্কসপের দোকান। এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে আরও বড় স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি।
কিন্তু গত ২৩শে মার্চ ভোরে কাশিয়ানী সদর বাজারে প্রতিষ্ঠিত মেসার্স খালেক এন্টারপ্রাইজ এন্ড শাহাজাহান ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপ টি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন ধরে পথে বসিয়েছেন শাহজাহানকে ।তার ভবিষ্যৎ সেই সুখের স্বপ্ন ,মুহূর্তের মধ্যে দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়ে গেল সেদিন।
ঐদিন দুপুরে কাশিয়ানী উপজেলা প্রেসক্লাবে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিঃস্ব পঙ্গু ব্যবসায়ী শাহজাহান মুন্সী। তিনি বলেন, ‘আমি আজ দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে অনেক কষ্ট করে তিলে তিলে দোকানটি করেছি। দোকানটি আরও বড় করতে ব্যাংক থেকেও ঋণ নিয়েছিলাম। সব পুড়ে গেছে, আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমার বেঁচে থাকার শেষ সম্বলও হারিয়ে গেলো আজ।’
সরেজমিনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, শাহজাহানের দোকানটিতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে ভাটিয়াপাড়া ফায়ার ষ্টেশন সার্ভিসকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। এরআগেই মুহূর্তের মধ্যেই সব পুড়ে যায়। সেখানে ছিল নগদ দেড় লাখ টাকা, মেশিন ও আসবাবপত্র। সব মিলে প্রায় কোটি টাকার ওপরে ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্থ ওই ব্যবসায়ীর।
এ দোকানে পাঁচজন লোকের কর্মসংস্থান ছিল, জীবিকা নির্ভর ছিল পাঁচটি পরিবারের সদস্যদের। আজ তাদের দির্ঘনিস্বাস ও হাঁ হাঁ কার । অগ্নিকাণ্ড তাদের সবাইকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। একদিন আগেও যিনি কোটিপতি ব্যবসায়ী ছিলেন, সকাল না হতে সেই ব্যবসায়ী হলেন পথের ফকির ।
কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়া ফায়ার ষ্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেছার উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করি। এতে দোকানের মেশিন ও আসবাবপত্র পুড়ে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে।’
কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মেহেদী হাসান অগ্নিকান্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী শাহজাহানকে সাহায্যের জন্য আবেদন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সমাজের বিত্তশালীদেরও ক্ষতিগ্রস্থ শাহজাহানের পাশ দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’