শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

সুনামগঞ্জে পৃথক দুটি মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড, দুই জনের যাবজ্জীবন

#
news image

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে স্ত্রীকে যৌতুকের দাবিতে মারপিট করে মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগে স্বামী মো রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত। স্বামী  মো রাসেল মিয়া জামালগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের সফিক মিয়ার ছেলে। বৃহ¯পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন এ রায় দেন। আদালত সুত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের রেছনা বেগম এর মেয়ে মনমালা বেগমের বিয়ে হয় মো রাসেল মিয়ার সাথে।

বিবাহের পরে আসামী মোঃ রাসেল মিয়া মহনমালাকে ঘর সংসার করতে থাকেন। ঘর-সংসার করাকালে প্রায়ই আসামী মোঃ রাসেল মিয়া স্ত্রীর নিকট যৌতুক দাবী করে তাকে নির্যাতন শুরু করে। এ নিয়ে স্ত্রী আদালতে একটি মামলাও দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর আসামী মোঃ রাসেল মিয়া আর যৌতুক দাবী করবে না ও নির্যাতন করবে না মর্মে অঙ্গীকার করে বাড়িতে নিয়ে যায়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই স্বামী যৌতুক দাবী করে আবারো নির্যাতন শুরু করে। গত ২৮.০৬.২০১৮ইং তারিখ ভিকটিম মহনমালাকে স্বামীর ঘর থেকে মৃত উদ্ধার করা হয়। ভিকটিমের গলায় ও ঠোঁটে জখমের চিহ্ন দেখা যায় এবং নাক দিয়ে রক্ত ও মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকে।

পরে তার আত্মীয় স্বজন খবর পেয়ে বাড়িতে গেলে রাসেল পালিয়ে যায়। পরে মহনমালার মা বাদী হয়ে জামালগঞ্জ থানায়  আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারকার্য শেষে স্বামী রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় আদালত স্বামী মো রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদন্ড দেন। এদিকে বিশ্বম্ভপুর উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলায় আসামি খলিল আহমেদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নান্টু রায়।

অরুন চক্রবর্তী, সুনামগঞ্জ

৩১ মার্চ, ২০২৩,  10:30 AM

news image

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে স্ত্রীকে যৌতুকের দাবিতে মারপিট করে মৃত্যু ঘটানোর অভিযোগে স্বামী মো রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত। স্বামী  মো রাসেল মিয়া জামালগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের সফিক মিয়ার ছেলে। বৃহ¯পতিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন এ রায় দেন। আদালত সুত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের রেছনা বেগম এর মেয়ে মনমালা বেগমের বিয়ে হয় মো রাসেল মিয়ার সাথে।

বিবাহের পরে আসামী মোঃ রাসেল মিয়া মহনমালাকে ঘর সংসার করতে থাকেন। ঘর-সংসার করাকালে প্রায়ই আসামী মোঃ রাসেল মিয়া স্ত্রীর নিকট যৌতুক দাবী করে তাকে নির্যাতন শুরু করে। এ নিয়ে স্ত্রী আদালতে একটি মামলাও দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর আসামী মোঃ রাসেল মিয়া আর যৌতুক দাবী করবে না ও নির্যাতন করবে না মর্মে অঙ্গীকার করে বাড়িতে নিয়ে যায়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই স্বামী যৌতুক দাবী করে আবারো নির্যাতন শুরু করে। গত ২৮.০৬.২০১৮ইং তারিখ ভিকটিম মহনমালাকে স্বামীর ঘর থেকে মৃত উদ্ধার করা হয়। ভিকটিমের গলায় ও ঠোঁটে জখমের চিহ্ন দেখা যায় এবং নাক দিয়ে রক্ত ও মুখ দিয়ে ফেনা বের হতে থাকে।

পরে তার আত্মীয় স্বজন খবর পেয়ে বাড়িতে গেলে রাসেল পালিয়ে যায়। পরে মহনমালার মা বাদী হয়ে জামালগঞ্জ থানায়  আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারকার্য শেষে স্বামী রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় আদালত স্বামী মো রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদন্ড দেন। এদিকে বিশ্বম্ভপুর উপজেলায় এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলায় আসামি খলিল আহমেদকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জাকির হোসেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নান্টু রায়।