রাজশাহীর দুর্গাপুরে কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার

#
news image

রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিশাল আকৃতির একটি কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করেছে থানার পুলিশ। ২৮ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের একটি পুকুর থেকে এ মূর্তি উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, দুপুরে গোপালপুর গ্রামের রাশেদুল হক মাষ্টারের জমিতে পুকুর খননের কাজ চলছিলো। ভেকু মেশিন দিয়ে খননের এক পর্যায়ে গভীর থেকে মাটির টানে মূর্তিটি উঠে আসে। পরে প্রশাসনকে খবর দিলে পুলিশ এসে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

স্থানীয়রা ধারনা করছে, পূর্বে এই এলাকায় প্রাচীন জমিদারদের বসবাস ছিলো। তাই এটি তাদেরই ব্যবহৃত মূর্তি হতে পারে।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক মূর্তি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, ধারনা করা হচ্ছে এটি অনেক প্রাচীন ও পাথরের তৈরি মূর্তি। তবে মূর্তিটি কত কেজি এখনো ওজন দেওয়া হয়নি। 

ধারনা করা হচ্ছে ৪০ কেজি বা তারও বেশি ওজন হবে। আমরা এই মূর্তিটি হস্তান্তরের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। তারাই পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বলতে পারবে এটি কিসের তৈরি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল রানা বলেন, প্রথমে ঐ এলাকা থেকে মূর্তি উদ্ধারের খবর পাই। পরে আমি নিজে ও থানার ওসি সহ মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে আসি। মূর্তিটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রয়েছে। নিয়ম মাফিক মূল্যবান মূর্তিটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

মোঃ ইসরাফিল হোসেন, রাজশাহী

২৯ মার্চ, ২০২৩,  7:19 PM

news image

রাজশাহীর দুর্গাপুরে বিশাল আকৃতির একটি কষ্টি পাথরের বিষ্ণু মূর্তি উদ্ধার করেছে থানার পুলিশ। ২৮ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের একটি পুকুর থেকে এ মূর্তি উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, দুপুরে গোপালপুর গ্রামের রাশেদুল হক মাষ্টারের জমিতে পুকুর খননের কাজ চলছিলো। ভেকু মেশিন দিয়ে খননের এক পর্যায়ে গভীর থেকে মাটির টানে মূর্তিটি উঠে আসে। পরে প্রশাসনকে খবর দিলে পুলিশ এসে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

স্থানীয়রা ধারনা করছে, পূর্বে এই এলাকায় প্রাচীন জমিদারদের বসবাস ছিলো। তাই এটি তাদেরই ব্যবহৃত মূর্তি হতে পারে।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক মূর্তি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে মূর্তিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। তিনি বলেন, ধারনা করা হচ্ছে এটি অনেক প্রাচীন ও পাথরের তৈরি মূর্তি। তবে মূর্তিটি কত কেজি এখনো ওজন দেওয়া হয়নি। 

ধারনা করা হচ্ছে ৪০ কেজি বা তারও বেশি ওজন হবে। আমরা এই মূর্তিটি হস্তান্তরের জন্য প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। তারাই পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বলতে পারবে এটি কিসের তৈরি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল রানা বলেন, প্রথমে ঐ এলাকা থেকে মূর্তি উদ্ধারের খবর পাই। পরে আমি নিজে ও থানার ওসি সহ মূর্তিটি উদ্ধার করে নিয়ে আসি। মূর্তিটি উদ্ধার করে থানা হেফাজতে রয়েছে। নিয়ম মাফিক মূল্যবান মূর্তিটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।