আমরা ত্রাণ চাইনা, খাল খনন করে মিঠা পানি দেন

#
news image

আমরা ত্রাণ চাই না,খাল খনন করে মিঠা পানি দেন'। তাইলে আমরা কৃষি উৎপাদন করেই বাঁচতে পারবো। এরকম একাধিক ফেষ্টুন ও ব্যানার হাতে নিয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা ক্লোজার খাল খননের দাবিতে মানববন্ধন সমাবেশ করেছেন ওই ইউনিয়নের কৃষকরা। সোমবার দুপুরেওই খালের ভরাট অংশে দাঁড়িয়েতারা এ মানববন্ধন করেন। প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কৃষক জাকির হোসেন গাজী, উন্নয়ন কর্মী ইমন আল আহসান, কৃষক কুদ্দুস হাওলাদার প্রমুখ। কৃষকরা জানান, ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচশ ফুট প্রস্থ পাখিমারার এ খালটির দুই পাড়ের ১১ গ্রামের হাজারো কৃষক মিঠা পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সারা বছর সবজিসহ রবিশস্য, আমন ও বোরোধান আবাদ করে থাকেন। কিন্তু খালটির কুমিরমারা অংশের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকা ভরাট হয়ে গেছে। এখন সেখানে ফুটবল খেলার মাঠ হয়েছে। মানুষ মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করে। একারণে দুই পাড়ের কৃষকরা আবাদ করা বোরো ও রবিশস্যের ক্ষেতে সেচ দিতে পারছেন না। কৃষি কাজে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। কৃষকরা অবিলম্বে খালের ভরাট হওয়া অংশ খননের দাবি জানান। তারা আরো বলেন, সরকারিভাবে অনুমতি পেলে কৃষকরা নিজের উদ্যোগে খনন করে মিঠা পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন করতে পারবেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ আর এম সাইফুল্লাহ জানান, কৃষি উৎপাদনের স্বার্থে মিঠা পানি সংরক্ষণের জন্য খালটি খননের চেষ্টা চলছে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,কৃষকের স্বার্থে খালটি খননের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এস কে রঞ্জন, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)

২৮ মার্চ, ২০২৩,  2:18 PM

news image

আমরা ত্রাণ চাই না,খাল খনন করে মিঠা পানি দেন'। তাইলে আমরা কৃষি উৎপাদন করেই বাঁচতে পারবো। এরকম একাধিক ফেষ্টুন ও ব্যানার হাতে নিয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা ক্লোজার খাল খননের দাবিতে মানববন্ধন সমাবেশ করেছেন ওই ইউনিয়নের কৃষকরা। সোমবার দুপুরেওই খালের ভরাট অংশে দাঁড়িয়েতারা এ মানববন্ধন করেন। প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কৃষক জাকির হোসেন গাজী, উন্নয়ন কর্মী ইমন আল আহসান, কৃষক কুদ্দুস হাওলাদার প্রমুখ। কৃষকরা জানান, ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ পাঁচশ ফুট প্রস্থ পাখিমারার এ খালটির দুই পাড়ের ১১ গ্রামের হাজারো কৃষক মিঠা পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে সারা বছর সবজিসহ রবিশস্য, আমন ও বোরোধান আবাদ করে থাকেন। কিন্তু খালটির কুমিরমারা অংশের প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকা ভরাট হয়ে গেছে। এখন সেখানে ফুটবল খেলার মাঠ হয়েছে। মানুষ মোটরসাইকেল নিয়ে চলাচল করে। একারণে দুই পাড়ের কৃষকরা আবাদ করা বোরো ও রবিশস্যের ক্ষেতে সেচ দিতে পারছেন না। কৃষি কাজে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। কৃষকরা অবিলম্বে খালের ভরাট হওয়া অংশ খননের দাবি জানান। তারা আরো বলেন, সরকারিভাবে অনুমতি পেলে কৃষকরা নিজের উদ্যোগে খনন করে মিঠা পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন করতে পারবেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ আর এম সাইফুল্লাহ জানান, কৃষি উৎপাদনের স্বার্থে মিঠা পানি সংরক্ষণের জন্য খালটি খননের চেষ্টা চলছে। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান,কৃষকের স্বার্থে খালটি খননের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।