শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের উপহার ইট বালু রড চুরি করে নিজস্ব বাসভবন তৈরি 

#
news image

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর তৈরির মালামাল ইট বালু সিমেন্ট ও রড নানান জিনিস পত্র চুরি করে নিয়ে যায় প্রকল্পের পাশের বাড়ি আনন্দ কুমার দাস ও সুদেব কুমার দাস।

আনন্দ দাস তার তিন কক্ষ বিশিষ্ট ঘর নির্মাণ করে এবং প্রকল্পের মালামাল বিভিন্ন স্থানে রেখে দেয় সে স্বীকার করে নিজে। পাশের বাড়ির সুদেব কুমার তার চার কক্ষ বিশিষ্ট ঘরের যাবতীয় মালামাল আশ্রয়ন প্রকল্প থেকে চুরি করে সে তার ঘর নির্মাণ কাজ পরিচালনা করে এবং হাতেনাতে সেই মালামাল জব্দ করেন নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস,এবং সে তার ঘরের বার্থরুমের হাউজের ভেতর তিন হাজার ইট লুকিয়ে রাখে ও রান্না ঘরের ভিতর পয়তাল্লিশ বস্তা সিমেন্ট লুকিয়ে রাখে এবং বিভিন্ন স্থান থেকে ইট বালু ও রড পাওয়া যায়। 

এই বিষয়ে কলারোয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস সাংবাদিকদের কে বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আশ্রায়ন  প্রকল্পের আমাদের এই কাজে এখানে রড বালু সিমেন্ট কম পড়ে যাওয়ার কারনে বিষয় টা সন্দেহ জনক মনে হয়, তার পর তাৎক্ষণিক বিষয় টা আমলে নিয়ে তদন্তের কার্যাবলী পরিচালনা করি  বিষয়টা সত্যতা প্রমাণ হয় সকল মালামাল  তাদের নিজ গৃহে পাওয়া যায়। এবং তিনি সকল মালামাল জব্দ করে তাদের আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেবেন বলে সাংবাদিকদের  জানান।

সেলিম খান, কলারোয়া (সাতক্ষীরা)

০১ মার্চ, ২০২৩,  5:47 PM

news image

সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর তৈরির মালামাল ইট বালু সিমেন্ট ও রড নানান জিনিস পত্র চুরি করে নিয়ে যায় প্রকল্পের পাশের বাড়ি আনন্দ কুমার দাস ও সুদেব কুমার দাস।

আনন্দ দাস তার তিন কক্ষ বিশিষ্ট ঘর নির্মাণ করে এবং প্রকল্পের মালামাল বিভিন্ন স্থানে রেখে দেয় সে স্বীকার করে নিজে। পাশের বাড়ির সুদেব কুমার তার চার কক্ষ বিশিষ্ট ঘরের যাবতীয় মালামাল আশ্রয়ন প্রকল্প থেকে চুরি করে সে তার ঘর নির্মাণ কাজ পরিচালনা করে এবং হাতেনাতে সেই মালামাল জব্দ করেন নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস,এবং সে তার ঘরের বার্থরুমের হাউজের ভেতর তিন হাজার ইট লুকিয়ে রাখে ও রান্না ঘরের ভিতর পয়তাল্লিশ বস্তা সিমেন্ট লুকিয়ে রাখে এবং বিভিন্ন স্থান থেকে ইট বালু ও রড পাওয়া যায়। 

এই বিষয়ে কলারোয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাস সাংবাদিকদের কে বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আশ্রায়ন  প্রকল্পের আমাদের এই কাজে এখানে রড বালু সিমেন্ট কম পড়ে যাওয়ার কারনে বিষয় টা সন্দেহ জনক মনে হয়, তার পর তাৎক্ষণিক বিষয় টা আমলে নিয়ে তদন্তের কার্যাবলী পরিচালনা করি  বিষয়টা সত্যতা প্রমাণ হয় সকল মালামাল  তাদের নিজ গৃহে পাওয়া যায়। এবং তিনি সকল মালামাল জব্দ করে তাদের আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেবেন বলে সাংবাদিকদের  জানান।