শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

রামেকে  রোগীর স্বজনদের ‌‘সিগারেট’ থেকে  অগ্নিকাণ্ড

#
news image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রামেক হাসপাতলের তৃতীয় আগুন লাগে। তবে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ. এম. শামীম আহাম্মদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রামেক হাসপাতালের প্রথম ভবনের তৃতীয় তলার সিড়ির কাছে একটি স্টোর রুম আছে। সেখানে দুই রোগীর স্বজন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। ওই স্টোর রুমের কাচ একটু ফাঁকা ছিল। 

তারা সিগারেট খেয়ে সেখান দিয়ে ফেলে দেন। সেই আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছি। এখানে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কোনো সুযোগ নেই। তাই সিগারেট থেকেই আগুন লাগার আশঙ্কা বেশি।

তিনি বলেন, যেহেতু সেটি স্টোর রুম। তাই সেখানে নষ্ট বেডসিট থেকে শুরু করে সবকিছু রাখা হতো। মূলত সেখানে নষ্ট জিনিসপত্র থাকতো। এ কারণে অগ্নিকাণ্ডে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আব্দুর রউফ বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মোঃ ইসরাফিল হোসেন, রাজশাহী

০১ মার্চ, ২০২৩,  5:36 PM

news image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রামেক হাসপাতলের তৃতীয় আগুন লাগে। তবে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ. এম. শামীম আহাম্মদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রামেক হাসপাতালের প্রথম ভবনের তৃতীয় তলার সিড়ির কাছে একটি স্টোর রুম আছে। সেখানে দুই রোগীর স্বজন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। ওই স্টোর রুমের কাচ একটু ফাঁকা ছিল। 

তারা সিগারেট খেয়ে সেখান দিয়ে ফেলে দেন। সেই আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছি। এখানে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কোনো সুযোগ নেই। তাই সিগারেট থেকেই আগুন লাগার আশঙ্কা বেশি।

তিনি বলেন, যেহেতু সেটি স্টোর রুম। তাই সেখানে নষ্ট বেডসিট থেকে শুরু করে সবকিছু রাখা হতো। মূলত সেখানে নষ্ট জিনিসপত্র থাকতো। এ কারণে অগ্নিকাণ্ডে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আব্দুর রউফ বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।