শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

রামেকে  রোগীর স্বজনদের ‌‘সিগারেট’ থেকে  অগ্নিকাণ্ড

#
news image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রামেক হাসপাতলের তৃতীয় আগুন লাগে। তবে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ. এম. শামীম আহাম্মদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রামেক হাসপাতালের প্রথম ভবনের তৃতীয় তলার সিড়ির কাছে একটি স্টোর রুম আছে। সেখানে দুই রোগীর স্বজন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। ওই স্টোর রুমের কাচ একটু ফাঁকা ছিল। 

তারা সিগারেট খেয়ে সেখান দিয়ে ফেলে দেন। সেই আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছি। এখানে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কোনো সুযোগ নেই। তাই সিগারেট থেকেই আগুন লাগার আশঙ্কা বেশি।

তিনি বলেন, যেহেতু সেটি স্টোর রুম। তাই সেখানে নষ্ট বেডসিট থেকে শুরু করে সবকিছু রাখা হতো। মূলত সেখানে নষ্ট জিনিসপত্র থাকতো। এ কারণে অগ্নিকাণ্ডে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আব্দুর রউফ বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

মোঃ ইসরাফিল হোসেন, রাজশাহী

০১ মার্চ, ২০২৩,  5:36 PM

news image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রামেক হাসপাতলের তৃতীয় আগুন লাগে। তবে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ. এম. শামীম আহাম্মদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রামেক হাসপাতালের প্রথম ভবনের তৃতীয় তলার সিড়ির কাছে একটি স্টোর রুম আছে। সেখানে দুই রোগীর স্বজন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। ওই স্টোর রুমের কাচ একটু ফাঁকা ছিল। 

তারা সিগারেট খেয়ে সেখান দিয়ে ফেলে দেন। সেই আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করছি। এখানে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কোনো সুযোগ নেই। তাই সিগারেট থেকেই আগুন লাগার আশঙ্কা বেশি।

তিনি বলেন, যেহেতু সেটি স্টোর রুম। তাই সেখানে নষ্ট বেডসিট থেকে শুরু করে সবকিছু রাখা হতো। মূলত সেখানে নষ্ট জিনিসপত্র থাকতো। এ কারণে অগ্নিকাণ্ডে তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আব্দুর রউফ বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে আমাদের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।