শিরোনামঃ
পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল

প্রেমিকের ওপর অভিমানে তরুণীর আত্মহত্যা

#
news image

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলের একটি বাসা থেকে মোছা. লামিয়া আক্তার (২২) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, সোহাগ হোসাইন নামে এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল লামিয়ার। তার ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়েছে সে।

লামিয়া গাজীপুর সদরের মো. আলম বেপারীর মেয়ে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে মাতুয়াইলের আবদুল লতিফ কলেজের পাশের একটি বাসায় থাকতেন। আর সোহাগ পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

লামিয়ার মা সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার মেয়ে রাজধানী ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী। সোহাগ নামে এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সোহাগের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পরে অভিমান করে নিজের রুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

উপজেলা সংবাদদাতা

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  4:45 PM

news image

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইলের একটি বাসা থেকে মোছা. লামিয়া আক্তার (২২) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, সোহাগ হোসাইন নামে এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল লামিয়ার। তার ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়েছে সে।

লামিয়া গাজীপুর সদরের মো. আলম বেপারীর মেয়ে। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে মাতুয়াইলের আবদুল লতিফ কলেজের পাশের একটি বাসায় থাকতেন। আর সোহাগ পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্মরত বলে জানা গেছে।
বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

লামিয়ার মা সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার মেয়ে রাজধানী ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের শিক্ষার্থী। সোহাগ নামে এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সোহাগের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পরে অভিমান করে নিজের রুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।