শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

সীতাকুন্ডে জলোচ্ছ্বাসে ভেসে আসা অর্ধশত মহিষ উদ্ধার

#
news image

ঘুর্ণিঝড় সিত্রাং এর কারণে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে অর্ধশতাধিক মহিষ ভেসে এসেছে চট্টগ্রামের উপকুলীয় উপজেলা সীতাকুন্ডে। বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী সীতাকুন্ডের সোনাইছড়ি, মাদামবিবিরহাট ও কুমিরা এলাকার ৪/৫টি শিপইয়ার্ডে এসব মহিষ পানিতে ভেসে এসে পৌঁছায়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে শিপইয়ার্ডের কর্মচারি ও স্থানীয়রা মহিষগুলো উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয়। সীতাকুন্ড থানা পুলিশ মহিষ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের সাইনবোর্ড এলাকার সাগর পাড়ে বেশ কিছু মহিষকে পানিতে ভাসতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে মহিষগুলো উপরে উঠে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এর পর আরো কিছু মহিষের সন্ধান মেলে কুমিরার আকিলপুর ও মাদামবিবিরহাট সাগর উপকূলে। সব মিলিয়ে ৫০টিরও বেশি মহিষ উপকূলে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সীতাকুন্ডের কুমিরা মাদার স্টিল শিপইয়ার্ডের মালিক মাস্টার আবুল কাসেম বলেন, জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা কয়েকটি মহিষ উদ্ধার করে তার জিম্মায় রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীও কয়েকটি মহিষ উদ্ধার করেছে। সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির আহমেদ বলেন, চারটি ইয়ার্ডে প্রায় অর্ধশত মহিষ জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী ও মাহবুব আলম মহিষগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। স্থানীয়দের মধ্যে অনেকে মহিষ নিয়ে লুকোচুরি খেলার চেষ্টা করছে। কয়েক বছর আগেও কয়েকটি মহিষ জোয়ার পানিতে ভেসে এসেছিল। সেগুলো উদ্ধার করে নির্দিষ্ট তথ্যের মাধ্যমে মহিষের মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মহিষগুলো পাশের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ ও উরকিরচর এলাকা থেকে ভেসে আসতে পারে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলেন, ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে মহিষগুলো উপকূলীয় কোন ডেইরি ফার্ম অথবা চর এলাকা থেকে জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে। মহিষগুলো সংরক্ষণ করা হবে। যারা মালিকানা দাবি করবে তারা উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে মহিষগুলো নিয়ে যেতে পারবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ অক্টোবর, ২০২২,  11:49 PM

news image

ঘুর্ণিঝড় সিত্রাং এর কারণে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে অর্ধশতাধিক মহিষ ভেসে এসেছে চট্টগ্রামের উপকুলীয় উপজেলা সীতাকুন্ডে। বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী সীতাকুন্ডের সোনাইছড়ি, মাদামবিবিরহাট ও কুমিরা এলাকার ৪/৫টি শিপইয়ার্ডে এসব মহিষ পানিতে ভেসে এসে পৌঁছায়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে শিপইয়ার্ডের কর্মচারি ও স্থানীয়রা মহিষগুলো উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয়। সীতাকুন্ড থানা পুলিশ মহিষ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের সাইনবোর্ড এলাকার সাগর পাড়ে বেশ কিছু মহিষকে পানিতে ভাসতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে মহিষগুলো উপরে উঠে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এর পর আরো কিছু মহিষের সন্ধান মেলে কুমিরার আকিলপুর ও মাদামবিবিরহাট সাগর উপকূলে। সব মিলিয়ে ৫০টিরও বেশি মহিষ উপকূলে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সীতাকুন্ডের কুমিরা মাদার স্টিল শিপইয়ার্ডের মালিক মাস্টার আবুল কাসেম বলেন, জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা কয়েকটি মহিষ উদ্ধার করে তার জিম্মায় রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীও কয়েকটি মহিষ উদ্ধার করেছে। সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির আহমেদ বলেন, চারটি ইয়ার্ডে প্রায় অর্ধশত মহিষ জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী ও মাহবুব আলম মহিষগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন। স্থানীয়দের মধ্যে অনেকে মহিষ নিয়ে লুকোচুরি খেলার চেষ্টা করছে। কয়েক বছর আগেও কয়েকটি মহিষ জোয়ার পানিতে ভেসে এসেছিল। সেগুলো উদ্ধার করে নির্দিষ্ট তথ্যের মাধ্যমে মহিষের মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মহিষগুলো পাশের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ ও উরকিরচর এলাকা থেকে ভেসে আসতে পারে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলেন, ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে মহিষগুলো উপকূলীয় কোন ডেইরি ফার্ম অথবা চর এলাকা থেকে জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে। মহিষগুলো সংরক্ষণ করা হবে। যারা মালিকানা দাবি করবে তারা উপযুক্ত প্রমাণ দিয়ে মহিষগুলো নিয়ে যেতে পারবে।