শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

মেহেদি পরা অনেক ধৈর্যের বিষয়: পরীমনি

#
news image

বাংলা বছরের প্রথম দিনটি বাসায়ই কাটিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বাসায় থাকলেও দিনটি অন্যরকমভাবে উদযাপন করেছেন। কারণ গত বৃহস্পতিবার ঘটা করে মেহেদির রঙে দু’হাত রাঙান অন্তঃসত্ত্বা এই নায়িকা। যার কিছু স্থিরচিত্র ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।

দুটি ছবিতে দেখা যায়, পরীমনির দু’হাতে দুজন মেহেদি পরিয়ে দিচ্ছেন। আর হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, কেউ একজন পরীমনির হাতে মেহেদি পরিয়ে দিচ্ছেন; অন্যদিকে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পরেছেন পরীমনি। এভাবে মেহেদির রঙে নিজেকে রাঙানোর বিষয়ে পরীমনি বলেন, ‘ঘটা করে কোনো উৎসবে মেহেদি পরা এবারই প্রথম। ঘুম থেকে উঠে মনে হলো আজ দু’হাত ভরে মেহেদি পরা যায়! শুটিংয়ের তাড়া নেই। আর সাজুগুজুও করা হয় না কত দিন। আর এজন্য তো নেহা আপুকে চাই। তার সাথে আমার হ্যালো হয়েছিলো আরো চার বছর আগে জিমিকে দিয়ে। সেই থেকে মেহেদি পরবো পরবো করে এই আজ পরতে পারলাম!’ তবে মেহেদি পরার কাজটি অনেক ধৈর্যের বিষয়।

তা জানিয়ে পরীমনি বলেন, ‘মেহেদি পরা যে এত কঠিন ধৈর্যের ব্যাপার বিশ্বাস করো নেহা আপু আমি বুঝতেই পারিনি। যদি একটু বুঝতে পারতামৃ। বাবারে তোমাদের ধৈর্যের কথা চিন্তা করে নিজে একটু সান্ত্বনা পাই। তোমাদের অনেক জ¦ালিয়েছি, সরি। এত বেশি নড়াচড়া করি না কিন্তু আমি। সব দোষ তোমাদের অনাগত মাম্মাটার।’

প্রখ/ সাদ্দাম

 

প্রভাতী বিনোদন ডেস্ক

১৫ এপ্রিল, ২০২২,  7:29 AM

news image

বাংলা বছরের প্রথম দিনটি বাসায়ই কাটিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বাসায় থাকলেও দিনটি অন্যরকমভাবে উদযাপন করেছেন। কারণ গত বৃহস্পতিবার ঘটা করে মেহেদির রঙে দু’হাত রাঙান অন্তঃসত্ত্বা এই নায়িকা। যার কিছু স্থিরচিত্র ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।

দুটি ছবিতে দেখা যায়, পরীমনির দু’হাতে দুজন মেহেদি পরিয়ে দিচ্ছেন। আর হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন তিনি। আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, কেউ একজন পরীমনির হাতে মেহেদি পরিয়ে দিচ্ছেন; অন্যদিকে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পরেছেন পরীমনি। এভাবে মেহেদির রঙে নিজেকে রাঙানোর বিষয়ে পরীমনি বলেন, ‘ঘটা করে কোনো উৎসবে মেহেদি পরা এবারই প্রথম। ঘুম থেকে উঠে মনে হলো আজ দু’হাত ভরে মেহেদি পরা যায়! শুটিংয়ের তাড়া নেই। আর সাজুগুজুও করা হয় না কত দিন। আর এজন্য তো নেহা আপুকে চাই। তার সাথে আমার হ্যালো হয়েছিলো আরো চার বছর আগে জিমিকে দিয়ে। সেই থেকে মেহেদি পরবো পরবো করে এই আজ পরতে পারলাম!’ তবে মেহেদি পরার কাজটি অনেক ধৈর্যের বিষয়।

তা জানিয়ে পরীমনি বলেন, ‘মেহেদি পরা যে এত কঠিন ধৈর্যের ব্যাপার বিশ্বাস করো নেহা আপু আমি বুঝতেই পারিনি। যদি একটু বুঝতে পারতামৃ। বাবারে তোমাদের ধৈর্যের কথা চিন্তা করে নিজে একটু সান্ত্বনা পাই। তোমাদের অনেক জ¦ালিয়েছি, সরি। এত বেশি নড়াচড়া করি না কিন্তু আমি। সব দোষ তোমাদের অনাগত মাম্মাটার।’

প্রখ/ সাদ্দাম