শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

চূড়ান্ত বিচ্ছেদ: নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ঢাকার সাত সরকারি কলেজ

#
news image

আট বছরের দীর্ঘ পথচলার অবসান ঘটিয়ে ঢাকার সাত সরকারি কলেজের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সব ধরনের প্রশাসনিক, একাডেমিক ও আর্থিক সম্পর্ক চূড়ান্তভাবে ছিন্ন হলো। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) ঢাবি উপাচার্যের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব কলেজের সকল দায়িত্ব ও তথ্য প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ)-এর অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াসের কাছে হস্তান্তর করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

এর মাধ্যমে ২০১৭ সালে শুরু হওয়া সাত কলেজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যায় শেষ হয়ে গেল। উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান পৃথকীকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য কামনা করেন। দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ঢাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদসহ কলেজগুলোর অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ—এই সাত কলেজকে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। লক্ষ্য ছিল ভর্তি, পাঠ্যসূচি ও পরীক্ষা ঢাবির তত্ত্বাবধানে এনে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া অধিভুক্তি হওয়ায় প্রশাসনিক জটিলতা, সেশনজট, ফল প্রকাশে বিলম্ব, ত্রুটিপূর্ণ ফলাফলসহ নানা সংকট তৈরি হয়।

অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিক আন্দোলনে নামে, যা এ বছরের ২৭ জানুয়ারি ফলপ্রসূ হয়। ওইদিন ঢাবি উপাচার্য ঘোষণা দেন, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে সাত কলেজের ভর্তি কার্যক্রম ঢাবির অধীনে আর হবে না। এর পর থেকেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি শুরু হয়। গত ২৯ জুলাই প্রথমবারের মতো স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেয় ডিসিইউ কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং ঢাবি কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গঠিত পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় এখন সাত কলেজ আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হবে। ঢাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনে একাডেমিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

নাগরিক সংবাদ অনলাইন

১৪ আগস্ট, ২০২৫,  9:05 PM

news image

আট বছরের দীর্ঘ পথচলার অবসান ঘটিয়ে ঢাকার সাত সরকারি কলেজের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সব ধরনের প্রশাসনিক, একাডেমিক ও আর্থিক সম্পর্ক চূড়ান্তভাবে ছিন্ন হলো। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) ঢাবি উপাচার্যের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব কলেজের সকল দায়িত্ব ও তথ্য প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ)-এর অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াসের কাছে হস্তান্তর করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

এর মাধ্যমে ২০১৭ সালে শুরু হওয়া সাত কলেজের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যায় শেষ হয়ে গেল। উপাচার্য নিয়াজ আহমদ খান পৃথকীকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য কামনা করেন। দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ঢাবির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদসহ কলেজগুলোর অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ—এই সাত কলেজকে ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। লক্ষ্য ছিল ভর্তি, পাঠ্যসূচি ও পরীক্ষা ঢাবির তত্ত্বাবধানে এনে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া অধিভুক্তি হওয়ায় প্রশাসনিক জটিলতা, সেশনজট, ফল প্রকাশে বিলম্ব, ত্রুটিপূর্ণ ফলাফলসহ নানা সংকট তৈরি হয়।

অধিভুক্তি বাতিলের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিক আন্দোলনে নামে, যা এ বছরের ২৭ জানুয়ারি ফলপ্রসূ হয়। ওইদিন ঢাবি উপাচার্য ঘোষণা দেন, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে সাত কলেজের ভর্তি কার্যক্রম ঢাবির অধীনে আর হবে না। এর পর থেকেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতি শুরু হয়। গত ২৯ জুলাই প্রথমবারের মতো স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেয় ডিসিইউ কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এবং ঢাবি কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গঠিত পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ায় এখন সাত কলেজ আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হবে। ঢাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রয়োজনে একাডেমিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে।