শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২৫৬ কেন্দ্রে, একযোগে অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার

#
news image

৪৭তম বিসিএস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) পরীক্ষার প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মোট ২৫৬টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের আটটি বিভাগের প্রধান শহর— ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর এবং ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষাটি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে, এবং পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। কেন্দ্রের গেট সঠিক সময়ে বন্ধ হয়ে যাবে, তাই দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। পরীক্ষার্থীদের আসন বিন্যাস, সময়সূচি এবং কেন্দ্রসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিপিএসসির ওয়েবসাইট ([www.bpsc.gov.bd](http://www.bpsc.gov.bd)) এবং টেলিটকের ওয়েবসাইট (bpsc.teletalk.com.bd) এ পাওয়া যাবে। এ ছাড়া, পরীক্ষার্থীদের মোবাইলেও এই তথ্য মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

পরীক্ষার নিয়মাবলি ও নির্দেশনা
৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এমসিকিউ (Multiple Choice Question) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় মোট ২০০টি প্রশ্ন থাকবে, এবং প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর দেওয়া হবে, তবে ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক পাঁচ নম্বর কাটা হবে। প্রশ্নপত্রে চারটি সেট থাকবে— ১, ২, ৩ ও ৪। পরীক্ষার্থী যে সেট নম্বরের উত্তরপত্র পাবেন, তাকে সে সেট নম্বরের প্রশ্নপত্রও দেওয়া হবে।

পরীক্ষার সময়সীমা হবে দুই ঘণ্টা, এবং এই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীরা কোনো অবস্থাতেই পরীক্ষা কক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না। এছাড়া, পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, যেমন— বই-পুস্তক, ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ব্যাগ, গহনা বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেন্দ্রের মধ্যে আনা যাবে না। মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি চালানো হবে, এবং নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কক্ষে প্রবেশ করলে পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য শ্রুতিলেখক বরাদ্দ করা হবে এবং প্রতি ঘণ্টায় ১০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। অন্য প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রতি ঘণ্টায় ৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে নতুন করে ডাউনলোড করা যাবে।

বিশেষ নির্দেশনা
এছাড়া, ইংরেজি ভার্সনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যারা আবেদন করেছেন, তাদের জন্য আলাদা আসন বিন্যাস এবং ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। তারা অবশ্যই নির্ধারিত কেন্দ্রে ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। কোন পরীক্ষার্থী ভার্সন পরিবর্তনের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

বিপিএসসি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানিয়েছেন, যদি কোনো পরীক্ষার্থী অনিয়ম, গরমিল বা অসদাচরণের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে এবং ২০২৩ সালের বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাগরিক সংবাদ নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  9:44 PM

news image

৪৭তম বিসিএস (বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস) পরীক্ষার প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে এবং পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রকাশ করেছে। এই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মোট ২৫৬টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের আটটি বিভাগের প্রধান শহর— ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর এবং ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষাটি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে, এবং পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। কেন্দ্রের গেট সঠিক সময়ে বন্ধ হয়ে যাবে, তাই দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না। পরীক্ষার্থীদের আসন বিন্যাস, সময়সূচি এবং কেন্দ্রসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বিপিএসসির ওয়েবসাইট ([www.bpsc.gov.bd](http://www.bpsc.gov.bd)) এবং টেলিটকের ওয়েবসাইট (bpsc.teletalk.com.bd) এ পাওয়া যাবে। এ ছাড়া, পরীক্ষার্থীদের মোবাইলেও এই তথ্য মেসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

পরীক্ষার নিয়মাবলি ও নির্দেশনা
৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা এমসিকিউ (Multiple Choice Question) পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় মোট ২০০টি প্রশ্ন থাকবে, এবং প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর দেওয়া হবে, তবে ভুল উত্তরের জন্য শূন্য দশমিক পাঁচ নম্বর কাটা হবে। প্রশ্নপত্রে চারটি সেট থাকবে— ১, ২, ৩ ও ৪। পরীক্ষার্থী যে সেট নম্বরের উত্তরপত্র পাবেন, তাকে সে সেট নম্বরের প্রশ্নপত্রও দেওয়া হবে।

পরীক্ষার সময়সীমা হবে দুই ঘণ্টা, এবং এই সময়ের মধ্যে পরীক্ষার্থীরা কোনো অবস্থাতেই পরীক্ষা কক্ষ ত্যাগ করতে পারবেন না। এছাড়া, পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত কিছু নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, যেমন— বই-পুস্তক, ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ব্যাগ, গহনা বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেন্দ্রের মধ্যে আনা যাবে না। মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি চালানো হবে, এবং নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কক্ষে প্রবেশ করলে পরীক্ষার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুবিধা
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য শ্রুতিলেখক বরাদ্দ করা হবে এবং প্রতি ঘণ্টায় ১০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। অন্য প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রতি ঘণ্টায় ৫ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না। প্রবেশপত্র হারিয়ে গেলে কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে নতুন করে ডাউনলোড করা যাবে।

বিশেষ নির্দেশনা
এছাড়া, ইংরেজি ভার্সনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যারা আবেদন করেছেন, তাদের জন্য আলাদা আসন বিন্যাস এবং ইংরেজি ভার্সনের প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে। তারা অবশ্যই নির্ধারিত কেন্দ্রে ইংরেজি ভার্সনের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। কোন পরীক্ষার্থী ভার্সন পরিবর্তনের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

বিপিএসসি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানিয়েছেন, যদি কোনো পরীক্ষার্থী অনিয়ম, গরমিল বা অসদাচরণের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে এবং ২০২৩ সালের বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।