শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

৭০ জঙ্গিসহ ৭০০ বন্দি এখনও পলাতক

#
news image

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ৭০০ বন্দি এখনও পলাতক। তিনি বলেন, সারাদেশের কারাগার থেকে মোট ২,২০০ বন্দী পালিয়ে গেছে এবং তাদের মধ্যে ১,৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। বুধবার পুরান ঢাকার কারা অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে আইজি এ তথ্য জানান।

প্রধান আরও বলেন, মোট ৬৯টি কারাগারের মধ্যে ১৭টি প্রতিষ্ঠানের বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ। সরকার সেগুলো পুনর্র্নিমাণের উদ্যোগ নেবে, যোগ করেন তিনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, কোনো আসামিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার পর আর কোনো দায় থাকে না কারা কর্তৃপক্ষের। কোনো কয়েদিকেই অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। আর যারা ডিভিশন পাওয়ার যোগ্য, তাদের তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

কারা মহাপরিদর্শকের বক্তব্যে উঠে আসে, ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের আগে ও পরে বিভিন্ন কারাগার থেকে ২২শ’ আসামি পালিয়ে যায়, যাদের ১৫শ’ জনকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ৭০ জন ফাঁসি ও আলোচিত মামলার আসামি এখনও পলাতক।

এদিকে, কারারক্ষী কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।

নাগরিক নিউজ ডেস্ক

০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪,  10:20 PM

news image
কারা মহাপরিদর্শক (আইজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন

কারা মহাপরিদর্শক (আইজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মোতাহের হোসেন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ৭০০ বন্দি এখনও পলাতক। তিনি বলেন, সারাদেশের কারাগার থেকে মোট ২,২০০ বন্দী পালিয়ে গেছে এবং তাদের মধ্যে ১,৫০০ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। বুধবার পুরান ঢাকার কারা অধিদপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে আইজি এ তথ্য জানান।

প্রধান আরও বলেন, মোট ৬৯টি কারাগারের মধ্যে ১৭টি প্রতিষ্ঠানের বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ। সরকার সেগুলো পুনর্র্নিমাণের উদ্যোগ নেবে, যোগ করেন তিনি।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন বলেন, কোনো আসামিকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার পর আর কোনো দায় থাকে না কারা কর্তৃপক্ষের। কোনো কয়েদিকেই অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। আর যারা ডিভিশন পাওয়ার যোগ্য, তাদের তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

কারা মহাপরিদর্শকের বক্তব্যে উঠে আসে, ৫ আগস্ট দেশের পটপরিবর্তনের আগে ও পরে বিভিন্ন কারাগার থেকে ২২শ’ আসামি পালিয়ে যায়, যাদের ১৫শ’ জনকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ৭০ জন ফাঁসি ও আলোচিত মামলার আসামি এখনও পলাতক।

এদিকে, কারারক্ষী কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।