শিরোনামঃ
বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয় ইরানের নারী ফুটবলারদের বীর উপাধি দিলেন সাবেক কোচ জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া জরুরি রামপালে দুর্ঘটনা: নিহত বরসহ ৯ জনের দাফন সম্পন্ন ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হচ্ছে? ব্যাটারি সাশ্রয় করার কিছু কার্যকরী উপায় জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা  যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন ১৬ মার্চ নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন সুনিধি চৌহান মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের

অধিগ্রহণকৃত জমি লিজ দিয়ে চাষাবাদ, বিক্ষুব্ধ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার

#
news image

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটি সম্প্রসারণের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ মানুষ। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সরকার তাদের জমি জমা অধিগ্রহণ করলে বাপ-দাদার হাতে গড়া পৈত্রিক ভিটে বাড়ি তারা ছেড়ে দিয়েছে। অথচ সেই জমি চাষাবাদের জন্য অন্যের কাছে লিজ দিয়েছে নৌবাহিনী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমেছে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থরা। তাদের দাবী, সরকার লিজ দিলে ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে তাদেরই প্রধান্য দেওয়া উচিত।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতিপাড়া মৌজার অধিকাংশ জমি শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটির সম্প্রসারণের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এতে ওই ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামের প্রায় সকল জমি অধিগ্রহণের আওতায় পরেছে। সরকারের নোটিশ পেয়ে ঘড় বাড়ি, জমি-জমা ছেড়ে দিয়েছে স্থানীয়রা। কিন্তু সেই জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছে এলাকাবাসী। অধিগ্রহণকৃত জমি সরকারের উন্নয়নের কাজে লাগানোর পরিবর্তে লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় তাদের প্রধান্য ও অগ্রাধিকার দেয়া উচিত এমনটাই দাবী করেন ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলো।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য জামাল হাওলাদার, সালাউদ্দিন হাওলাদার, আব্দুর রব হাওলাদার ও শাহিন হাওলাদারসহ অনেকেই জানান, সরকারের উন্নয়নের কাজে একাত্ততা পোষণ করে শের-ই-বাংলা নৌঁঘাটির জন্য বাপ-দাদার পৈত্রিক ভিটে বাড়ি তারা ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু নৌবাহিনী সেই জমি কৃষি কাজে চাষাবাদের জন্য ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়েছে। নৌবাহিনী ওই জমি লিজ দিলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হিসেবে তারা সেই জমি নিতে চায়।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম এবিষয়ে বলেন, অধিগ্রহনকৃত জমি যে কাউকে লিজ দেয়া যাবে। তবে, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা ওই জমি লিজ নিতে চাইলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করে তালিকা দিলে ব্যবস্থা করে দিবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

এস কে রঞ্জন, কলাপাড়া, পটুয়াখালী

১৭ জুলাই, ২০২৪,  8:15 PM

news image

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটি সম্প্রসারণের জন্য অধিগ্রহণকৃত জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ সাধারণ মানুষ। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সরকার তাদের জমি জমা অধিগ্রহণ করলে বাপ-দাদার হাতে গড়া পৈত্রিক ভিটে বাড়ি তারা ছেড়ে দিয়েছে। অথচ সেই জমি চাষাবাদের জন্য অন্যের কাছে লিজ দিয়েছে নৌবাহিনী। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রাস্তায় নেমেছে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থরা। তাদের দাবী, সরকার লিজ দিলে ক্ষতিগ্রস্থ হিসেবে তাদেরই প্রধান্য দেওয়া উচিত।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বানাতিপাড়া মৌজার অধিকাংশ জমি শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটির সম্প্রসারণের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এতে ওই ইউনিয়নের পশরবুনিয়া গ্রামের প্রায় সকল জমি অধিগ্রহণের আওতায় পরেছে। সরকারের নোটিশ পেয়ে ঘড় বাড়ি, জমি-জমা ছেড়ে দিয়েছে স্থানীয়রা। কিন্তু সেই জমি ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছে এলাকাবাসী। অধিগ্রহণকৃত জমি সরকারের উন্নয়নের কাজে লাগানোর পরিবর্তে লিজ দিয়ে চাষাবাদ করায় তাদের প্রধান্য ও অগ্রাধিকার দেয়া উচিত এমনটাই দাবী করেন ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলো।

ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য জামাল হাওলাদার, সালাউদ্দিন হাওলাদার, আব্দুর রব হাওলাদার ও শাহিন হাওলাদারসহ অনেকেই জানান, সরকারের উন্নয়নের কাজে একাত্ততা পোষণ করে শের-ই-বাংলা নৌঁঘাটির জন্য বাপ-দাদার পৈত্রিক ভিটে বাড়ি তারা ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু নৌবাহিনী সেই জমি কৃষি কাজে চাষাবাদের জন্য ব্যক্তি মালিকানায় লিজ দিয়েছে। নৌবাহিনী ওই জমি লিজ দিলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার হিসেবে তারা সেই জমি নিতে চায়।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. নূর কুতুবুল আলম এবিষয়ে বলেন, অধিগ্রহনকৃত জমি যে কাউকে লিজ দেয়া যাবে। তবে, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যরা ওই জমি লিজ নিতে চাইলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করে তালিকা দিলে ব্যবস্থা করে দিবেন বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।